ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

বিয়ের ৭ দিনের মাথায় শ্যালিকাকে নিয়ে দুলাভাই উধাও!

নইমুল ইসলাম নায়ুম, বালিয়াডাঙ্গী (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:২১:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
  • / ৩৪ বার পঠিত

Oplus_131072

ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের এক সপ্তাহের মধ্যে দুলাভাইয়ের সঙ্গে শ্যালিকা পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সঙ্গে শ্বশুড়বাড়ি থেকে দেওয়া উপহারের ৩ ভরি স্বর্ণ নিয়ে গেছে ওই নববধু।
ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার কারণে গত ১৩ জুন ঢাকায় চলে যান তানিয়া আফরিনের স্বামী। ৭ ঘণ্টার মাথায় রাতে দুলাভাইয়ের সঙ্গে পালিয়ে যান শ্যালিকা তানিয়া।
জানা যায়, দুলাভাইয়ের শ্যালিকার বোনের সঙ্গে দাম্পত্য জীবনে দুটি বাচ্চা রয়েছে। ঘটনাটি জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের নেংটিহারা গ্রামে।
এ ঘটনায় বালিয়াডাঙ্গী ও রাণীশংকৈল থানায় পৃথক জিডি ও অভিযোগ দায়ের করেছে দুটি পরিবার।
শ্যালিকার নাম তানিয়া আফরিন। রাণীশংকৈল উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের টাংঙ্গাগজের গ্রামের বাসিন্দা সে। দুলাভাইয়ের বাড়ি নেংটিহারা গ্রামে।
রাজু নামের ওই দুলাভাইয়ের বাড়ির পাশেই বিয়ে হয়েছিল শ্যালিকার।
জানা গেছে, কোনো যৌতুক ছাড়াই গরিব পরিবারের মেয়েটি বিয়ে করেন ভানোরের এক যুবক। বিয়ের দিন দেনমোহর পরিশোধ করেন পুরোটায়। এরপরে তার সঙ্গে বাসরসহ ৭ দিন সংসার করেছেন। শ্বশুড়বাড়িতে বেড়াতেও গিয়েছিলেন।
এ বিষয়ে রাণীশংকৈল থানার ওসি আরশেদুল হক বলেন, আমরা এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বিয়ের ৭ দিনের মাথায় শ্যালিকাকে নিয়ে দুলাভাই উধাও!

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:২১:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের এক সপ্তাহের মধ্যে দুলাভাইয়ের সঙ্গে শ্যালিকা পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সঙ্গে শ্বশুড়বাড়ি থেকে দেওয়া উপহারের ৩ ভরি স্বর্ণ নিয়ে গেছে ওই নববধু।
ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার কারণে গত ১৩ জুন ঢাকায় চলে যান তানিয়া আফরিনের স্বামী। ৭ ঘণ্টার মাথায় রাতে দুলাভাইয়ের সঙ্গে পালিয়ে যান শ্যালিকা তানিয়া।
জানা যায়, দুলাভাইয়ের শ্যালিকার বোনের সঙ্গে দাম্পত্য জীবনে দুটি বাচ্চা রয়েছে। ঘটনাটি জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের নেংটিহারা গ্রামে।
এ ঘটনায় বালিয়াডাঙ্গী ও রাণীশংকৈল থানায় পৃথক জিডি ও অভিযোগ দায়ের করেছে দুটি পরিবার।
শ্যালিকার নাম তানিয়া আফরিন। রাণীশংকৈল উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের টাংঙ্গাগজের গ্রামের বাসিন্দা সে। দুলাভাইয়ের বাড়ি নেংটিহারা গ্রামে।
রাজু নামের ওই দুলাভাইয়ের বাড়ির পাশেই বিয়ে হয়েছিল শ্যালিকার।
জানা গেছে, কোনো যৌতুক ছাড়াই গরিব পরিবারের মেয়েটি বিয়ে করেন ভানোরের এক যুবক। বিয়ের দিন দেনমোহর পরিশোধ করেন পুরোটায়। এরপরে তার সঙ্গে বাসরসহ ৭ দিন সংসার করেছেন। শ্বশুড়বাড়িতে বেড়াতেও গিয়েছিলেন।
এ বিষয়ে রাণীশংকৈল থানার ওসি আরশেদুল হক বলেন, আমরা এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।