ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধার : চাচাতো ভাইসহ গ্রেফতার ৪

হাসান মামুন
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:১৫:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৫২ বার পঠিত

পিরোজপুর অফিস:: পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় নিখোঁজের কয়েকদিন পর ৫ বছর বয়সী শিশু রাইয়ান মল্লিকের লাশ উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির আপন চাচাতো ভাইসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য সাংবাদিকদের জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মঞ্জুর আহম্মেদ সিদ্দিকী। নিহত শিশু মো. রাইয়ান মল্লিক (৫) ভান্ডারিয়া উপজেলার উত্তর আতরখালী গ্রামের মো. রাছেল মল্লিকের ছেলে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ মো. রিয়াদ মল্লিক (১৯), তার পিতা মো. মিজান মল্লিক (৪২), মো. সাইদুল ইসলাম (৩৬) এবং মোসা. পারভীন বেগম (৩৫) এই চারজনকে গ্রেফতার করেছে। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গত ২৫ জানুয়ারি শিশুটির মা সাইয়েদা তন্বী তার সন্তান নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে ভান্ডারিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৭/৮/৩০ ধারায় একটি অপহরণ মামলা রুজু করা হয়। জিডি ও মামলার সূত্র ধরে নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধারে এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে ডিবি পুলিশের একটি দল ভান্ডারিয়া থানার উত্তর আতরখালী গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের একপর্যায়ে ভিকটিমের বাড়ির পাশের একটি মসজিদের বারান্দা থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, চিরকুটটি ভিকটিমের চাচাতো ভাই মো. রিয়াদ মল্লিকের হাতে লেখা। গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে রিয়াদ মল্লিক স্বীকার করেন, মো. সাইদুল ইসলামের কথায় তিনি ওই চিরকুটটি মসজিদের বারান্দায় রেখে আসেন এবং এ কাজের জন্য তাকে ২০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সুপার আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে রিয়াদ মল্লিক শিশুটির অবস্থান সম্পর্কে তথ্য দেয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে সঙ্গে নিয়ে তাদের বসতঘরের সামনে অবস্থিত একটি গোয়ালঘরের ভেতরে খড়কুটার নিচে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধার : চাচাতো ভাইসহ গ্রেফতার ৪

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:১৫:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

পিরোজপুর অফিস:: পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় নিখোঁজের কয়েকদিন পর ৫ বছর বয়সী শিশু রাইয়ান মল্লিকের লাশ উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির আপন চাচাতো ভাইসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য সাংবাদিকদের জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মঞ্জুর আহম্মেদ সিদ্দিকী। নিহত শিশু মো. রাইয়ান মল্লিক (৫) ভান্ডারিয়া উপজেলার উত্তর আতরখালী গ্রামের মো. রাছেল মল্লিকের ছেলে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ মো. রিয়াদ মল্লিক (১৯), তার পিতা মো. মিজান মল্লিক (৪২), মো. সাইদুল ইসলাম (৩৬) এবং মোসা. পারভীন বেগম (৩৫) এই চারজনকে গ্রেফতার করেছে। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গত ২৫ জানুয়ারি শিশুটির মা সাইয়েদা তন্বী তার সন্তান নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে ভান্ডারিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৭/৮/৩০ ধারায় একটি অপহরণ মামলা রুজু করা হয়। জিডি ও মামলার সূত্র ধরে নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধারে এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে ডিবি পুলিশের একটি দল ভান্ডারিয়া থানার উত্তর আতরখালী গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের একপর্যায়ে ভিকটিমের বাড়ির পাশের একটি মসজিদের বারান্দা থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, চিরকুটটি ভিকটিমের চাচাতো ভাই মো. রিয়াদ মল্লিকের হাতে লেখা। গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে রিয়াদ মল্লিক স্বীকার করেন, মো. সাইদুল ইসলামের কথায় তিনি ওই চিরকুটটি মসজিদের বারান্দায় রেখে আসেন এবং এ কাজের জন্য তাকে ২০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সুপার আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে রিয়াদ মল্লিক শিশুটির অবস্থান সম্পর্কে তথ্য দেয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে সঙ্গে নিয়ে তাদের বসতঘরের সামনে অবস্থিত একটি গোয়ালঘরের ভেতরে খড়কুটার নিচে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।