ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ
কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম
বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা
হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার
★সৌন্দর্যে মুগ্ধ যাত্রী ও পথচারীরা
পলাশে রাঙা ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক

মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, কুমিল্লা
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:৫২:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
- / ১৪৮ বার পঠিত

ফাগুন এলেই জ্বলে ওঠে, পলাশ রাঙা শিখা/ দিগন্ত জুড়ে লাল আঁচলে, মাতাল বসন্তিকা! কবির কবিতায় ফুঁটে ওঠা সেই হৃদয়স্পর্শী মুগ্ধতা ছড়িয়ে এখন পলাশ ফুটেছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভাজকেও। সারি সারি গাছে আগুনরাঙা পলাশ ফুল এই মহাসড়কটিকে দিয়েছে প্রকৃতির নান্দনিক রূপ। মহাসড়কটি ধরে গাড়িতে চলতে চলতে ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হচ্ছেন যাত্রীরা। মুগ্ধ হচ্ছেন পথচারীরাও।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার মিয়াবাজার, মাধাইয়া, চান্দিনা ও দাউদকান্দি এলাকায় এলেই আপনার চোখে ধরা পড়বে এমন মনোমুগ্ধকর দৃশ্য।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীতি চাকমা বলেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেন হওয়ার পর সড়ক বিভাজকে নানা প্রজাতির ফুলের গাছ লাগানো হয়। সৌন্দর্যবর্ধন ও বিভাজকের মাটি আটকে রাখার জন্য ওই গাছ লাগানো হয়।’
সড়ক বিভাজকের গাছগুলোর মধ্যে পলাশ ছাড়াও রয়েছে সোনালু ও কৃষ্ণচূড়া। ঋতুভেদে এখানে এসব এসব ফুল ফোটে। মহাসড়কের মিয়াবাজার, সুয়াগঞ্জ, সদর দক্ষিণ, চান্দিনা ও দাউদকান্দি এলাকায় পলাশ ফুল চোখে পড়ে। যত দূর চোখ যায়, শুধু রঙিন পলাশ আর পলাশ।
কুমিল্লার মিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, ‘প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন কাজে আমাকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হয়ে ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় আসা-যাওয়া করতে হয়। এসময় সড়ক বিভাজকে সারি সারি গাছে পলাশ ফুল দেখে মুগ্ধ হই।’
জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত পরিবেশবিদ অধ্যাপক মতিন সৈকত বলেন- পলাশ বসন্তের ফুল। পাতাহীন উঁচু উঁচু ডালে ফুটে থাকে পলাশ। শীতে পাতা ঝরে গেলে এর কলি ফোটে। এরপর ফুল হয়।
একেকটি পলাশ গাছ ১৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়। এর বাকল ধূসর। শাখা-প্রশাখা ও কাণ্ড আঁকাবাঁকা। এর বৈজ্ঞানিক নাম ‘বুটিয়া মনোস্পার্মা। পলাশ ফুল ফবেসিয়াই পরিবারের সদস্য।
পলাশ ভারতীয় উপমহাদেশের ফুল। বাংলাদেশে এই ফুল বেশি দেখা গেলেও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম, পুরুলিয়া এলাকায়ও এই ফুলের দেখা মেলে। বেঙ্গালুরুতেও পলাশ আছে। পলাশ ফুল লাল, লালচে কমলা, হলুদ ও সাদা রঙের হয়ে থাকে।
এই গাছের নানা ঔষধি গুণও রয়েছে। বসন্তে গাঁটের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে অনেকে এই ফুল ব্যবহার করেন। পলাশগাছের ছাল, পাতা ও বীজ নানা রোগ সারাতে কাজে লাগে। চর্মরোগ, জ্বর, ডায়রিয়া, ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসায় এর ব্যবহার আছে।
আরও পড়ুন:


















