ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

মেধাবী শিক্ষার্থী মিথুনের পাশে ফাতেমা ফাউন্ডেশন

রিমল তালুকদার ঘাটাইল (টাঙ্গাইল)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:২১:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
  • / ৭৪ বার পঠিত

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে শরীফ বাড়ি মিথুনের পাশে দাঁড়িয়েছে ফাতেমা ফাউন্ডেশন। মিথুন শরীফ বাড়ি জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে। তিন ভাই বোনের মধ্যে মিথুনই বড়। মিথুনের বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন পেশায় একজন দিনমজুর। অসহায় পিতা মাতার বড় ছেলে মিথুন যখন প্রাথমিক পেরিয়ে  মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভর্তি হওয়ার কথা ঠিক তখনই পরিবারের অভাব অনটনের কারণে তার লেখাপড়া থেমে যায়।
এসময় তার পাশে দাঁড়ায়  ফাতেমা ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোঃ জাহিদ হাসান রাসেল। এরপর থেকে মিথুনের লেখাপড়ার যাবতীয় খরচ বহন করেন তিনি। মোঃ জাহিদ হাসান রাসেল এর সহযোগীতায় মিথুন এখন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পেরিয়ে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে তেজগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে অনার্সে ভর্তি হয়েছে। সারা দেশে যেভাবে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার মান নিম্নমুখী,  সেখানে মিথুন সারা বাংলাদেশের ২৭৮,৭১৮ জনের মধ্যে মানবিক গ্রূপের ৪৮০ তম হয়েছে, যা সারাদেশে বিশেষ করে ঘাটাইলের জন্য একটি বড় অর্জন।

মিথুনের বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ফাতেমা ফাউন্ডেশন এর পরিচালক মোঃ  জাহিদ হাসান রাসেল আমার ছেলের উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ব্যবস্থা করেছেন এবং পার্ট টাইম একটি চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। আমি ও আমার পরিবার এই ঋণ কখনোই শোধ করতে পারবো না। ফাতেমা ফাউন্ডেশন সর্বদা অসহায় দরিদ্র মানুষের কাজ করে।  তিনি ফাউন্ডেশনের পরিচালকের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন।

এ ব্যাপারে ফাতেমা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান উপদেষ্টা মোঃ জাহিদ হাসান এর সাথে কথা বললে তিনি জানান , একজন মেধাবীকে সমাজের  প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের উচিত তার পাশে দাঁড়ানো এবং তার পাশে দাঁড়িয়ে তাকে সুন্দরভাবে সঠিক রাস্তায় তুলে দেওয়া। এ কাজটি সঠিকভাবে করতে পারলে  সেই মেধাবী ছাত্রটি  একদিন দেশের জন্য সম্পদ হয়ে দাঁড়াবে এবং তিনিও একদিন এলাকার কোন অসহায় ব্যাক্তির পাশে দাঁড়াবেন।
এসময় তিনি একটি চীনা প্রবাদের কথা স্মরণ করে তার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে বলেন , “কোন ব্যক্তিকে বারবার সাহায্য করলে সে নির্ভরশীল হয়, কিন্তু তাকে যদি তার নিজের পায়ে দাঁড়ানোর শিক্ষাটা দেওয়া যায়, তাহলে সে নিজের পায়ে দাঁড়াবে এবং সমাজের জন্য একটি  রোল মডেল হবে ইনশাআল্লাহ। ফাতেমা ফাউন্ডেশন দেশব্যাপী কাজ করে চলেছেন। ফাতেমা ফাউন্ডেশন নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়ে শুধু মানুষকে সাহায্য করেনা, সমাজের প্রতিষ্ঠিত সকলকে সাথে নিয়ে একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে তিনি আরো জানান, যারা ঘাটাইল উপজেলায়  উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী এবং তাদের নিজেদের সমস্যা  রয়েছে, তাদেরকেও সাহায্য করার জন্য ফাতেমা ফাউন্ডেশন সর্বদা প্রস্তুত আছে। তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং সমাজের অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাড়ানোর জন্য বিবেকবান বিত্তবান মানুষদের প্রতি  অনুরোধ জানান।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

মেধাবী শিক্ষার্থী মিথুনের পাশে ফাতেমা ফাউন্ডেশন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:২১:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে শরীফ বাড়ি মিথুনের পাশে দাঁড়িয়েছে ফাতেমা ফাউন্ডেশন। মিথুন শরীফ বাড়ি জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে। তিন ভাই বোনের মধ্যে মিথুনই বড়। মিথুনের বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন পেশায় একজন দিনমজুর। অসহায় পিতা মাতার বড় ছেলে মিথুন যখন প্রাথমিক পেরিয়ে  মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভর্তি হওয়ার কথা ঠিক তখনই পরিবারের অভাব অনটনের কারণে তার লেখাপড়া থেমে যায়।
এসময় তার পাশে দাঁড়ায়  ফাতেমা ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোঃ জাহিদ হাসান রাসেল। এরপর থেকে মিথুনের লেখাপড়ার যাবতীয় খরচ বহন করেন তিনি। মোঃ জাহিদ হাসান রাসেল এর সহযোগীতায় মিথুন এখন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পেরিয়ে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে তেজগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে অনার্সে ভর্তি হয়েছে। সারা দেশে যেভাবে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার মান নিম্নমুখী,  সেখানে মিথুন সারা বাংলাদেশের ২৭৮,৭১৮ জনের মধ্যে মানবিক গ্রূপের ৪৮০ তম হয়েছে, যা সারাদেশে বিশেষ করে ঘাটাইলের জন্য একটি বড় অর্জন।

মিথুনের বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ফাতেমা ফাউন্ডেশন এর পরিচালক মোঃ  জাহিদ হাসান রাসেল আমার ছেলের উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ব্যবস্থা করেছেন এবং পার্ট টাইম একটি চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। আমি ও আমার পরিবার এই ঋণ কখনোই শোধ করতে পারবো না। ফাতেমা ফাউন্ডেশন সর্বদা অসহায় দরিদ্র মানুষের কাজ করে।  তিনি ফাউন্ডেশনের পরিচালকের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন।

এ ব্যাপারে ফাতেমা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান উপদেষ্টা মোঃ জাহিদ হাসান এর সাথে কথা বললে তিনি জানান , একজন মেধাবীকে সমাজের  প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের উচিত তার পাশে দাঁড়ানো এবং তার পাশে দাঁড়িয়ে তাকে সুন্দরভাবে সঠিক রাস্তায় তুলে দেওয়া। এ কাজটি সঠিকভাবে করতে পারলে  সেই মেধাবী ছাত্রটি  একদিন দেশের জন্য সম্পদ হয়ে দাঁড়াবে এবং তিনিও একদিন এলাকার কোন অসহায় ব্যাক্তির পাশে দাঁড়াবেন।
এসময় তিনি একটি চীনা প্রবাদের কথা স্মরণ করে তার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে বলেন , “কোন ব্যক্তিকে বারবার সাহায্য করলে সে নির্ভরশীল হয়, কিন্তু তাকে যদি তার নিজের পায়ে দাঁড়ানোর শিক্ষাটা দেওয়া যায়, তাহলে সে নিজের পায়ে দাঁড়াবে এবং সমাজের জন্য একটি  রোল মডেল হবে ইনশাআল্লাহ। ফাতেমা ফাউন্ডেশন দেশব্যাপী কাজ করে চলেছেন। ফাতেমা ফাউন্ডেশন নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়ে শুধু মানুষকে সাহায্য করেনা, সমাজের প্রতিষ্ঠিত সকলকে সাথে নিয়ে একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে তিনি আরো জানান, যারা ঘাটাইল উপজেলায়  উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী এবং তাদের নিজেদের সমস্যা  রয়েছে, তাদেরকেও সাহায্য করার জন্য ফাতেমা ফাউন্ডেশন সর্বদা প্রস্তুত আছে। তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং সমাজের অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাড়ানোর জন্য বিবেকবান বিত্তবান মানুষদের প্রতি  অনুরোধ জানান।