ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার

হোমনায়  নারী ও  দুই শিশুকে  জবাই করে হত্যা

আইয়ুব আলী, হোমনা
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:২১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৯৩ বার পঠিত
আইয়ুব আলী, হোমনা: কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ঘারমোড়া ইউনিয়নের উত্তর মনিপুর গ্রামে ঘরে ঢুকে এক প্রবাসীর  স্ত্রী  ও দুই শিশুকে জবাই করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দিবাগত রাতে এ নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতরা হলেন উত্তর মনিপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী পাপিয়া আক্তার সুখি (৩২) ও তার শিশু ছেলে মো. হোসাইন (৪) এবং নারীর প্রবাসী ভাসুর আব্দুস সাত্তারের ছেলে জুবায়েদ (৭)। তারা সবাই জহিরুল ইসলামের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন।
নিহতদের স্বজনরা জানায়, কে বা কারা এ ঘটনা গটিয়েছে তা তারা বুঝতে পারছেন না। তাদের কোনো শত্রুও ছিল না। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন।
নিহত পাপিয়া আক্তারের ভাই মো. সাইদুল হক জানান, তারা সকালে তার বোন ও ভাগিনার খুন হওয়ার খবর পেয়ে বাড়িতে এসেছেন। নিহত পাপিয়া আক্তারের ভাগিনা আমান উল্লাহ ও একই বক্তব্য। তিনিও শুনেছেন কে বা কারা তার ফুপু ও ফুপাতো ভাই হোসাইন এবং তার চাচাতো ভাই জুবাইদকে জবাই করে ভেতরে ফেলে রেখেছে।
খুন হওয়া শিশু জুবাইদের মা লিপি আক্তার বলেন, তার শিশু ছেলে জুবাইদ কাল (সোমবার) রাতে তার বড় আম্মুর (বড় চাচী) সঙ্গে ঘুমানের বায়না ধরে। সে অনুযায়ী রাতে খাবার খেয়ে সেও তাদের সঙ্গে ছিল। সকালে অনেক বেলা হয়ে যাওয়ায় ছেলেকে খাওয়ানোর জন্য ডাকতে গেলে এমন মর্মান্তিক ঘটনা দেখেন। প্রথমে তার বড় ছেল সাত বছরের জুনাইদকে পাঠান জুবাইদকে ডাকার জন্য। দরজা ধাক্কা দিয়ে ঘরে ঢুকে জুবাইদকে কাঁথা মুড়ি দিয়ে গড়াগড়ি করে শুয়ে থাকা অবস্থায় রয়েছে বলে মা লিপি আক্তারকে জানান। পরে তিনি ঘরে ঢুকে প্রথমে জা’য়ের ছেলেকে জবাই করা অবস্থায় দেখতে পান পরে একে একে অন্য দুটি কক্ষ থেকে জা এবং নিজ সন্তানের গলা কাটা লাশ খুঁজে পান। ঘরের দরজার কাছে একটি ছুরি পেয়েছেন। তিনি কারও সঙ্গে তাদের কোনো শত্রুতা অথবা পারিবারিক কোনো ঝামেলা ছিল না বলে জানান; এবং তার জা’ও ভালো ছিলেন। কারও সঙ্গে অনৈকি কোনো সম্পর্কও ছিল না বলে জানান।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরি বলেন, এখনও কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি।  তবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে।     লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।  আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

হোমনায়  নারী ও  দুই শিশুকে  জবাই করে হত্যা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:২১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
আইয়ুব আলী, হোমনা: কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ঘারমোড়া ইউনিয়নের উত্তর মনিপুর গ্রামে ঘরে ঢুকে এক প্রবাসীর  স্ত্রী  ও দুই শিশুকে জবাই করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দিবাগত রাতে এ নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতরা হলেন উত্তর মনিপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী পাপিয়া আক্তার সুখি (৩২) ও তার শিশু ছেলে মো. হোসাইন (৪) এবং নারীর প্রবাসী ভাসুর আব্দুস সাত্তারের ছেলে জুবায়েদ (৭)। তারা সবাই জহিরুল ইসলামের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন।
নিহতদের স্বজনরা জানায়, কে বা কারা এ ঘটনা গটিয়েছে তা তারা বুঝতে পারছেন না। তাদের কোনো শত্রুও ছিল না। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন।
নিহত পাপিয়া আক্তারের ভাই মো. সাইদুল হক জানান, তারা সকালে তার বোন ও ভাগিনার খুন হওয়ার খবর পেয়ে বাড়িতে এসেছেন। নিহত পাপিয়া আক্তারের ভাগিনা আমান উল্লাহ ও একই বক্তব্য। তিনিও শুনেছেন কে বা কারা তার ফুপু ও ফুপাতো ভাই হোসাইন এবং তার চাচাতো ভাই জুবাইদকে জবাই করে ভেতরে ফেলে রেখেছে।
খুন হওয়া শিশু জুবাইদের মা লিপি আক্তার বলেন, তার শিশু ছেলে জুবাইদ কাল (সোমবার) রাতে তার বড় আম্মুর (বড় চাচী) সঙ্গে ঘুমানের বায়না ধরে। সে অনুযায়ী রাতে খাবার খেয়ে সেও তাদের সঙ্গে ছিল। সকালে অনেক বেলা হয়ে যাওয়ায় ছেলেকে খাওয়ানোর জন্য ডাকতে গেলে এমন মর্মান্তিক ঘটনা দেখেন। প্রথমে তার বড় ছেল সাত বছরের জুনাইদকে পাঠান জুবাইদকে ডাকার জন্য। দরজা ধাক্কা দিয়ে ঘরে ঢুকে জুবাইদকে কাঁথা মুড়ি দিয়ে গড়াগড়ি করে শুয়ে থাকা অবস্থায় রয়েছে বলে মা লিপি আক্তারকে জানান। পরে তিনি ঘরে ঢুকে প্রথমে জা’য়ের ছেলেকে জবাই করা অবস্থায় দেখতে পান পরে একে একে অন্য দুটি কক্ষ থেকে জা এবং নিজ সন্তানের গলা কাটা লাশ খুঁজে পান। ঘরের দরজার কাছে একটি ছুরি পেয়েছেন। তিনি কারও সঙ্গে তাদের কোনো শত্রুতা অথবা পারিবারিক কোনো ঝামেলা ছিল না বলে জানান; এবং তার জা’ও ভালো ছিলেন। কারও সঙ্গে অনৈকি কোনো সম্পর্কও ছিল না বলে জানান।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরি বলেন, এখনও কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি।  তবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে।     লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।  আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।