ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
তাজা খবর
কক্সবাজারে গহীন বনে ‘রহস্যময় ঘর’ ঘিরে চাঞ্চল্য
কিশোর গ্যাং সৃষ্টি মাদকেই
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কর বৃদ্ধির দাবিতে বগুড়ায় র্যালি

মোঃ সাদিকুল ইসলাম, বগুড়া
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৪৫:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
- / ০ বার পঠিত

মোঃ সাদিকুল ইসলাম, বগুড়া: বগুড়া, ৬ মে ২০২৬: তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার কমিয়ে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যে আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বিড়ি ও ধোঁয়াবিহীন তামাক পণ্যের ওপর সুনির্দিষ্ট কর আরোপ এবং মূল্য বৃদ্ধির দাবিতে বগুড়ায় র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) সকাল ১১টায় শহরের সাতমাথা এলাকায় বাংলাদেশ তামাক বিরোধী নারীজোট ও ভেনচার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়। র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে ‘তামাকমুক্ত বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্য অর্জনে কার্যকর ও যুগোপযোগী কর কাঠামো প্রণয়ন অত্যন্ত জরুরি। তারা উল্লেখ করেন, তামাকজাত পণ্যের সহজলভ্যতা কমাতে মূল্য বৃদ্ধি এবং সুনির্দিষ্ট কর আরোপের বিকল্প নেই।
বক্তারা প্রস্তাব করেন, ফিল্টারবিহীন ২৫ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ২৫ টাকা এবং ফিল্টারযুক্ত ২০ শলাকা বিড়ির মূল্য ৩০ টাকা নির্ধারণ করা হোক। একই সঙ্গে উভয় ক্ষেত্রেই ৮ টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপ, ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বহাল রাখার দাবি জানানো হয়।
এছাড়া ধোঁয়াবিহীন তামাক পণ্যের ক্ষেত্রে প্রতি ১০ গ্রাম জর্দার খুচরা মূল্য ৫৫ টাকা এবং গুলের মূল্য ৩০ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়। এসব পণ্যের ওপর প্রতি ১০ গ্রামে ২ টাকা সুনির্দিষ্ট কর এবং ৫৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাবও তুলে ধরা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, দেশে প্রতি বছর প্রায় ১ লাখ ৬১ হাজার মানুষ তামাকজনিত রোগে অকালমৃত্যুর শিকার হচ্ছেন। বিদ্যমান কর কাঠামো সংস্কারের মাধ্যমে একদিকে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ানো সম্ভব, অন্যদিকে তামাকের ব্যবহার—বিশেষ করে তরুণ ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর মধ্যে—উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা যাবে।
সমাবেশে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষক, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা এবং নাগরিক সমাজের সদস্যরা অংশ নেন। তারা আগামী জাতীয় বাজেটে উত্থাপিত প্রস্তাবসমূহ অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান।


















