ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ
কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম
বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা
হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার
রমজানের প্রথম দিন থেকেই গরুর মাংসর কেজি ৭৫০ টাকা নির্ধারণ করল কেসিসি!

বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:৩৪:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ১২২ বার পঠিত

বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো: পবিত্র মাহে রমজানের সময় খুলনা মহানগরীতে গরু ও ছাগলের মাংস, ডিম ও বয়লার মুরগির খুচরা বিক্রি মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি)। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই দর নির্ধারণ করা হয়।
সভায় রমজান উপলক্ষ্যে প্রতিকেজি খাসির মাংস ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা, গরুর মাংস ৭৪০ থেকে ৭৫০ টাকা, ডিম প্রতি হালি ৩৮ থেকে ৪৪ টাকা ও বয়লায় মুরগী প্রতিকেজি ১৮০ টাকায় খুচরা বিক্রির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর বাইরে অতিরিক্ত দাম নিলে এবং মেয়াদউত্তীর্ণ পণ্য, ভেজাল, পঁচাবাসি খাবার বিক্রি করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার ও সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মোখতার আহমেদ। সভায় কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, সচিব আরিফুল ইসলাম, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (এডিসি দক্ষিণ) অমিত বর্মন, কেসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, নির্বাহী ম্যাজিস্টেট ও প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কোহিনুর জাহানসহ নগরীর পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় কেসিসির প্রশাসক বলেন, পবিত্র রমজান মাস ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মাস। এ মাসে খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে আমাদের সংযমী হতে হবে। ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, অন্য মাসের তুলনায় রমজানে কম লাভ করলে সওয়াব বেশি পাওয়া যাবে। প্রতিটি দোকানে নির্দিষ্ট স্থানে প্রতিদিনের মূল্য তালিকা প্রদর্শন এবং ক্রয়ের পাঁকা রশিদ সংরক্ষণ করতে হবে। রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করা হবে।





















