ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
তাজা খবর
কক্সবাজারে গহীন বনে ‘রহস্যময় ঘর’ ঘিরে চাঞ্চল্য
কিশোর গ্যাং সৃষ্টি মাদকেই
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
টার্গেট কিলিংয়ে দুইদিনে দুই খুন !
রোহিঙ্গা ক্যাম্প এখন অপরাধের অঙ্গরাজ্য

প্রতিবেদক
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:৩৪:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
- / ১৩ বার পঠিত

শ.ম.গফুর,কক্সবাজার: কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো ফের আতংকের জায়গায় পরিণত হয়েছে। মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে টার্গেট কিলিংয়ের আতঙ্ক। গত দুই দিনে পৃথক গুলির ঘটনায় দু’জন রোহিঙ্গা নেতা নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও অন্তত কয়েকজন। এতে ক্যাম্পজুড়ে চরম উদ্বেগ-উৎকন্ঠা ও নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে।
বুধবার (৬ মে) দুপুরে উখিয়া উপজেলার ৮-ইস্ট নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-৪১ ব্লকে সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন হেড মাঝি নুর কামাল। পরে বিকেলে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত নুর কামাল ওই ব্লকের হেড মাঝি ছিলেন এবং কথিত সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘এআরএ’ প্রধান নবী হোসেনের ভাই বলে জানা গেছে।এর আগে মঙ্গলবার (৫ মে) সন্ধ্যায় নৌকারমাঠ পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় একই ধরনের আরেকটি হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় কেফায়েত উল্লাহ হালিম নামে এক রোহিঙ্গা নেতা নিহত হন। তিনি কথিত ‘হালিম গ্রুপ’-এর প্রধান হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
একই ঘটনায় আরও দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ সিরাজ আমীন গতকালের ঘটনার বিষয়ে বলেন, “ঘটনার সংবাদ পেয়ে নৌকারমাঠ পুলিশ ক্যাম্পের একটি মোবাইল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প এলাকায় অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।সূত্রে জানা যায়, উভয় ঘটনায় হামলাকারীরা আগে থেকেই পরিকল্পিতভাবে ওৎপেতে থেকে টার্গেট করে গুলি চালায় এবং দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে ধারণা করা হচ্ছে, ক্যাম্পভিত্তিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গ্রুপ দ্বন্দ্বের জেরেই এসব হত্যাকাণ্ড ঘটছে।
এ বিষয়ে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)’র অধিনায়ক মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন,ঘটনার পরপরই ক্যাম্প এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে অভিযান চলছে।উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুজিবুল হক জানান,দুইটি ঘটনাই গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে এবং ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।এদিকে একের পর এক গুলির ঘটনায় সাধারণ রোহিঙ্গাদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিরাপত্তা জোরদার ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।


















