ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ
কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম
বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা
হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার
দখল-দূষণে অস্তিত্ব প্রায় বিলুপ্তির পথে রাজবাড়ীর নদী-খাল-বিল

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:৩৪:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
- / ৮৯ বার পঠিত

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী: ঢাকা বিভাগের অন্যতম জেলা রাজবাড়ী। রাজবাড়ী জেলায় ছোট বড় মিলিয়ে আটটি নদ নদী রয়েছে। তাছাড়া নদীগুলোর বিভিন্ন শাখা প্রশাখায় খাল বিল রয়েছে। এ জেলায় নৌ-যোগাযোগ, মাছ ধরা, গোসল, সেচসহ জল-জলাশয় কেন্দ্রিক নানা কর্মকা-ে সমৃদ্ধ ছিল জনজীবন। কিন্তু সেসব এখন শুধুই স্মৃতি।
কারণ দখলের কবলে হারিয়ে গেছে বেশিরভাগ খাল-বিল, সংকুচিত হয়ে পড়েছে নদী। যেটুকু আছে তাও অস্তিত্ব সংকটে। কোনোমতে যে জলাশয়গুলো টিকে আছে চরম দূষণের মুখে সেগুলোর পানিও ব্যবহারের অনুপযোগী। মাছ তো দূরের কথা এসব পানিতে কোনো জলজ প্রাণীরই টিকে থাকা অসম্ভব।
রাজবাড়ির গোয়ালন্দ উপজেলা পদ্মা নদীর তীরবর্তী উপজেলা এ উপজেলায় চারটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা। এর মধ্যে তিনটি ইউনিয়ন নদী কবলে অনেক মজা ভেঙ্গে গেছে। উল্লেখযোগ্য গোয়ালন্দ পৌরসভার মাল্লাপুর্টি ঘেসা খাল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সরকারি টাকা দিয়ে খালটি ভরাট করা হয়। ভরাট করার পর খালটির বেশিরভাগ জায়গা দখলবাজদের কবলে পড়ে গেছে। এইভাবেই রাজবাড়ির সদর উপজেলার খাল বিল এখন দখলদারদের কবলে। খাল বিল এখন ছোট ছোট পুকুর করে মাছ চাষ করছে দখলদাররা। তাছাড়া অন্যান্য উপজেলায় পাংশা বালিয়াকান্দি ,কালুখালি একই চিত্র দেখা যায়।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌরবাসীরা বলেন, একসময় নদীর পানিতে গোসল করতাম। মাছ ধরতাম। রান্নার কাজেও এই পানি ব্যবহার হতো। এখন নদীর পাড় দিয়ে হেঁটে গেলে মুখে রুমাল চেপে যেতে হয়। এই বিষাক্ত পানির কারণে ক্ষেতে চাষাবাদও হচ্ছে না।” তাছাড়া বেশ কিছু বছর আগে পৌরসভার টাকা দিয়ে খাল ভরাট করা হলো পৌরসভার এই জায়গাটি সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য। বর্তমান দেখা গেল সবাই এ জায়গা দাবি করে নিজ দখলে নিয়ে নিয়েছে। এদিকে সরকারি টাকার হদিস আর নেই।
রাজবাড়ী জেলার প্রবীণ অনেকেই জানায়, বিখ্যাত পদ্মা নদীর ঘেঁষা খাল বিল এখন আর নেই। ভূমি দস্যুরা বিল বেশিরভাগই নিজেদের দখলে নিয়ে নিয়েছে। ফলে বিল বর্তমানে খালের মত সরু হয়ে গেছে।
যেটুকু অবশিষ্ট রয়েছে সেখানে ভয়াবহ দূষণ :
দখলে চরম সংকটে পড়ার পরও যেটুকু নদী-খাল নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পেরেছে তারাও চরম দূষণে জর্জরিত।
সরকারি বিধি-নিষেধ থাকা সত্ত্বেও প্রভাবশালী শিল্প মালিকরা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের বর্জ্য সরাসরি নদী-খালে ফেলে সেগুলোকে দূষিত করছে।
দখলদারদের থেকে দখলমুক্ত এবং দূষণমুক্ত করে রাজবাড়ীর বিভিন্ন খাল বিল পুণ্য খনন করে সৌন্দর্য বর্ধনের দাবি সচেতন মহলের।
এদিকে রাজবাড়ী ১ আসনের এমপি ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কৃষকের উপকারের স্বার্থে খাল খনন করেছিলেন। আমাদের বিএনপি সরকার খাল খনন কাজ এর শুভ উদ্বোধন করেছে। বিগত সরকারের আমলে আমাদের রাজবাড়িতে অনেক খাল-বিল দখলদারদের কবলে পড়েছে। এগুলো উদ্ধার করে পুনরায় খাল খনন কাজ শুরু করা হবে।





















