ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার

সাদা কদমে ঢেকেছে মাঠ, পেঁয়াজের ‘কালো সোনা’ ফলাতে ব্যস্ত কৃষক

ইমরোজুল ইসলাম, মহম্মদপুর (মাগুরা)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:২৭:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • / ১০৬ বার পঠিত
ইমরোজুল ইসলাম, মহম্মদপুর (মাগুরা): মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার খালিয়া রহমতপুর গ্রামে দিগন্ত বিস্তৃত মাঠজুড়ে এখন এক অনন্য দৃশ্য। সবুজের সমারোহের মাঝখানে ফুটে উঠেছে অসংখ্য সাদা গোল ফুল। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, সবুজ গালিচার ওপর যেন কেউ মমতার সঙ্গে বিছিয়ে দিয়েছে সাদা রঙের চাদর। স্থানীয় কৃষকেরা ভালোবেসে এই ফুলকে ডাকেন পেঁয়াজের ‘কদম’ নামে।
কৃষকদের কাছে এই সাদা কদম কেবল একটি ফুল নয়; এটি তাদের সম্ভাবনাময় লাভের প্রতীক। কিছুদিন পর এই ফুল শুকিয়ে তৈরি হবে বহুমূল্যবান পেঁয়াজের বীজ, যাকে অনেকেই ‘কালো সোনা’ বলে থাকেন।
সাধারণ পেঁয়াজ চাষের তুলনায় পেঁয়াজের বীজ বা কদম চাষ কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ হলেও অধিক লাভের আশায় এখন অনেক কৃষক এই চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
খালিয়া রহমতপুর গ্রামের কৃষক মো. আসাদুজ্জামান (৫৭), পিতা মৃত রজব আলী মোল্লা, প্রায় ১০ বছর ধরে পেঁয়াজের বীজ চাষ করে আসছেন। তিনি জানান, প্রায় ২০ শতক জমিতে চাষ করে প্রতি শতকে প্রায় ২ কেজি থেকে ২ কেজি ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত বীজ উৎপাদন হয়। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের বীজ প্রায় ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে, যা কৃষকদের জন্য বেশ লাভজনক।
একই গ্রামের আরেক কৃষক মো. উজ্জ্বল বিশ্বাস, পিতা মতিয়ার বিশ্বাস, গত পাঁচ বছর ধরে প্রায় ৩২ শতাংশ জমিতে পেঁয়াজের বীজ চাষ করছেন। তিনি বলেন, ভালো লাভ হওয়ায় এলাকার অনেক কৃষক এখন এই চাষে ঝুঁকছেন।
স্থানীয় কৃষকদের মতে, সঠিক প্রশিক্ষণ ও সরকারি সহায়তা পেলে পেঁয়াজের বীজ চাষ আরও বিস্তৃত করা সম্ভব। এতে কৃষকদের আয় যেমন বাড়বে, তেমনি দেশের কৃষি অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

সাদা কদমে ঢেকেছে মাঠ, পেঁয়াজের ‘কালো সোনা’ ফলাতে ব্যস্ত কৃষক

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:২৭:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
ইমরোজুল ইসলাম, মহম্মদপুর (মাগুরা): মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার খালিয়া রহমতপুর গ্রামে দিগন্ত বিস্তৃত মাঠজুড়ে এখন এক অনন্য দৃশ্য। সবুজের সমারোহের মাঝখানে ফুটে উঠেছে অসংখ্য সাদা গোল ফুল। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, সবুজ গালিচার ওপর যেন কেউ মমতার সঙ্গে বিছিয়ে দিয়েছে সাদা রঙের চাদর। স্থানীয় কৃষকেরা ভালোবেসে এই ফুলকে ডাকেন পেঁয়াজের ‘কদম’ নামে।
কৃষকদের কাছে এই সাদা কদম কেবল একটি ফুল নয়; এটি তাদের সম্ভাবনাময় লাভের প্রতীক। কিছুদিন পর এই ফুল শুকিয়ে তৈরি হবে বহুমূল্যবান পেঁয়াজের বীজ, যাকে অনেকেই ‘কালো সোনা’ বলে থাকেন।
সাধারণ পেঁয়াজ চাষের তুলনায় পেঁয়াজের বীজ বা কদম চাষ কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ হলেও অধিক লাভের আশায় এখন অনেক কৃষক এই চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
খালিয়া রহমতপুর গ্রামের কৃষক মো. আসাদুজ্জামান (৫৭), পিতা মৃত রজব আলী মোল্লা, প্রায় ১০ বছর ধরে পেঁয়াজের বীজ চাষ করে আসছেন। তিনি জানান, প্রায় ২০ শতক জমিতে চাষ করে প্রতি শতকে প্রায় ২ কেজি থেকে ২ কেজি ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত বীজ উৎপাদন হয়। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের বীজ প্রায় ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে, যা কৃষকদের জন্য বেশ লাভজনক।
একই গ্রামের আরেক কৃষক মো. উজ্জ্বল বিশ্বাস, পিতা মতিয়ার বিশ্বাস, গত পাঁচ বছর ধরে প্রায় ৩২ শতাংশ জমিতে পেঁয়াজের বীজ চাষ করছেন। তিনি বলেন, ভালো লাভ হওয়ায় এলাকার অনেক কৃষক এখন এই চাষে ঝুঁকছেন।
স্থানীয় কৃষকদের মতে, সঠিক প্রশিক্ষণ ও সরকারি সহায়তা পেলে পেঁয়াজের বীজ চাষ আরও বিস্তৃত করা সম্ভব। এতে কৃষকদের আয় যেমন বাড়বে, তেমনি দেশের কৃষি অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।