ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
তাজা খবর
ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ
কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম
বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা
হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও
বেরোবিতে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ: তদন্ত কমিশন গঠনের আহ্বান

রাসেল রানা, রংপুর জেলা প্রতিনিধি
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৩৫:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ৭৫ বার পঠিত

রাসেল রানা, রংপুর জেলা প্রতিনিধি: রংপুর: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়–এর রেজিস্ট্রার ড. হারুন অর রশিদ তাঁর নিয়োগ বাতিলকে কেন্দ্র করে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে জাতীয় পর্যায়ে তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন।
বুধবার নগরীর একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শওকত আলী নিজ পদ রক্ষার জন্য এবং ব্যক্তিস্বার্থে কোনো কারণ ছাড়াই তাকে অব্যাহতি দিয়েছেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তিনি হুমকি ও চাপের মুখে ছিলেন বলেও অভিযোগ করেন।
তিনি দাবি করেন, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগে জাল সনদ ও ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে অযোগ্য ব্যক্তিদের চাকরি দেওয়া হয়েছে। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করলে একটি মহল তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। ইতোমধ্যে কয়েকজনের চাকরি বাতিল হয়েছে এবং আরও অনেকে ঝুঁকিতে রয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ড. হারুন অর রশিদ বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহত হওয়ার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কেউ মামলা করতে সাহস না পেলেও তিনি নিজেই বাদী হয়ে হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে মামলা করেন, যা বর্তমানে চলমান রয়েছে। এ ঘটনার পর থেকেই তাকে নানা চাপের মুখে পড়তে হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ছুটি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পরদিনই তাকে ‘জামায়াতপন্থি’ আখ্যা দিয়ে নিয়োগ বাতিল করা হয়। গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২০তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে—আবু সাঈদ হত্যা মামলার সঙ্গে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা, মামলা বাণিজ্য বন্ধ করে সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও যৌন হয়রানির ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়ন, চলমান তদন্তের প্রতিবেদন দ্রুত প্রকাশ, তদন্তের নামে কালক্ষেপণ বন্ধ, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়ম রোধে জাতীয় পর্যায়ের তদন্ত কমিশন গঠন এবং সুষ্ঠু তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের নিয়োগ ও পদোন্নতি স্থগিত রাখা।
এ ছাড়া ক্যাম্পাসে মতপ্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্রাকসু নির্বাচন আয়োজন, শিক্ষক সমিতি ও কর্মকর্তা–কর্মচারীদের সংগঠন চালু করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম–দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

















