বাংলাদেশিদের জন্য ইউএই ভিসা পুনরায় চালুর পথে বড় অগ্রগতি

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৩৫:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
- / ১১২ বার পঠিত

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা পুনরায় চালুর বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) পক্ষ থেকে। দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক তৎপরতার ফলে, দুদেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে।
রবিবার ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ইউএই-এর বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলি আল-হামুদি।
সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বিশেষ দূতের সক্রিয় কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন, যার মধ্যে ছিল অর্ধডজনেরও বেশি মন্ত্রী পর্যায়ের সফর ও বৈঠক। এসব সফরে ভিসা সহজীকরণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।
রাষ্ট্রদূত জানান, বর্তমানে ঢাকায় ইউএই দূতাবাস প্রতিদিন ৩০ থেকে ৫০টি ভিজিট ভিসা ইস্যু করছে। ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের জন্য দলগতভাবে ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুততর করা হয়েছে, যা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও জনসম্পর্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
বিশেষ অগ্রগতির অংশ হিসেবে ইউএই-এর মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় দক্ষ কর্মীদের জন্য অনলাইন ভিসা ব্যবস্থা পুনরায় চালু করেছে। এর মাধ্যমে সম্প্রতি বিপণন ব্যবস্থাপক, হোটেল কর্মীসহ বিভিন্ন পেশাজীবীর ভিসা ইস্যু করা হয়েছে। নিরাপত্তা কর্মীদের জন্য ইতিমধ্যে ৫০০টি ভিসা দেওয়া হয়েছে এবং আরও ১,০০০টি ভিসা অনুমোদিত হয়ে ইস্যুর অপেক্ষায় রয়েছে।
রাষ্ট্রদূত আশ্বাস দেন, সময়ের সাথে সাথে ভিসা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ আরও শিথিল করা হবে। এছাড়া বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে উত্থাপিত মানবিক ও সহানুভূতিশীল কেসগুলো বিবেচনায় রেখে নমনীয়তা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী এই অগ্রগতি ও সহযোগিতার জন্য রাষ্ট্রদূত আল-হামুদির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ও ইউএই-এর মধ্যে Comprehensive Economic Partnership Agreement (CEPA) নিয়ে আলোচনার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে এবং দুই পক্ষ এরইমধ্যে প্রাথমিক কাঠামোতে একমত হয়েছে।
এই মাসের শেষদিকে ইউএই সরকারের একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিপরিষদ প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করবে। সফরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, দুই দেশের মধ্যকার সহযোগিতা আরও গভীর করা।






















