ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার

থানা হেফাজতে নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার!

হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:০১:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৮৫ বার পঠিত
হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: কুমিল্লার হোমনায় থানা হেফাজতে থাকা নারীর সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত  লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোর রাতে হোমনা থানার ভেতরে শিশু ও নারী সেলের ভিতরে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত হামিদা আক্তার ওরফে ববিতা (৩২) হোমনা উপজেলার ঘনিয়ারচর গ্রামের প্রবাসী খলিল মিয়ার স্ত্রী। হোমনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) মো. মোরশেদুল আলম চৌধুরী ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আছাদপুর ইউনিয়নের ঘনিয়ারচর গ্রামের প্রবাসী খলিল মিয়ার দুই স্ত্রী হামিদা আক্তার  ও কোহিনূর আক্তার কে রেখে হামিদা আক্তার ববিতাকে বিয়ে করেন। বড় স্ত্রী কোহিনুর কে হজ্ব করাতে নিয়ে যাওয়ার খবর শুনে ববিতা গ্রামে আসে।
 এ নিয়ে  বুধবার(১৭ ডিসেম্বর) বিকালে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। এক পর্যায়ে হামিদা ছুরি নিয়ে বড় সতীন কোহিনূরের ওপর আক্রমণ করতে গেলে তার ছেলে সায়মন (১২) মাকে বাঁচাতে যায়। তখন হামিদা তাকেও ছুরি দিয়ে পেটে আঘাত করে নাড়ি-ভুঁড়ি বের করে ফেলে।এ সময় কোহিনূর আক্তারের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে আহত সায়মন সহ কোহিনুর কে উদ্ধার করে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান।
  এ সময় স্থানীয়রা হামিদাকে আটক করে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে হামিদাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। শিশু ও নারী সেলে আটকে  রাখে।  পরে খলিলের ভাই স্বপন মিয়া বাদী হয়ে হামিদা আক্তার ববি তাকে আসামী করে মামলা করে।  কিন্ত  ভোর রাতে তার সাথের আসামী বাথরুমে গেলে সে সুযোগে  হামিদা আক্তার ববিতা গলায় ওড়না পেচিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করে।
ঘটনার বিস্তারিত জানতে চাইলে  হোমনা মেঘনা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবদুল করিম বলেন, রুমে ওয়ারেন ভুক্ত আসামী ছিল। সে ভোর রাতে গ্রাম পুলিশের সহায়তায় বাথ রুমে গেলে এই সুযোগে সে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। নারী  ম্যাজিস্ট্রেট ও ডাক্তারের উপস্থিতিতে সুরথাল করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমেক হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। থানায় অপমৃত্যু্র মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

থানা হেফাজতে নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার!

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:০১:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: কুমিল্লার হোমনায় থানা হেফাজতে থাকা নারীর সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত  লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোর রাতে হোমনা থানার ভেতরে শিশু ও নারী সেলের ভিতরে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত হামিদা আক্তার ওরফে ববিতা (৩২) হোমনা উপজেলার ঘনিয়ারচর গ্রামের প্রবাসী খলিল মিয়ার স্ত্রী। হোমনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) মো. মোরশেদুল আলম চৌধুরী ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আছাদপুর ইউনিয়নের ঘনিয়ারচর গ্রামের প্রবাসী খলিল মিয়ার দুই স্ত্রী হামিদা আক্তার  ও কোহিনূর আক্তার কে রেখে হামিদা আক্তার ববিতাকে বিয়ে করেন। বড় স্ত্রী কোহিনুর কে হজ্ব করাতে নিয়ে যাওয়ার খবর শুনে ববিতা গ্রামে আসে।
 এ নিয়ে  বুধবার(১৭ ডিসেম্বর) বিকালে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। এক পর্যায়ে হামিদা ছুরি নিয়ে বড় সতীন কোহিনূরের ওপর আক্রমণ করতে গেলে তার ছেলে সায়মন (১২) মাকে বাঁচাতে যায়। তখন হামিদা তাকেও ছুরি দিয়ে পেটে আঘাত করে নাড়ি-ভুঁড়ি বের করে ফেলে।এ সময় কোহিনূর আক্তারের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে আহত সায়মন সহ কোহিনুর কে উদ্ধার করে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান।
  এ সময় স্থানীয়রা হামিদাকে আটক করে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে হামিদাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। শিশু ও নারী সেলে আটকে  রাখে।  পরে খলিলের ভাই স্বপন মিয়া বাদী হয়ে হামিদা আক্তার ববি তাকে আসামী করে মামলা করে।  কিন্ত  ভোর রাতে তার সাথের আসামী বাথরুমে গেলে সে সুযোগে  হামিদা আক্তার ববিতা গলায় ওড়না পেচিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করে।
ঘটনার বিস্তারিত জানতে চাইলে  হোমনা মেঘনা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবদুল করিম বলেন, রুমে ওয়ারেন ভুক্ত আসামী ছিল। সে ভোর রাতে গ্রাম পুলিশের সহায়তায় বাথ রুমে গেলে এই সুযোগে সে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। নারী  ম্যাজিস্ট্রেট ও ডাক্তারের উপস্থিতিতে সুরথাল করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমেক হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। থানায় অপমৃত্যু্র মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।