ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
তাজা খবর
ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ
কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম
বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা
হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও
রংপুরে কেন্দ্রীয় কবরস্থান প্রতিষ্ঠায় মতবিনিময় সভা

রাসেল রানা, রংপুর প্রতিনিধি
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:০২:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
- / ৫৬ বার পঠিত

রাসেল রানা, রংপুর প্রতিনিধি: রংপুর সিটি কর্পোরেশনের হারাগাছ মেট্রো এলাকার বুদাই ও আরাজী গুলাল বুদাই কেন্দ্রীয় কবরস্থান প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এক আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কবরস্থান কমিটির সভাপতি শাহীনুর রহমান–এর উপস্থিতিতে পূর্বে আয়োজিত উন্মুক্ত আলোচনা সভার সিদ্ধান্তের আলোকে নবগঠিত লিয়াজোঁ কমিটির অংশগ্রহণে এ সভার আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি ২০২৬) জুমার নামাজের পর দক্ষিণ বুদাই হাজীপাড়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে কবরস্থান প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা, সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়। স্থানীয় জনসাধারণ ছাড়াও বিভিন্ন জামাতের সভাপতি–সেক্রেটারিসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা উদ্যোগটিকে সময়োপযোগী ও জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।
নবগঠিত লিয়াজোঁ কমিটির আহ্বায়ক রেজাউল করিম (রেজা) এবং সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম (মেম্বার) উপস্থিত ছিলেন। সভায় লিয়াজোঁ কমিটির প্রধান মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম সমন্বয়ের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অন্যদিকে, কবরস্থান কমিটির সভাপতি মোঃ শাহীনুর রহমান দাবি করেন, ১৯৪০ ও ১৯৬২ সালের দিকে জনসাধারণের কবরস্থান হিসেবে নির্ধারিত সম্পত্তির জমির শ্রেণীর পরিবর্তন করে ১৯৮০ সালের একটি দলিলের মাধ্যমে ২০ শতাংশ জমি হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯০ সালে অবৈধ প্রক্রিয়ায় ৪৬ শতক জমিসহ কবরস্থানের অন্যান্য জমি রেকর্ডপূর্বক ব্যক্তিগত নামে মোট ১২৩ শতক জমি ব্যবহারের মাধ্যমে কবরস্থানের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তার বক্তব্য, এ অবৈধ হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় সম্পত্তি ব্যক্তিগত নামে চালু থাকায় জনগণকে কবরস্থানে দাফনে বাধা দেওয়ার সাহস পাওয়া গেছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন— ভবিষ্যতে তাদের পরবর্তী প্রজন্ম একইভাবে জনগণকে কবরস্থানে দাফনে বাধা দেবে না, তার গ্যারান্টি কী?
কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় কবরস্থান বাস্তবায়িত হলে এলাকার মানুষের দাফনসংক্রান্ত দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হবে।


















