ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার

গভীর সমুদ্রে জলদস্যুর হামলায় পাথরঘাটার দুই জেলে গুলিবিদ্ধ

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৪০:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৮৫ বার পঠিত
পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি: বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা থেকে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে ডাকাতের হামলায় দুই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে, মংলা বয়ার পশ্চিম দিকে, পাথরঘাটার থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপসাগর এলাকায়। আজ সোমবার সকাল ১০টায় গুলিবিদ্ধ নুর আলম খানকে চিকিৎসার জন্য পাথরঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়।
গুলিবিদ্ধরা হলেন, নুর আলম খান (৪৮), পাথরঘাটা উপজেলা সদর ইউনিয়নের বড় টেংরা হাজির খাল ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। শাহজাহান (৪৫), একই ইউনিয়নের চরলাঠিমারা ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
জানা গেছে, তারা একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে মাছ ধরছিলেন। ট্রলারটির মালিক দুলাল হাওলাদার, যার বাড়ি কালমেঘা ইউনিয়নের পশ্চিম গুটাবাছা এলাকায়।
নুর আলম খান জানান, মংলা বয়ার পশ্চিম দিকে তারা মাছ ধরছিলেন। সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে হঠাৎ একটি ট্রলার তাদের দিকে ধাওয়া করে। কাছে আসতেই বুঝতে পারেন, সেটি একটি সশস্ত্র ডাকাত দলের ট্রলার। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তারা নিরুপায় হয়ে জাল কেটে দেন এবং দ্রুতগতিতে ট্রলার চালিয়ে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
কিন্তু ডাকাত দল তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। প্রায় ৩০ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করা হয় বলে জানান নুর আলম খান। এ সময় তিনি নিজে পিঠে গুলিবিদ্ধ হন এবং একই ট্রলারে থাকা শাহজাহান চোখে গুলিবিদ্ধ হন। ট্রলারটিতে মোট ১৪ জন জেলে ছিলেন। নুর আলমের ধারণা, ডাকাত দলের ট্রলারটিতে ১০ থেকে ১২ জন অস্ত্রধারী ছিল।
তাদের ট্রলারটি ধরতে ব্যর্থ হয়ে এক পর্যায়ে ডাকাত দল সরে যায়। পরে আহতদের নিয়ে তারা ট্রলার চালিয়ে মহিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
নুর আলম খান আরও জানান, গত দুই মাস ধরে গভীর সমুদ্রে ডাকাতির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে জেলেদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, এভাবে চলতে থাকলে আমরা আর গভীর সমুদ্রে নিরাপদে মাছ শিকার করতে পারব না।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

গভীর সমুদ্রে জলদস্যুর হামলায় পাথরঘাটার দুই জেলে গুলিবিদ্ধ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৪০:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি: বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা থেকে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে ডাকাতের হামলায় দুই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে, মংলা বয়ার পশ্চিম দিকে, পাথরঘাটার থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপসাগর এলাকায়। আজ সোমবার সকাল ১০টায় গুলিবিদ্ধ নুর আলম খানকে চিকিৎসার জন্য পাথরঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়।
গুলিবিদ্ধরা হলেন, নুর আলম খান (৪৮), পাথরঘাটা উপজেলা সদর ইউনিয়নের বড় টেংরা হাজির খাল ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। শাহজাহান (৪৫), একই ইউনিয়নের চরলাঠিমারা ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
জানা গেছে, তারা একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে মাছ ধরছিলেন। ট্রলারটির মালিক দুলাল হাওলাদার, যার বাড়ি কালমেঘা ইউনিয়নের পশ্চিম গুটাবাছা এলাকায়।
নুর আলম খান জানান, মংলা বয়ার পশ্চিম দিকে তারা মাছ ধরছিলেন। সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে হঠাৎ একটি ট্রলার তাদের দিকে ধাওয়া করে। কাছে আসতেই বুঝতে পারেন, সেটি একটি সশস্ত্র ডাকাত দলের ট্রলার। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তারা নিরুপায় হয়ে জাল কেটে দেন এবং দ্রুতগতিতে ট্রলার চালিয়ে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
কিন্তু ডাকাত দল তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। প্রায় ৩০ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করা হয় বলে জানান নুর আলম খান। এ সময় তিনি নিজে পিঠে গুলিবিদ্ধ হন এবং একই ট্রলারে থাকা শাহজাহান চোখে গুলিবিদ্ধ হন। ট্রলারটিতে মোট ১৪ জন জেলে ছিলেন। নুর আলমের ধারণা, ডাকাত দলের ট্রলারটিতে ১০ থেকে ১২ জন অস্ত্রধারী ছিল।
তাদের ট্রলারটি ধরতে ব্যর্থ হয়ে এক পর্যায়ে ডাকাত দল সরে যায়। পরে আহতদের নিয়ে তারা ট্রলার চালিয়ে মহিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
নুর আলম খান আরও জানান, গত দুই মাস ধরে গভীর সমুদ্রে ডাকাতির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে জেলেদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, এভাবে চলতে থাকলে আমরা আর গভীর সমুদ্রে নিরাপদে মাছ শিকার করতে পারব না।