ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

ভোলার রাসেল তার পরিবারের বিরুদ্ধে ডেমরা থানায় যৌতুক নিরোধ আইনের মামলা

আবু সাঈদ তুষার, ঢাকা :
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৫০ বার পঠিত
ত্রিপুরার আগরতলা থেকে আগত ভারতীয় নারী আসমা বেগম মালদ্বীপ প্রবাসী স্বামী মোঃ রাসেল ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে যৌতুক দাবি ও নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় মামলা করেছেন। তিনি প্রতারণা, অর্থ আদায় এবং তার পরিবারের অনুপস্থিতি নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন।
কীভাবে শুরু হয়েছিল যাত্রা, আসমা বেগম জানান, ২০১৯ সালে তিনি মোবাইল ফোনের ইমু অ্যাপের মাধ্যমে মালদ্বীপে অবস্থানরত রাসেলের সাথে পরিচিত হন। শুরু থেকেই রাসেল তাকে তার বোনের স্বামী মোঃ কবিরের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। পরবর্তীতে ঢাকায় জমি ক্রয়ের অজুহাত দিয়ে রাসেল কবিরের মাধ্যমে বিয়ের আগেই তার কাছ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা আদায় করেন বলে দাবি করছেন আসমা।
বিয়ে এবং যৌতুক দাবি, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ঢাকার হাজারীবাগ এলাকায় আসমা ও রাসেলের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়েতে তিন লক্ষ টাকা মোহর নির্ধারিত হয় এবং আসমা এক ভরি স্বর্ণও প্রদান করেন। কিন্তু বিয়ের মাত্র কয়েক দিন পরই রাসেল তার স্ত্রীর কাছ থেকে অতিরিক্ত দশ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করেন।
আসমা যখন টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান, তখন রাসেল ও তার মা-বোন মিলে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। রাসেল কৌশলে বাড়ি ত্যাগ করে আসমাকে তার বোনের স্বামী কবিরের বাড়িতে রেখে ১০ আগস্ট ২০২৪ সালে মালদ্বীপে ফিরে যান।
ফিরে আসা এবং নিরুদ্দেশ স্বামী, আসমার ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি ভারতে ফিরে যেতে বাধ্য হন। তার ব্যক্তিগত মালামাল রেখে যেতে বাধ্য করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করছেন। ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর যখন তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন এবং স্বামীর পরিবারের খোঁজ করেন, তখন দেখা যায় তাদের প্রদত্ত ঠিকানা ও ফোন নম্বর পরিবর্তিত হয়ে গেছে।
স্বামী রাসেলকে যোগাযোগ করলে তিনি দেশে এসে সমাধানের আশ্বাস দেন, কিন্তু পরবর্তীতে অন্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন না।মামলা দায়ের এবং হুমকি-ধমকি, ২০২৫ সালের ১৬ আগস্ট আসমা বেগম ভোলার চতলা গ্রামে স্বামীর নিজ বাড়িতে গিয়ে কয়েক দিন অবস্থান করেন। তারপর তিনি দাবি করেন যে, কিছু লোক তাকে হুমকি-ধমকি দিয়ে বন্দুক প্রদর্শন করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এই ঘটনায় ডেমরা থানায় তিনি ৩৮৫/২০২৫ নং একটি সাধারণ ডায়েরি (সিআর) মামলা দায়ের করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ভোলার রাসেল তার পরিবারের বিরুদ্ধে ডেমরা থানায় যৌতুক নিরোধ আইনের মামলা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
ত্রিপুরার আগরতলা থেকে আগত ভারতীয় নারী আসমা বেগম মালদ্বীপ প্রবাসী স্বামী মোঃ রাসেল ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে যৌতুক দাবি ও নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় মামলা করেছেন। তিনি প্রতারণা, অর্থ আদায় এবং তার পরিবারের অনুপস্থিতি নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন।
কীভাবে শুরু হয়েছিল যাত্রা, আসমা বেগম জানান, ২০১৯ সালে তিনি মোবাইল ফোনের ইমু অ্যাপের মাধ্যমে মালদ্বীপে অবস্থানরত রাসেলের সাথে পরিচিত হন। শুরু থেকেই রাসেল তাকে তার বোনের স্বামী মোঃ কবিরের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। পরবর্তীতে ঢাকায় জমি ক্রয়ের অজুহাত দিয়ে রাসেল কবিরের মাধ্যমে বিয়ের আগেই তার কাছ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা আদায় করেন বলে দাবি করছেন আসমা।
বিয়ে এবং যৌতুক দাবি, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ঢাকার হাজারীবাগ এলাকায় আসমা ও রাসেলের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়েতে তিন লক্ষ টাকা মোহর নির্ধারিত হয় এবং আসমা এক ভরি স্বর্ণও প্রদান করেন। কিন্তু বিয়ের মাত্র কয়েক দিন পরই রাসেল তার স্ত্রীর কাছ থেকে অতিরিক্ত দশ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করেন।
আসমা যখন টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান, তখন রাসেল ও তার মা-বোন মিলে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। রাসেল কৌশলে বাড়ি ত্যাগ করে আসমাকে তার বোনের স্বামী কবিরের বাড়িতে রেখে ১০ আগস্ট ২০২৪ সালে মালদ্বীপে ফিরে যান।
ফিরে আসা এবং নিরুদ্দেশ স্বামী, আসমার ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি ভারতে ফিরে যেতে বাধ্য হন। তার ব্যক্তিগত মালামাল রেখে যেতে বাধ্য করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করছেন। ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর যখন তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন এবং স্বামীর পরিবারের খোঁজ করেন, তখন দেখা যায় তাদের প্রদত্ত ঠিকানা ও ফোন নম্বর পরিবর্তিত হয়ে গেছে।
স্বামী রাসেলকে যোগাযোগ করলে তিনি দেশে এসে সমাধানের আশ্বাস দেন, কিন্তু পরবর্তীতে অন্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন না।মামলা দায়ের এবং হুমকি-ধমকি, ২০২৫ সালের ১৬ আগস্ট আসমা বেগম ভোলার চতলা গ্রামে স্বামীর নিজ বাড়িতে গিয়ে কয়েক দিন অবস্থান করেন। তারপর তিনি দাবি করেন যে, কিছু লোক তাকে হুমকি-ধমকি দিয়ে বন্দুক প্রদর্শন করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এই ঘটনায় ডেমরা থানায় তিনি ৩৮৫/২০২৫ নং একটি সাধারণ ডায়েরি (সিআর) মামলা দায়ের করেন।