ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ
কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম
বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা
হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার
জেলায় সর্বোচ্চ আসন পেয়েও মন্ত্রিত্ব থেকে বঞ্চিত: হতাশায় নেতাকর্মী

বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ১১৬ বার পঠিত

বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো: কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার পর এমপিও মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণের আগ পর্যন্ত গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল খুলনা জেলার তিনও চার আসন থেকে বিজয়ী প্রার্থী কেন্দ্রীয় নেতা আজিজুল বাড়ি হেলাল ও রকিবুল ইসলাম বকুলকে মন্ত্রী পরিষদে স্তান দেওয়ার কথা কিন্তু গতকাল চূড়ান্ত পর্যায়ে এমপিও মন্ত্রীদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হলেও সেখানে হতাশা আর ব্যঞ্জনতায় ভেসে যায় খুলনা অঞ্চলের জনমানুষের চাওয়া পাওয়া ঠাই হয় নাই মন্ত্রী পরিষদের দুইজনের একজনেরও
উল্লেখযোগ্য ভাবে বলা যেতে পারে খুলনা বিভাগের ৩৬টি আসনে মাত্র ১১টিতে জয় পেয়েছে বিএনপি। এর মধ্যে ৪টি আসনই খুলনা জেলার। সবচেয়ে বেশি আসনে জয় উপহার দেওয়ায় তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় খুলনার নেতাদের উপস্থিতি আশা করেছিলেন দলের নেতাকর্মী ও নাগরিক সমাজ। কিন্তু শপথ অনুষ্ঠান শেষে হতাশ হতে হয়েছে তাদের। অতীতের মতো বিএনপির বর্তমান সরকারেও মন্ত্রী হননি খুলনা জেলার কেউ।
পুরাতন নথি ঘেটে দেখা গেছে, নব্বই পরবর্তী বিএনপির তিনটি সরকারে খুলনা থেকে কেউ মন্ত্রী হননি। অথচ আওয়ামী লীগের ৫টি সরকারের মন্ত্রিসভার প্রতিটিতেই খুলনা থেকে পূর্ণ মন্ত্রী অথবা প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। নতুন মন্ত্রিসভায় খুলনা থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করে দীর্ঘ বঞ্চনার অবসানের দাবি ছিল নাগরিক নেতা ও দলটির কর্মীদের। সেই আশা পূরণ হয়নি।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে খুলনা বিভাগে ৬টি জেলার সবগুলো আসনে জয় পেয়েছে জামায়াত। বড় জেলা যশোরের ৬টি আসনের ৫টিতেই পরাজিত হয়েছে বিএনপি। বাগেরহাটের ৪টির মধ্যে তিনটিতেই জয় পায় জামায়াত। ব্যতিক্রম শুধু খুলনা। এখানকার ৬টি আসনের মধ্যে ৪টিতে জয় পেয়েছে বিএনপি প্রার্থীরা। এজন্য মন্ত্রিসভায় খুলনা বিভাগের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে খুলনা জেলা থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি উঠেছিল।
খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার বলেন, আঞ্চলিক নেতারা মন্ত্রী হলে এলাকার উন্নয়ন তরান্বিত হয়। সেই আশা থেকে বিভাগীয় সদর হিসেবে খুলনায় মন্ত্রী আশা করেছিলাম। কিন্তু কিছুটা হতাশ হতে হয়েছে।
বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামান বলেন, খুলনার মানুষ বিএনপিকে ভোট দিয়ে সম্মানিত করেছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের উচিত ছিল খুলনা থেকে মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য অন্তর্ভুক্ত করে এই সম্মানের প্রতিদান দেওয়া।
খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু বলেন, বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে ভালো করায় আমরা সিনিয়র নেতাদের মধ্যে রকিবুল ইসলাম বকুল, আজিজুল বারী হেলাল অথবা আলী আজগর লবীর মধ্য থেকে একজনকে মন্ত্রী দেখতে চেয়েছিলাম। তবে পার্টির চেয়ারম্যানসহ সিনিয়র নেতারা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেটাই আমাদের জন্য মঙ্গলজনক ধরে নিচ্ছি।





















