ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
তাজা খবর
ব্যারিস্টার জাইমা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করেছেন মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম

আওয়ামী নেতার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৪৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৩৫ বার পঠিত
নিজস্ব প্রতিনিধি: জমি সংক্রান্ত ক্রয়-বিক্রয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ বৈষম্যবিরোধী নেতার।
শনিবার (১০ই জানুয়ারি) শনিবার রাতে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে আবুল চৌধুরীকে আওয়ামী লীগ নেতা অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বৈষম্বিরোধী নেতা পাবেল আহমদ রাফি নামে এক ভুক্তভোগী।
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বাউরভাগ এলাকার রাজু আহমেদ সাজন মিয়ার ছেলে পাবেল আহমদ রাফি। তার লিখিত ও মৌখিক বক্তব্যে বলেন, গত ৬ই জানুয়ারী আবুল চৌধুরী মনুমুখ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক তার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট কথাবার্তা ও বিশদগার করেন।
পাবেল জানান, তিনি সিলেট লিডিং ইউনিভার্সিটি, বিএসসি ইন ইলেটিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়াশুনা করেন। প্রয়োজন ব্যতিত মৌলভীবাজার আসেননা। গত বছর তার দুইটি সিএনজি গাড়ি চুরি হয়। একটি গরু চুরি হয় ও দুটি দোকান চুরি হয়। এই সমস্ত ঘটনাক্রমে পুলিশ প্রশাসনের সাথে সব সময় যোগাযোগ রাখতে হয় গাড়ি গুলোর সন্ধান বের করার জন্য। আবুলদের সাথে পারিবারিক কোন্দলের কারণে অলৌকিক ভাবে এই ঘটনাগুলো ঘটে। এ যাবৎকালে আমি কোনো মামলার বাদী কিংবা স্বাক্ষী নই। তিনি বৈষম্যবিরোধী কোন মামলার সাথে ও কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। কে বা কাহারা আসামী তাহাও জানেননা। কাউকে গ্রেপ্তার বা হুমকি দেওয়া কোন প্রমান ছাড়া অযথা তার মানহানির জন্য মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার বরাবরে ২৪/১২/২০২৫ইং তারিখে একটি দরখাস্ত করেন আবুল। ওই আবেদন তদন্তাধীন আছে।
মূল ঘটনা আবুল চৌধুরীর সহিত আমার পরিবারের জমিজমা ক্রয় বিক্রয় সংক্রান্ত টাকা আত্মসাতের জের ধরে দ্বন্দ্ব রয়েছে। আবুল আওয়ামী লীগের নেতা, তাই প্রশাসন যাতে তাকে না ধরে এর জন্য তিনি মিথ্যা অপচেষ্ঠা চালাচ্ছেন।
পাবেল আরও বলেন পরিবাররের ৭১ লাখ টাকা আবুল ও তার সহযোগীরা আত্মসাৎ করেন। যাহা এলাকার সবাই জানে বিচার শালিসের কোনো সুযোগ দেয় নাই। আমার পরিবার যাথে এই টাকা উদ্ধারের কোন আইনানুগ ব্যবস্থা না নিতে পারে এ জন্য তার অপচেষ্ঠা। এ বিষয়ে ব্যাংকের কাগজাত এবং বায়নাপত্র প্রমান রয়েছে। তিনি বায়নাকৃত জমির বিক্রেতার সাথে মিলিয়া তাহার ভাই লিলু মিয়া জনৈক আহসান উল্লার নিকট হইতে গোপনে ক্রয় করিয়া উভয়ে লন্ডন চলিয়া যান। বর্তমানে লিলু দেশে আসিলে বিচার সালিশেরে চেষ্ঠা করেও এলাকার মুরুব্বি বার বার ব্যর্থ হন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগীর চাচা ছানু মিয়া, ফুফা লৎফুর রহমান প্রমুখ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

আওয়ামী নেতার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৪৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি: জমি সংক্রান্ত ক্রয়-বিক্রয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ বৈষম্যবিরোধী নেতার।
শনিবার (১০ই জানুয়ারি) শনিবার রাতে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে আবুল চৌধুরীকে আওয়ামী লীগ নেতা অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বৈষম্বিরোধী নেতা পাবেল আহমদ রাফি নামে এক ভুক্তভোগী।
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বাউরভাগ এলাকার রাজু আহমেদ সাজন মিয়ার ছেলে পাবেল আহমদ রাফি। তার লিখিত ও মৌখিক বক্তব্যে বলেন, গত ৬ই জানুয়ারী আবুল চৌধুরী মনুমুখ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক তার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট কথাবার্তা ও বিশদগার করেন।
পাবেল জানান, তিনি সিলেট লিডিং ইউনিভার্সিটি, বিএসসি ইন ইলেটিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়াশুনা করেন। প্রয়োজন ব্যতিত মৌলভীবাজার আসেননা। গত বছর তার দুইটি সিএনজি গাড়ি চুরি হয়। একটি গরু চুরি হয় ও দুটি দোকান চুরি হয়। এই সমস্ত ঘটনাক্রমে পুলিশ প্রশাসনের সাথে সব সময় যোগাযোগ রাখতে হয় গাড়ি গুলোর সন্ধান বের করার জন্য। আবুলদের সাথে পারিবারিক কোন্দলের কারণে অলৌকিক ভাবে এই ঘটনাগুলো ঘটে। এ যাবৎকালে আমি কোনো মামলার বাদী কিংবা স্বাক্ষী নই। তিনি বৈষম্যবিরোধী কোন মামলার সাথে ও কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। কে বা কাহারা আসামী তাহাও জানেননা। কাউকে গ্রেপ্তার বা হুমকি দেওয়া কোন প্রমান ছাড়া অযথা তার মানহানির জন্য মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার বরাবরে ২৪/১২/২০২৫ইং তারিখে একটি দরখাস্ত করেন আবুল। ওই আবেদন তদন্তাধীন আছে।
মূল ঘটনা আবুল চৌধুরীর সহিত আমার পরিবারের জমিজমা ক্রয় বিক্রয় সংক্রান্ত টাকা আত্মসাতের জের ধরে দ্বন্দ্ব রয়েছে। আবুল আওয়ামী লীগের নেতা, তাই প্রশাসন যাতে তাকে না ধরে এর জন্য তিনি মিথ্যা অপচেষ্ঠা চালাচ্ছেন।
পাবেল আরও বলেন পরিবাররের ৭১ লাখ টাকা আবুল ও তার সহযোগীরা আত্মসাৎ করেন। যাহা এলাকার সবাই জানে বিচার শালিসের কোনো সুযোগ দেয় নাই। আমার পরিবার যাথে এই টাকা উদ্ধারের কোন আইনানুগ ব্যবস্থা না নিতে পারে এ জন্য তার অপচেষ্ঠা। এ বিষয়ে ব্যাংকের কাগজাত এবং বায়নাপত্র প্রমান রয়েছে। তিনি বায়নাকৃত জমির বিক্রেতার সাথে মিলিয়া তাহার ভাই লিলু মিয়া জনৈক আহসান উল্লার নিকট হইতে গোপনে ক্রয় করিয়া উভয়ে লন্ডন চলিয়া যান। বর্তমানে লিলু দেশে আসিলে বিচার সালিশেরে চেষ্ঠা করেও এলাকার মুরুব্বি বার বার ব্যর্থ হন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগীর চাচা ছানু মিয়া, ফুফা লৎফুর রহমান প্রমুখ।