শেখ রিফান আহমেদ : বিশ্ব দ্রুত বদলে যাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, ডেটা অ্যানালিটিক্স ও ডিজিটাল প্রযুক্তি কর্মক্ষেত্রের ধরন পাল্টে দিচ্ছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকেও যুগোপযোগী করতে হবে।
আজকের শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইভিত্তিক জ্ঞান দিলেই চলবে না। তাদের সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দিতে হবে।
বাংলাদেশে ডিজিটাল শিক্ষা বিস্তারের উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও শহর ও গ্রামের মধ্যে প্রযুক্তিগত বৈষম্য এখনো রয়ে গেছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদেরও মানসম্মত ইন্টারনেট, কম্পিউটার ল্যাব ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক নিশ্চিত করতে হবে।
কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে আরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। শিল্পপ্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে না পারলে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়তেই থাকবে।
শিক্ষক প্রশিক্ষণ, গবেষণার পরিবেশ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে নৈতিক শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।
শিক্ষা ও প্রযুক্তির কার্যকর সমন্বয়ই একটি জ্ঞানভিত্তিক, দক্ষ ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত।
-লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

শেখ রিফান আহমেদ, সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা 

























