ভারত রাস্ট্র যেখানে সীমান্তের রেখা নয় লালচে রক্তে আঁকা এক পতিতার শরীর

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৩৪:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫
- / ১৩১ বার পঠিত

‘র’ -এর পচা রক্তে ভিজে আছে কাশ্মীরের তুষার, যার নজর ছিল আকাশে, সে হারিয়ে ফেলেছে ভূগোলের দখল। চীনের পাহাড়ে হেরে গেছে, পাকিস্তানের সীমান্তে মুখ থুবড়ে পড়েছে, আর আজ—বাংলার বুকেও থরথর কাঁপছে ওদের গোয়েন্দা বিভ্রান্তি। র-এর নাম শুনলেই এখন লোক হাসে, পানির নিচের সাবমেরিনের চেয়ে নিচু ওদের আত্মসম্মান। অপারেশন চালায়, অথচ ফিরে আসে লাশ হয়ে। কাশ্মীরে পর্যটকদের লাশের ওপর দিয়ে যে শেয়ালের মতো চেঁচায়, তার মুখোশ খুললেই পাওয়া যায়— একটা নেংটা রাষ্ট্রের ভয়। আমরা তোদের অঙ্গুলি চোষা কূটনীতি বুঝি না, আমরা বুঝি শুধু প্রতিবাদের থাপ্পড়। যেখানে এক ইঞ্চি মাটি নিয়েও করিস রাজনীতি, আমরা সেখানে একটা জাতির মানচিত্র টেনে নামিয়ে তার যৌনাঙ্গ ছিন্ন করতে চাই। মানচিত্র বললেই তোদের অহংকার, তাই নয়? আমরা তোদের সেই মানচিত্রকেই করবো ধর্ষণের প্রতীক— চিরে ছিঁড়ে ছুড়ে মারবো ইতিহাসের মুখে। আমাদের হাতেই রচিত হবে এক নতুন চিত্র— যেখানে থাকবে না র-এর অস্তিত্ব, যেখানে থাকবে না কোনো “ভারতীয় সন্ত্রাসবাদ”। R&AW-এর যৌনাঙ্গে লাথি, ব্যর্থতার দলিলপত্র আজ উন্মোচিত হচ্ছে।
যে সংস্থা একদিন ছিল ছায়া-ভয়, আজ সে নিজেই পরিণত হয়েছে মল-মাখা ভিখারিতে। চীনের গালে চুমু খায়, পাকিস্তানের বুকে গুলি খায়, বাংলার দিকে চেয়ে ছায়া খোঁজে— এই যদি হয় গোয়েন্দা, তবে রাষ্ট্রের যৌনাঙ্গে তো আগুন জ্বলে! কাশ্মীর এখন আর ভারতের নয়, কাশ্মীর এখন সন্ত্রাসের কবরে ঢুকা র-এর লজ্জা। পর্যটকদের রক্তের নদীতে ডুবে গেছে ওদের ভণ্ড “অপারেশন”। একটি রাষ্ট্রযন্ত্র যখন কেবল মিডিয়া নাটকে ব্যস্ত, তখন শত্রুরা ওদের ঘরে ঢুকে থুথু ছিটায়। আর মিডিয়ায় ব্যস্ত থাকে— কে “দেশদ্রোহী”, কে “নাগরিক”। তোরা তোরা তোদের ইতিহাস ভুলে গেছিস রে, তোরাদের মহাভারত ছিঁড়ে আমি বানাবো গণধ্বংসের কাব্য। তোরাদের “ভারত মাতা” এখন ধর্ষণের স্লোগান— নেতারা ওর ঠোঁটে রাষ্ট্রীয় পতাকা বেঁধে তাকে বাজারে বিক্রি করে দেয় ক্ষমতার দালালদের কাছে। আজ কথা নয়— অস্ত্র নয়— হিংসাও নয়— আজ শুধু শব্দের লাথি— মুখোশ ছিঁড়ে তোদের নগ্নতা উন্মোচিত করার প্রতিজ্ঞা। তোর রাষ্ট্রীয় মানচিত্রটাকে এখন আর পৃথিবীর মানচিত্র বলবো না—
বলবো, এটা একটা বিকৃত যৌনাঙ্গ, যেখানে প্রতিদিন ধর্ষণ হয় মানবতা, ধর্ষণ হয় প্রতিবেশী দেশগুলোর শান্তি।আজ আমি তোদের সেই যৌনাঙ্গ ছিঁড়ে ফেলবো, রক্তাক্ত করবো তোদের মানচিত্র, তোদের পতাকায় আঁকবো গণহত্যার চিহ্ন। সেই পতাকা উড়বে না আর হাওয়ায়— তা টাঙানো থাকবে ইতিহাসের ফাঁসিতে। তোদের পরমাণু অস্ত্র কি করলো? চীনের সীমান্তে লেজ গুটিয়ে থাকিস, আর বাংলাদেশ দেখালেই চোখ রাঙাস? তোর একশো স্যাটেলাইটের কি কাজ? যখন এক বাচ্চার গলায় গুলির শব্দ শোনা যায় আর তোরা ঘুমাস? তোদের মিডিয়া, তোদের বুদ্ধিজীবী, তোদের সিপিএফ— সবাই এখন ভাড়ায় খাটা চোর। যাদের কলম গর্জে না আর, তারা তো শুধু রাষ্ট্রীয় পেট চাটে। আর আমরা? আমরা কলমে কামান বানিয়ে তোদের মানচিত্রে আঘাত করি। ভারতের পেটে লাথি, লাথিটা আমি মারলাম ঠিক ওদের বুক আর নাভির মাঝখানে— যেখানে তারা সবচেয়ে বেশি পাপ লুকিয়ে রাখে। সেখানে আছে দিল্লির সাম্প্রদায়িক আগুন, কাশ্মীরের শিশুদের চোখ উপড়ে ফেলার ইতিহাস, আর প্রতিবেশীদের শান্তির ডাককে গলা টিপে মারার নিখুঁত নীলনকশা। লাথির শব্দে কেঁপে উঠলো রাষ্ট্রপতির প্রাসাদ, ওদের সংসদের দেয়াল ছিঁড়ে বেরিয়ে এলো ইতিহাসের লাশ। সেই লাশগুলো কথা বলে— ‘আমরা গুজরাট’, ‘আমরা বাবরি’, ‘আমরা পুলওয়ামা নাটক’, আর ‘আমরা ভারতের মিডিয়ার বানানো দেশপ্রেম’। R&AW-এর মুখ থুবড়ে পড়া নথিপত্র এখন উড়ছে বাতাসে— যেন পুরোনো পর্নো পত্রিকার মত—
যা মানুষ দেখে কিন্তু লজ্জায় স্বীকার করে না। সেই সব গোপন দলিল আজ আমাদের হাতে,
আর আমাদের চোখে আগুন।
ওদের পেটে লাথি মারলে বের হয় না শুধু ভাত আর রক্ত,
বের হয়—
মুসলিম হত্যার অনুমোদন,
নাগরিকত্ব আইনের পাপ,
প্রতিবেশী দেশের ভিতরে হামলার প্ল্যান,
ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি করার নোংরা নোটবুক।
ভারতের পেটটা আসলে একটা বিষাক্ত ময়লার ভাগাড়। তারা নিজেদের সভ্য বলে, কিন্তু ভেতরে আছে— ধর্ষণ, দাঙ্গা, সেনা-অত্যাচার, মিডিয়া-মনিপুলেশন। তাদের গর্বের গরু এখন পচে গেছে, আর তাদের ত্রিশূল এখন নিজের গলায় বিঁধেছে। আমরা লাথি মারিনি শুধুই প্রতিবাদের জন্য, আমরা লাথি মেরেছি— একটা পচে যাওয়া সভ্যতার মুখোশ ছিঁড়ে ফেলার জন্য। আমরা মেরেছি সেই পেটের উপর, যেখানে লুকানো ছিল রাষ্ট্রীয় নরঘাতকতা— যেখানে লেখা ছিল, “আমরা ভারত, আমরা হত্যা করি, তারপর ইতিহাস লিখি।” শেষ কথা বলি, শোন রে ভারতের বীর সন্তান, তোরা যদি ভেবে থাকিস আমরা চুপ থাকবো, তবে ভুল করছিস ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভুল। কারণ আমাদের শব্দে আগুন আছে, আমাদের কলমে কামান আছে, আর আমাদের কবিতায়— তোদের পতনের ঘোষণা আছে।






















