ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ
কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম
বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা
হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার
নীলফামারীতে
নতুন জেলা পরিষদ প্রশাসক বিএনপি নেতা অ্যাড: মিজানুর রহমান চৌধুরী

মফিজুল ইসলাম,বিশেষ প্রতিনিধি, নীলফামারী
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:০৩:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
- / ৭২ বার পঠিত

মফিজুল ইসলাম,বিশেষ প্রতিনিধি, নীলফামারী:
নীলফামারী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব খোন্দকার ফরহাদ আহমেদের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগ দেওয়া হয়।দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার ভিত্তিতেই তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক। তার রাজনৈতিক জীবন অত্যন্ত বর্ণাঢ্য।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মিজানুর রহমান চৌধুরী ১৯৭৮ সালে জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে তার রাজনৈতিক পথচলা। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
এ ছাড়া দলীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় থেকে বিভিন্ন সংকট ও দুর্দিনে বট বৃক্ষের মতো ছায়া দিয়েছেন তিনি। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তার এই নিয়োগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন জেলাবাসী। জেলা পরিষদের কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
নবনিযুক্ত জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান চৌধুরী জানান, ১৯৭৮ সালে বিএনপির রাজনীতিতে যোগ দিয়ে নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে নীলফামারীর বিএনপিকে দাঁড় করিয়েছেন তিনি। সরকারও তার ওপর যে আস্থা রেখেছে, সে আস্থার মর্যাদা রাখতে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে জেলা পরিষদের দায়িত্ব পালন করবেন।























