ঢাকা, বাংলাদেশ , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

সরকারকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে ব্যবসায়ীরা!

বিপ্লব সাহা, খুলনা

ব্যবসায়ীরা মানছে না সরকারি নির্দেশ, দোকানপাট মার্কেট শপিংমল খুলছে সকাল ৯ টায়, বন্ধ করতে করতে রাত্র এগারোটা, স্থানীয় জেলা প্রশাসকের তদারকির কথা থাকলেও রয়েছে চরম গাফিলতি সকাল ১১ টার আগে ও রাত্রে নয় টার পরে হচ্ছে না কোন মনিটরিং ফলে সরকারকে দেয়া প্রতিশ্রুতি ভুলতে বসেছে ব্যবসায়ীগণ।

অথচ দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতারা ব্যবসা লোকসানের ইতিবাচক দিক তুলে ধরে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে সকল বিধি নিষেধ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে যা যা করণীয় তা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সকাল ১১ টা থেকে রাত্র নয়টা পর্যন্ত ব্যবসা পরিচালনা করবে বলে সমগ্র দেশব্যাপী ব্যবসায়ীরা স্পষ্টভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
এর আগে দেশের বিদ্যুৎ জ্বালানির সংকটাপন্য ক্রান্তি লগ্নে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগ সন্ধ্যা সাতটার পর দেশের সকল মার্কেট শপিংমল বন্ধ এবং বিলবোর্ডের আলো স্বল্পতার নির্দেশ রাখার প্রজ্ঞাপন জারি করলে মাত্র ১৫ দিন বিদ্যুৎ বিভাগের প্রজ্ঞাপন কিছুটা মেলে চললেও গেল ঈদ উল আযহার অজুহাতে ব্যবসায়ী মহল ক্রেতা বিক্রেতাদের সুবিধার্থে রাত্র ১০ঃ০০ টা পর্যন্ত মার্কেট দোকান পাট খোলা রাখার জন্য সরকার বরাবর লিখিত আবেদন করলে
সরকার ১২ মে থেকে ২৮ মে পর্যন্ত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান যথারীতি রাত দশটা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দেন,পরবর্তীতে দেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধান না হওয়ার কারণে পুনরায় ঈদের পর এক ১ মে থেকে আবারো সন্ধ্যা সাতটার পর মার্কেট শপিংমল বন্ধ করার নির্দেশ দিলে ব্যবসায়ীরা তাদের নানাবিধ লোকসানের কথা তুলে ধরে সরকার বরাবর প্রথমে সকাল দশটা থেকে রাত্র দশটা পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার ব্যাপারে লিখিত আবেদন করলে সরকার ও বিদ্যুৎ বিভাগ বিষয়টি গুরুত্ব ভাবে আমলে নিয়ে রাত্র দশটার পরিবর্তে সকাল ১১ টা থেকে রাত্র নয় টা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশ দেন,
তবে তার আগে বাংলাদেশ দোকান মালিক ফেডারেশনের সভাপতি ও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা সদস্যগণ সরকার ও জ্বালানি বিভাগকে কঠিনভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছিলেন আমরা আলো স্বল্পতা রাখবো এবং সকালে ১১ টায় মার্কেট শপিং মল দোকানপাট খোলা হবে এবং রাত্র নয় টার পরে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে দেশজুড়ে বিদ্যুতের দুঃসময়ে বিদ্যুতের অপচয় করবো না, অথচ ব্যবসায়ী নেতাদের সরকারকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি সম্পূর্ণভাবে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে তার বিপরীত কাজ করছে সকল ব্যবসায়ীরা যথারিতি সকাল সাড়ে নয়টা থেকে দশটার মধ্যে দোকান খুলে রাত রাত্র দশটা থেকে এগারোটা পর্যন্ত পরিপূর্ণ আলোকসজ্জা রেখে নির্দ্বিধায় দোকানদারি করছে।
একই সাথে প্রতিটি জেলার জেলা প্রশাসককে বিদ্যুৎ বিভাগের তরফ থেকে দোকান খোলা এবং বন্ধের ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারির ওপর কঠোর নজরদারি করার জন্য জানালেও প্রশাসন থেকে তেমন কোনো উদ্যোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না ফলে ব্যবসায়ীরা গা ছেড়ে দিয়ে ইচ্ছামতন বিদ্যুৎ অপচয় করছে বলে সরে জমিনে গিয়ে দেখা গেছে।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

তিস্তা পাড়ের মেয়ে

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ফোন: ০৯৬৪৯২৩০২২০, ০১৯১৫৭০৮১৮৭, ই-মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com

.nv-address-bar { background-color: #1565C0 !important; padding: 10px 20px !important; text-align: center !important; width: 100% !important; display: block !important; } .nv-address-bar p { color: #ffffff !important; font-size: 13px !important; margin: 0 !important; line-height: 1.6 !important; }
25 August 2026

মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

সরকারকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে ব্যবসায়ীরা!

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৩:১২:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

বিপ্লব সাহা, খুলনা

ব্যবসায়ীরা মানছে না সরকারি নির্দেশ, দোকানপাট মার্কেট শপিংমল খুলছে সকাল ৯ টায়, বন্ধ করতে করতে রাত্র এগারোটা, স্থানীয় জেলা প্রশাসকের তদারকির কথা থাকলেও রয়েছে চরম গাফিলতি সকাল ১১ টার আগে ও রাত্রে নয় টার পরে হচ্ছে না কোন মনিটরিং ফলে সরকারকে দেয়া প্রতিশ্রুতি ভুলতে বসেছে ব্যবসায়ীগণ।

অথচ দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতারা ব্যবসা লোকসানের ইতিবাচক দিক তুলে ধরে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে সকল বিধি নিষেধ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে যা যা করণীয় তা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সকাল ১১ টা থেকে রাত্র নয়টা পর্যন্ত ব্যবসা পরিচালনা করবে বলে সমগ্র দেশব্যাপী ব্যবসায়ীরা স্পষ্টভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
এর আগে দেশের বিদ্যুৎ জ্বালানির সংকটাপন্য ক্রান্তি লগ্নে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগ সন্ধ্যা সাতটার পর দেশের সকল মার্কেট শপিংমল বন্ধ এবং বিলবোর্ডের আলো স্বল্পতার নির্দেশ রাখার প্রজ্ঞাপন জারি করলে মাত্র ১৫ দিন বিদ্যুৎ বিভাগের প্রজ্ঞাপন কিছুটা মেলে চললেও গেল ঈদ উল আযহার অজুহাতে ব্যবসায়ী মহল ক্রেতা বিক্রেতাদের সুবিধার্থে রাত্র ১০ঃ০০ টা পর্যন্ত মার্কেট দোকান পাট খোলা রাখার জন্য সরকার বরাবর লিখিত আবেদন করলে
সরকার ১২ মে থেকে ২৮ মে পর্যন্ত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান যথারীতি রাত দশটা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দেন,পরবর্তীতে দেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধান না হওয়ার কারণে পুনরায় ঈদের পর এক ১ মে থেকে আবারো সন্ধ্যা সাতটার পর মার্কেট শপিংমল বন্ধ করার নির্দেশ দিলে ব্যবসায়ীরা তাদের নানাবিধ লোকসানের কথা তুলে ধরে সরকার বরাবর প্রথমে সকাল দশটা থেকে রাত্র দশটা পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার ব্যাপারে লিখিত আবেদন করলে সরকার ও বিদ্যুৎ বিভাগ বিষয়টি গুরুত্ব ভাবে আমলে নিয়ে রাত্র দশটার পরিবর্তে সকাল ১১ টা থেকে রাত্র নয় টা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশ দেন,
তবে তার আগে বাংলাদেশ দোকান মালিক ফেডারেশনের সভাপতি ও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা সদস্যগণ সরকার ও জ্বালানি বিভাগকে কঠিনভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছিলেন আমরা আলো স্বল্পতা রাখবো এবং সকালে ১১ টায় মার্কেট শপিং মল দোকানপাট খোলা হবে এবং রাত্র নয় টার পরে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে দেশজুড়ে বিদ্যুতের দুঃসময়ে বিদ্যুতের অপচয় করবো না, অথচ ব্যবসায়ী নেতাদের সরকারকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি সম্পূর্ণভাবে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে তার বিপরীত কাজ করছে সকল ব্যবসায়ীরা যথারিতি সকাল সাড়ে নয়টা থেকে দশটার মধ্যে দোকান খুলে রাত রাত্র দশটা থেকে এগারোটা পর্যন্ত পরিপূর্ণ আলোকসজ্জা রেখে নির্দ্বিধায় দোকানদারি করছে।
একই সাথে প্রতিটি জেলার জেলা প্রশাসককে বিদ্যুৎ বিভাগের তরফ থেকে দোকান খোলা এবং বন্ধের ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারির ওপর কঠোর নজরদারি করার জন্য জানালেও প্রশাসন থেকে তেমন কোনো উদ্যোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না ফলে ব্যবসায়ীরা গা ছেড়ে দিয়ে ইচ্ছামতন বিদ্যুৎ অপচয় করছে বলে সরে জমিনে গিয়ে দেখা গেছে।

Share this news as a Photo Card