ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার

অভিযোগের পাহাড় ভান্ডারিয়া মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

পিরোজপুর অফিস
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:১৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৫৮ বার পঠিত

পিরোজপুর অফিস:: পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় দায়িত্বরত মৎস্য কর্মকর্তা সৈয়দ নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে অর্থ আত্মসাৎ, আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে জেলেদের অবৈধভাবে মাছ ধরার সুযোগ প্রদান এবং বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিক লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, কম্বিং অপারেশন ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা না করেই ভুয়া বিল-ভাউচার দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়া, জেলেদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের মাধ্যমে ভান্ডারিয়ার চরখালী, জুনিয়া গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় নদী ও খালে নিষিদ্ধ বেহুন্দি জাল দিয়ে মাছ ধরার সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এ কাজে তার সহযোগী হিসেবে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে বলেও অভিযোগে বলা হয়। আরও অভিযোগ রয়েছে, সরকারি তালিকাভুক্ত (মাস্টার রোলভুক্ত) জেলেদের বাদ দিয়ে অনিয়মের মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে গরু বিতরণ করা হয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে প্রতিজনের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা উল্লেখ করেছেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মৎস্য কর্মকর্তা সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ও সাবেক এক কর্মকর্তার প্ররোচনায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিয়া হায়দার বলেন, অভিযোগগুলো গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

অভিযোগের পাহাড় ভান্ডারিয়া মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:১৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

পিরোজপুর অফিস:: পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় দায়িত্বরত মৎস্য কর্মকর্তা সৈয়দ নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে অর্থ আত্মসাৎ, আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে জেলেদের অবৈধভাবে মাছ ধরার সুযোগ প্রদান এবং বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিক লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, কম্বিং অপারেশন ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা না করেই ভুয়া বিল-ভাউচার দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়া, জেলেদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের মাধ্যমে ভান্ডারিয়ার চরখালী, জুনিয়া গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় নদী ও খালে নিষিদ্ধ বেহুন্দি জাল দিয়ে মাছ ধরার সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এ কাজে তার সহযোগী হিসেবে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে বলেও অভিযোগে বলা হয়। আরও অভিযোগ রয়েছে, সরকারি তালিকাভুক্ত (মাস্টার রোলভুক্ত) জেলেদের বাদ দিয়ে অনিয়মের মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে গরু বিতরণ করা হয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে প্রতিজনের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা উল্লেখ করেছেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মৎস্য কর্মকর্তা সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ও সাবেক এক কর্মকর্তার প্ররোচনায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিয়া হায়দার বলেন, অভিযোগগুলো গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।