ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
★ সহকারী শিক্ষকের পদ শূণ্য ১৩৩টি  ★ ব্যাহত হচ্ছে একাডেমিক কার্যক্রম

৮১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক

মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, কুমিল্লা
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:৪৯:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ৯৫ বার পঠিত
কুমিল্লার মুরাদনগরে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই ৮১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া উপজেলায় ১৩৩টি সহকারী শিক্ষকের পদও শূন্য রয়েছে। শিক্ষক ঘাটতির কারণে এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২২ ইউনিয়নে ২০৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। যার ৭৭টিতে প্রধান শিক্ষক কর্মরত আছেন। আর চলতি দায়িত্বে কর্মরত রয়েছেন ৪৬ জন। বাকি ৮১টি পদ শূন্য রয়েছে।
এছাড়া বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষকের পদ রয়েছে ১২৪১টি; কর্মরত রয়েছেন ১১০৮ জন এবং বাকী ১৩৩টি পদ শূন্য রয়েছে।
কয়েকজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হলে একজন সহকারী শিক্ষককে ওই পদে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হয়, না করলে প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তবে দাপ্তরিক কাজ করতে গিয়ে নিয়মিত পাঠদান চালানো সম্ভব না। এতে বাকি শিক্ষকদের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
উপজেলার চুলুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. কামরুল ইসলাম শাহিন বলেন, ২০২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে বিদ্যালয়ে যোগদান করেছি। স্কুলে আমিসহ মাত্র ‍তিনজন শিক্ষক কর্মরত আছেন। এছাড়া প্রধান শিক্ষক না থাকায় শ্রেণী পাঠদানের পাশাপাশি সব কাজ আমাকে করতে হয়। কোনো শিক্ষক ছুটিতে থাকলে অথবা আমাকে অফিসের কাজে কোথাও যেতে হলে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে সমস্যা হয়। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করতে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক দ্রুত নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রধান শিক্ষক বলেন, একজন সহকারী শিক্ষক যখন ভারপ্রাপ্ত প্রধানের দায়িত্বে থাকেন তখন অনেক শিক্ষক মনস্তাত্ত্বিকভাবে তাকে মেনে নেন না। আদেশ পালনে অনীহা প্রকাশ করেন।
অবিভাবকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সুষ্ঠুভাবে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে স্কুলগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে প্রধান ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবসর ও বদলিজনিত কারণে যেসব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে, সেই পদগুলোতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সামনে নতুন শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে তা পূরণ করা হবে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

★ সহকারী শিক্ষকের পদ শূণ্য ১৩৩টি  ★ ব্যাহত হচ্ছে একাডেমিক কার্যক্রম

৮১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:৪৯:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
কুমিল্লার মুরাদনগরে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই ৮১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া উপজেলায় ১৩৩টি সহকারী শিক্ষকের পদও শূন্য রয়েছে। শিক্ষক ঘাটতির কারণে এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২২ ইউনিয়নে ২০৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। যার ৭৭টিতে প্রধান শিক্ষক কর্মরত আছেন। আর চলতি দায়িত্বে কর্মরত রয়েছেন ৪৬ জন। বাকি ৮১টি পদ শূন্য রয়েছে।
এছাড়া বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষকের পদ রয়েছে ১২৪১টি; কর্মরত রয়েছেন ১১০৮ জন এবং বাকী ১৩৩টি পদ শূন্য রয়েছে।
কয়েকজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হলে একজন সহকারী শিক্ষককে ওই পদে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হয়, না করলে প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তবে দাপ্তরিক কাজ করতে গিয়ে নিয়মিত পাঠদান চালানো সম্ভব না। এতে বাকি শিক্ষকদের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
উপজেলার চুলুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. কামরুল ইসলাম শাহিন বলেন, ২০২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে বিদ্যালয়ে যোগদান করেছি। স্কুলে আমিসহ মাত্র ‍তিনজন শিক্ষক কর্মরত আছেন। এছাড়া প্রধান শিক্ষক না থাকায় শ্রেণী পাঠদানের পাশাপাশি সব কাজ আমাকে করতে হয়। কোনো শিক্ষক ছুটিতে থাকলে অথবা আমাকে অফিসের কাজে কোথাও যেতে হলে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে সমস্যা হয়। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করতে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক দ্রুত নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রধান শিক্ষক বলেন, একজন সহকারী শিক্ষক যখন ভারপ্রাপ্ত প্রধানের দায়িত্বে থাকেন তখন অনেক শিক্ষক মনস্তাত্ত্বিকভাবে তাকে মেনে নেন না। আদেশ পালনে অনীহা প্রকাশ করেন।
অবিভাবকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সুষ্ঠুভাবে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে স্কুলগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে প্রধান ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবসর ও বদলিজনিত কারণে যেসব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে, সেই পদগুলোতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সামনে নতুন শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে তা পূরণ করা হবে।