ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার

পদ্মায় জাটকা সংরক্ষনে ২২দিনের নিষেধাজ্ঞায় দিশেহারা জেলেরা

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী :
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৫৮:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৩৬ বার পঠিত
রাজবাড়ী জেলার পদ্মা নদীতে জাটকা সংরক্ষন ও মা ইলিশ রক্ষায় ২২দিনের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মৎস্য বিভাগ অভিযান চলমান রয়েছে।
পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থানে মৎস্যবিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে নদীতে অভিযান চালানো হচ্ছে। ফলে পুরো নদী এখন জেলে শূন্য।
এ নিষেধাজ্ঞার সময় প্রতি জেলে ভিজিএফের চাল পাবে ২৫ কেজি করে। জেলেদের অভিযোগ, সরকারের আইন মেনে তারা নদীতে যাচ্ছেনা। কিন্তু বরাদ্ধকৃত ভিজিএফের চাল প্রকৃত জেলেদের না দিয়ে অন্য পেশার লোকজনকে দেয়া হচ্ছে সরকারি এ সুযোগ।
এদিকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় জেলেরা মাছ শিকার করার নৌকা নিয়ে অলস সময় পার করছি। একাধিক জেলেরা বলেন আমরা ঝাটকা ইলিশ ধরি না বড় মাছ ধরি। তবে প্রশাসনিক ঝামেলায় নদীতে নামতে পারছি না। এতে করে অলস সময় কাটাচ্ছেন জেলেরা। নদীর পাড়ে জাল ও নৌকা মেরামতের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলেরা। বন্ধ রয়েছে উপকূলীয় এলাকার বরফ কলগুলোও।
ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিতে ৩ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে নদীতে মাছ ধরা বন্ধ রয়েছে। চলবে আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। রাজবাড়ীর পদ্মা নদী এলাকাকে ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে। এ সময় সব রকমের ইলিশ সংরক্ষণ, আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও মজুদকরণ নিষিদ্ধ রয়েছে।
জেলেরা জানায় আরো জানান, নিষেধাজ্ঞার সময়টাতে মাছ ধরার নৌকা ও জাল ঘাটের আশ-পাশে নিয়ে মেরামতে ব্যস্ত সময় পার করছে জেলেরা। জাটকা সংরক্ষন ও ইলিশের উৎপাদনের লক্ষ্যে সরকার যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সেটা মেনে জেলেরা নদীতে নামছেনা। কিন্তু জেলেদের পুনর্বাসন করার কথা থাকলেও সেটা এখন পর্যন্ত হয়নি। যে পরিমান জেলে রয়েছে, সে পরিমান সরকারি খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়না বলে অভিযোগ করেন জেলেরা। নিষেধজ্ঞার সময় জেলেদের জন্য বরাদ্ধকৃত চাল লুটপাট না করে সঠিক তালিকা তৈরি করে দ্রুত যেন তা পেতে পারে সেটা নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির আইসি ত্রিনাথ সাহা জানান, এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করার জন্য নদীতে মৎস্য বিভাগ, উপজেলা-জেলা প্রশাসন,নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে নদীতে অভিযান চলছে। এটি নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন অব্যাহত থাকবে। এরপরও যারা আইন অমান্য করে নদীতে যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া। ইতিমধ্যে ঝাটকা ইলিশ নিধনে অনেক জেলেদের জেল জরিপানা দেয়া হয়েছে। অভিযান চলমান রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

পদ্মায় জাটকা সংরক্ষনে ২২দিনের নিষেধাজ্ঞায় দিশেহারা জেলেরা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৫৮:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
রাজবাড়ী জেলার পদ্মা নদীতে জাটকা সংরক্ষন ও মা ইলিশ রক্ষায় ২২দিনের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মৎস্য বিভাগ অভিযান চলমান রয়েছে।
পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থানে মৎস্যবিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে নদীতে অভিযান চালানো হচ্ছে। ফলে পুরো নদী এখন জেলে শূন্য।
এ নিষেধাজ্ঞার সময় প্রতি জেলে ভিজিএফের চাল পাবে ২৫ কেজি করে। জেলেদের অভিযোগ, সরকারের আইন মেনে তারা নদীতে যাচ্ছেনা। কিন্তু বরাদ্ধকৃত ভিজিএফের চাল প্রকৃত জেলেদের না দিয়ে অন্য পেশার লোকজনকে দেয়া হচ্ছে সরকারি এ সুযোগ।
এদিকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় জেলেরা মাছ শিকার করার নৌকা নিয়ে অলস সময় পার করছি। একাধিক জেলেরা বলেন আমরা ঝাটকা ইলিশ ধরি না বড় মাছ ধরি। তবে প্রশাসনিক ঝামেলায় নদীতে নামতে পারছি না। এতে করে অলস সময় কাটাচ্ছেন জেলেরা। নদীর পাড়ে জাল ও নৌকা মেরামতের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলেরা। বন্ধ রয়েছে উপকূলীয় এলাকার বরফ কলগুলোও।
ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিতে ৩ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে নদীতে মাছ ধরা বন্ধ রয়েছে। চলবে আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। রাজবাড়ীর পদ্মা নদী এলাকাকে ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে। এ সময় সব রকমের ইলিশ সংরক্ষণ, আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও মজুদকরণ নিষিদ্ধ রয়েছে।
জেলেরা জানায় আরো জানান, নিষেধাজ্ঞার সময়টাতে মাছ ধরার নৌকা ও জাল ঘাটের আশ-পাশে নিয়ে মেরামতে ব্যস্ত সময় পার করছে জেলেরা। জাটকা সংরক্ষন ও ইলিশের উৎপাদনের লক্ষ্যে সরকার যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সেটা মেনে জেলেরা নদীতে নামছেনা। কিন্তু জেলেদের পুনর্বাসন করার কথা থাকলেও সেটা এখন পর্যন্ত হয়নি। যে পরিমান জেলে রয়েছে, সে পরিমান সরকারি খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়না বলে অভিযোগ করেন জেলেরা। নিষেধজ্ঞার সময় জেলেদের জন্য বরাদ্ধকৃত চাল লুটপাট না করে সঠিক তালিকা তৈরি করে দ্রুত যেন তা পেতে পারে সেটা নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির আইসি ত্রিনাথ সাহা জানান, এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করার জন্য নদীতে মৎস্য বিভাগ, উপজেলা-জেলা প্রশাসন,নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে নদীতে অভিযান চলছে। এটি নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন অব্যাহত থাকবে। এরপরও যারা আইন অমান্য করে নদীতে যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া। ইতিমধ্যে ঝাটকা ইলিশ নিধনে অনেক জেলেদের জেল জরিপানা দেয়া হয়েছে। অভিযান চলমান রয়েছে।