ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার

পাকিস্তানি বলে বিক্রি দেশি পোশাক, মাগুরায় দোকানিকে জরিমানা

ইমরোজুল ইসলাম,মহম্মদপুর (মাগুরা)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:০০:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • / ৫৯ বার পঠিত
ইমরোজুল ইসলাম,মহম্মদপুর (মাগুরা):  ঈদ উপলক্ষে বাজারে ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় মাগুরায় অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে পাকিস্তানি বলে দেশি পোশাক উচ্চমূল্যে বিক্রি ও অবৈধ বিদেশি কসমেটিকস রাখার অভিযোগে একটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ ২০২৬) বেলা ১১টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মাগুরা সদর উপজেলার সৈয়দ আতর আলী রোড এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মাগুরা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ।
অভিযানকালে বিশেষ করে জামা-কাপড় ও কসমেটিকসের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তদারকি করা হয়। এ সময় মেসার্স দেশি ভিনদেশি নামক প্রতিষ্ঠানে তদারকির সময় দেখা যায়, বিভিন্ন শার্ট, টি-শার্ট ও মেয়েদের ড্রেস পাকিস্তানি ও অন্যান্য দেশের বলে উচ্চমূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে পাকিস্তানি পণ্য বলে দাবি করলেও এর পক্ষে কোনো বৈধ প্রমাণ দেখাতে পারেননি প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ।
ভাউচার যাচাই করে দেখা যায়, এসব পণ্য ঢাকার এলিফ্যান্ট রোড ও ইসলামপুরের বিভিন্ন দোকান থেকে কেনা হয়েছে। অথচ পাকিস্তানি পণ্য বলে প্রতিটি ড্রেস ৮ হাজার ৫০০ থেকে ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছিল, যা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানটিতে আমদানিকারকের ট্যাগবিহীন বিভিন্ন বিদেশি কসমেটিকস পাওয়া যায়। এসব পণ্যে নিজেদের উচ্চমূল্যের প্রাইস ট্যাগ লাগিয়ে অধিক লাভে বিক্রি করা হচ্ছিল। এ ধরনের অপরাধের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যকলাপ না করার জন্য সতর্ক করা হয়।
অভিযানে ভোক্তা অধিকার বিরোধী বিভিন্ন অপরাধে একটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ সময় অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও তদারকি করা হয়। ব্যবসায়ীদের ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি, মূল্যতালিকা প্রদর্শন, স্বাস্থ্যসম্মতভাবে খাবার সংরক্ষণ এবং ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি রমজান মাসে কেউ যেন অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বৃদ্ধি না করে সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়।
অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন জেলা মার্কেটিং অফিসার মো. রবিউল ইসলাম এবং মাগুরা জেলা পুলিশের একটি টিম।
জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

পাকিস্তানি বলে বিক্রি দেশি পোশাক, মাগুরায় দোকানিকে জরিমানা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:০০:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
ইমরোজুল ইসলাম,মহম্মদপুর (মাগুরা):  ঈদ উপলক্ষে বাজারে ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় মাগুরায় অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে পাকিস্তানি বলে দেশি পোশাক উচ্চমূল্যে বিক্রি ও অবৈধ বিদেশি কসমেটিকস রাখার অভিযোগে একটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ ২০২৬) বেলা ১১টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মাগুরা সদর উপজেলার সৈয়দ আতর আলী রোড এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মাগুরা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ।
অভিযানকালে বিশেষ করে জামা-কাপড় ও কসমেটিকসের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তদারকি করা হয়। এ সময় মেসার্স দেশি ভিনদেশি নামক প্রতিষ্ঠানে তদারকির সময় দেখা যায়, বিভিন্ন শার্ট, টি-শার্ট ও মেয়েদের ড্রেস পাকিস্তানি ও অন্যান্য দেশের বলে উচ্চমূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে পাকিস্তানি পণ্য বলে দাবি করলেও এর পক্ষে কোনো বৈধ প্রমাণ দেখাতে পারেননি প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ।
ভাউচার যাচাই করে দেখা যায়, এসব পণ্য ঢাকার এলিফ্যান্ট রোড ও ইসলামপুরের বিভিন্ন দোকান থেকে কেনা হয়েছে। অথচ পাকিস্তানি পণ্য বলে প্রতিটি ড্রেস ৮ হাজার ৫০০ থেকে ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছিল, যা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানটিতে আমদানিকারকের ট্যাগবিহীন বিভিন্ন বিদেশি কসমেটিকস পাওয়া যায়। এসব পণ্যে নিজেদের উচ্চমূল্যের প্রাইস ট্যাগ লাগিয়ে অধিক লাভে বিক্রি করা হচ্ছিল। এ ধরনের অপরাধের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যকলাপ না করার জন্য সতর্ক করা হয়।
অভিযানে ভোক্তা অধিকার বিরোধী বিভিন্ন অপরাধে একটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ সময় অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও তদারকি করা হয়। ব্যবসায়ীদের ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি, মূল্যতালিকা প্রদর্শন, স্বাস্থ্যসম্মতভাবে খাবার সংরক্ষণ এবং ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি রমজান মাসে কেউ যেন অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বৃদ্ধি না করে সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়।
অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন জেলা মার্কেটিং অফিসার মো. রবিউল ইসলাম এবং মাগুরা জেলা পুলিশের একটি টিম।
জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।