ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ
কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম
বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা
হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার
তিস্তার পানি বাড়ছে লালমনিরহাটে বন্যার আশঙ্কা

জিল্লুর রহমান, লালমনিরহাট (সদর) প্রতিনিধি,
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
- / ৩৭২ বার পঠিত

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে লালমনিরহাট জেলার পাঁচটি উপজেলার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নদীর পানি বিপদসীমার মাত্র ২৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে গত তিনদিনে পানি ধাপে ধাপে বেড়েছে। মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় যেখানে পানির উচ্চতা ছিল ৫১.৬২ মিটার, বুধবার সন্ধ্যায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫১.৮৯ মিটার। বৃহস্পতিবার (আজ) দুপুর ১২টায় তা আরও বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার একেবারে কাছাকাছি পৌঁছেছে।
তিস্তার ভাটিতে অবস্থিত কাউনিয়া পয়েন্টেও পানির স্তর বেড়েছে, যদিও সেখানে তা এখনও বিপদসীমার ৪২ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।
ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গে চলমান ভারী বৃষ্টিপাত এবং সেখানকার পাহাড়ি ঢলকে পানি বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ঢল সরাসরি বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে প্রবেশ করছে, যার ফলে তিস্তার পানি হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়েছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফা উদ দৌলা জানিয়েছেন, পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে। অন্যদিকে, পাউবোর আরেক নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার জানিয়েছেন, আগামী ২৪ ঘণ্টা পানির উচ্চতা আরও বাড়তে পারে। এতে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী এবং এর আশপাশের চরাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
বন্যার সতর্কতা পেয়ে ইতোমধ্যে চরাঞ্চলের দহগ্রাম, সানিয়াজান ও মহিষখোচা ইউনিয়নের বাসিন্দারা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। স্থানীয় প্রশাসনও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন:





















