ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার

মঠবাড়িয়ায ঘুষের টাকা ফেরত চায় ভুক্তভোগী শিক্ষক

প্রতিনিধি, সোহাগ ইসলাম
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:১০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • / ১০০ বার পঠিত

প্রতিনিধি, সোহাগ ইসলাম: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বিবিএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (গনিত) সঞ্জয় কুমার সরকারকে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য ৪ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।ওই পদে তার নিয়োগ না হওয়ায় ৪ বছর ধরে ঘুষের টাকা ফেরত চেয়ে প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতির দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তিনি।

ওই সময় বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক ছিলেন মোঃ মাহফুজুর রহমান (বিপ্লব)।বর্তমানেও তিনি কর্মরত রয়েছেন।অন্যদিকে বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ছিলেন ৯ নং সাপলেজা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মিরাজ মিয়া।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১ অক্টোবর বিবিএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদটি শূন্য হয়।এরপর ওই পদের বিপরীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বিদ্যালয়টিতে কর্মরত শিক্ষক সঞ্জয় কুমার সরকার আবেদন করেন।এরপরই শুরু হয় নিয়োগ বানিজ্য।নিয়োগ পরীক্ষার আগেই তাকে গুনতে হয় ৪ লাখ টাকা। কিন্তু করোনা মহামারির কারনে হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে যায় নিয়োগ প্রক্রিয়া।আর এরমধ্যেই শেষ হয়ে যায় ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ।২০২১ সালে ম্যানেজিং কমিটিতে আসে নতুন মুখ।ওই পদে আবার নতুনভাবে শুরু হয় নিয়োগ প্রক্রিয়া।নতুন কমিটি অন্য বিদ্যালয় থেকে আবেদন করা রুহুল আমিন নামে একজন শিক্ষককে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দেয়। এতে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হন সঞ্জয় সরকার। এরপর থেকে সঞ্জয় কুমার সরকার প্রধান শিক্ষক ও সাবেক সভাপতির কাছে ঘুষের টাকা ফেরত চাইতে থাকলে তাকে ১ লাখ ১৬  হাজার টাকা কিস্তিতে কিস্তিতে ফেরত দেওয়া হয়।বাকি ২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য এখনও তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তিনি।

এ ব্যাপারে সঞ্জয় কুমার সরকার জানান,বিষয়টি সমাধানের জন্য প্রধান শিক্ষক মাহফুজুর রহমান চেষ্টা করেছেন।কিন্তু ৫ আগস্টের পর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মিরাজ মিয়া আত্মগোপনে থাকায় প্রধান শিক্ষক এটি সমাধান করতে পারেননি।
প্রধান শিক্ষক মাহফুজুর রহমান জানান,২০২২ সালে এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষক উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু এর কোন সুরাহা হয়নি।তবে তার অভিযোগ সত্য। ঘুষের টাকা যাতে ফেরত পায় সেজন্য যেকোন ক্ষেত্রে আমার সুপারিশ ও সহযোগিতা থাকবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

মঠবাড়িয়ায ঘুষের টাকা ফেরত চায় ভুক্তভোগী শিক্ষক

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:১০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

প্রতিনিধি, সোহাগ ইসলাম: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বিবিএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (গনিত) সঞ্জয় কুমার সরকারকে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য ৪ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।ওই পদে তার নিয়োগ না হওয়ায় ৪ বছর ধরে ঘুষের টাকা ফেরত চেয়ে প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতির দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তিনি।

ওই সময় বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক ছিলেন মোঃ মাহফুজুর রহমান (বিপ্লব)।বর্তমানেও তিনি কর্মরত রয়েছেন।অন্যদিকে বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ছিলেন ৯ নং সাপলেজা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মিরাজ মিয়া।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১ অক্টোবর বিবিএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদটি শূন্য হয়।এরপর ওই পদের বিপরীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বিদ্যালয়টিতে কর্মরত শিক্ষক সঞ্জয় কুমার সরকার আবেদন করেন।এরপরই শুরু হয় নিয়োগ বানিজ্য।নিয়োগ পরীক্ষার আগেই তাকে গুনতে হয় ৪ লাখ টাকা। কিন্তু করোনা মহামারির কারনে হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে যায় নিয়োগ প্রক্রিয়া।আর এরমধ্যেই শেষ হয়ে যায় ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ।২০২১ সালে ম্যানেজিং কমিটিতে আসে নতুন মুখ।ওই পদে আবার নতুনভাবে শুরু হয় নিয়োগ প্রক্রিয়া।নতুন কমিটি অন্য বিদ্যালয় থেকে আবেদন করা রুহুল আমিন নামে একজন শিক্ষককে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দেয়। এতে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হন সঞ্জয় সরকার। এরপর থেকে সঞ্জয় কুমার সরকার প্রধান শিক্ষক ও সাবেক সভাপতির কাছে ঘুষের টাকা ফেরত চাইতে থাকলে তাকে ১ লাখ ১৬  হাজার টাকা কিস্তিতে কিস্তিতে ফেরত দেওয়া হয়।বাকি ২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য এখনও তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তিনি।

এ ব্যাপারে সঞ্জয় কুমার সরকার জানান,বিষয়টি সমাধানের জন্য প্রধান শিক্ষক মাহফুজুর রহমান চেষ্টা করেছেন।কিন্তু ৫ আগস্টের পর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মিরাজ মিয়া আত্মগোপনে থাকায় প্রধান শিক্ষক এটি সমাধান করতে পারেননি।
প্রধান শিক্ষক মাহফুজুর রহমান জানান,২০২২ সালে এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষক উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু এর কোন সুরাহা হয়নি।তবে তার অভিযোগ সত্য। ঘুষের টাকা যাতে ফেরত পায় সেজন্য যেকোন ক্ষেত্রে আমার সুপারিশ ও সহযোগিতা থাকবে।