ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
তাজা খবর
মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা

মেয়ের ধর্ষণ মামলায় জেল হাজতে পিতা!

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৪৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১৬১ বার পঠিত
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মেয়ে মাহমুদা আক্তার(২২)’র দেয়া ধর্ষণ মামলায় ৪৮দিন যাবত জেল হাজতে শহিদুল ইসলাম (৫০) নামক এক প্রবাসী। শহিদুল মঠবাড়িয়ার নাগ্রাভাঙ্গা গ্রামের মৃত মোবারক হাওলাদারের পুত্র।
মামলা সূত্রে জানা যায়: গত ১২ আগস্ট জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে মঠবাড়িয়া থানায় জন্মদাতা পিতার বিরুদ্ধে এজাহারে উল্লেখিত ঘটনার ১৫ দিন পর ২৭ আগস্ট মামলা দায়ের করেন মেয়ে মাহমুদা। মামলায় প্রধান সাক্ষী করা হয় মাহমুদার মা ও শহিদুলের স্ত্রী শাহিনুর বেগম (৪৫)কে। পুলিশ ওইদিনই শহিদুলকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করেন। অদ্যবধি তিনি কারাগারে আছেন। এদিকে প্রশাসন কর্তৃক পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে আলামত পরীক্ষা করা হলে মেডিকেল সার্টিফিকেটে মাহমুদা কে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ঘটনা অনুসন্ধানে জানা যায়: প্রায় ২ যুগ যাবৎ সৌদি আরবে ছিলেন শহিদুল, এ সময় তার স্ত্রী ৩ কন্যা সন্তান নিয়ে মঠবাড়িয়ার মিরুখালি বাজারে এমাদুল পঞ্চায়েতের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করত। শহিদুল সম্প্রতি দেশে আসার পরেই স্ত্রী ও কন্যা মাহমুদার নিকট প্রেরিত টাকা পয়সার হিসাব চাইলে হিসাব দিতে ব্যর্থ হন তারা। এছাড়াও দেশে এসে স্থানীয়দের নিকট স্ত্রী ও কন্যার পরকীয়া সহ তাদের বিরুদ্ধে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের খবর শুনতে পান শহিদুল। এ বিষয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তা নিয়ে সংসারে ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকতো। আনুমানিক ২ বছর পূর্বে শহিদুলের কন্যা মাহমুদাকে পরকীয়ার অভিযোগে স্বামী ফেরদৌস তালাক দেয়। এরপর থেকে মাহমুদা মায়ের কাছেই থাকতো। এসব ব্যাপারে স্থানীয় পর্যায়ে ইতিপূর্বে বেশ কয়েকটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে শহিদুল দেশে আসার পর বিদ্যমান সমস্যাগুলো নিরসন না হওয়ায় সংসারে প্রায়ই বাক-বিতণ্ডতা হত। মাহমুদার ভাড়া বাসার মালিক সহ স্থানীয়রা মনে করেন, পরকীয়া ও অর্থ সম্পদের হিসাব নিয়ে সৃষ্ট কলহের জেরে নিজ পিতাকে ঘায়েল করতে মা-মেয়ে মিলে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।
মিরুখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কামরুল আহসান খোকন বলেন, শহিদুল দেশে আসার পরে তার স্ত্রী-কন্যার নিকট গচ্ছিত সম্পদের হিসাব চাইলে তারা তা দিতে পারেননি। এছাড়াও বিগত দিনে মা-মেয়ের পরকীয়া সংক্রান্ত কিছু আপত্তিকর ছবি ভাইরাল হয়। এ নিয়ে সংসারে কলহ বিদ্যমান ছিল। হঠাৎ শুনতে পাই, শহিদুলের মেয়ে তার বাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। কিন্তু সার্বিক বিষয়বস্তু পর্যালোচনা করলে ঘটনাটি সত্য বলে মনে হয় না।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

মেয়ের ধর্ষণ মামলায় জেল হাজতে পিতা!

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৪৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মেয়ে মাহমুদা আক্তার(২২)’র দেয়া ধর্ষণ মামলায় ৪৮দিন যাবত জেল হাজতে শহিদুল ইসলাম (৫০) নামক এক প্রবাসী। শহিদুল মঠবাড়িয়ার নাগ্রাভাঙ্গা গ্রামের মৃত মোবারক হাওলাদারের পুত্র।
মামলা সূত্রে জানা যায়: গত ১২ আগস্ট জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে মঠবাড়িয়া থানায় জন্মদাতা পিতার বিরুদ্ধে এজাহারে উল্লেখিত ঘটনার ১৫ দিন পর ২৭ আগস্ট মামলা দায়ের করেন মেয়ে মাহমুদা। মামলায় প্রধান সাক্ষী করা হয় মাহমুদার মা ও শহিদুলের স্ত্রী শাহিনুর বেগম (৪৫)কে। পুলিশ ওইদিনই শহিদুলকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করেন। অদ্যবধি তিনি কারাগারে আছেন। এদিকে প্রশাসন কর্তৃক পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে আলামত পরীক্ষা করা হলে মেডিকেল সার্টিফিকেটে মাহমুদা কে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ঘটনা অনুসন্ধানে জানা যায়: প্রায় ২ যুগ যাবৎ সৌদি আরবে ছিলেন শহিদুল, এ সময় তার স্ত্রী ৩ কন্যা সন্তান নিয়ে মঠবাড়িয়ার মিরুখালি বাজারে এমাদুল পঞ্চায়েতের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করত। শহিদুল সম্প্রতি দেশে আসার পরেই স্ত্রী ও কন্যা মাহমুদার নিকট প্রেরিত টাকা পয়সার হিসাব চাইলে হিসাব দিতে ব্যর্থ হন তারা। এছাড়াও দেশে এসে স্থানীয়দের নিকট স্ত্রী ও কন্যার পরকীয়া সহ তাদের বিরুদ্ধে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের খবর শুনতে পান শহিদুল। এ বিষয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তা নিয়ে সংসারে ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকতো। আনুমানিক ২ বছর পূর্বে শহিদুলের কন্যা মাহমুদাকে পরকীয়ার অভিযোগে স্বামী ফেরদৌস তালাক দেয়। এরপর থেকে মাহমুদা মায়ের কাছেই থাকতো। এসব ব্যাপারে স্থানীয় পর্যায়ে ইতিপূর্বে বেশ কয়েকটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে শহিদুল দেশে আসার পর বিদ্যমান সমস্যাগুলো নিরসন না হওয়ায় সংসারে প্রায়ই বাক-বিতণ্ডতা হত। মাহমুদার ভাড়া বাসার মালিক সহ স্থানীয়রা মনে করেন, পরকীয়া ও অর্থ সম্পদের হিসাব নিয়ে সৃষ্ট কলহের জেরে নিজ পিতাকে ঘায়েল করতে মা-মেয়ে মিলে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।
মিরুখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কামরুল আহসান খোকন বলেন, শহিদুল দেশে আসার পরে তার স্ত্রী-কন্যার নিকট গচ্ছিত সম্পদের হিসাব চাইলে তারা তা দিতে পারেননি। এছাড়াও বিগত দিনে মা-মেয়ের পরকীয়া সংক্রান্ত কিছু আপত্তিকর ছবি ভাইরাল হয়। এ নিয়ে সংসারে কলহ বিদ্যমান ছিল। হঠাৎ শুনতে পাই, শহিদুলের মেয়ে তার বাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। কিন্তু সার্বিক বিষয়বস্তু পর্যালোচনা করলে ঘটনাটি সত্য বলে মনে হয় না।