ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ
কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম
বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা
হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার
দায় স্বীকার জাসদ গণবাহিনীর
শৈলকুপা চরমপন্থী সংঘর্ষে নিহত ৩

উজ্জ্বল মাহমুদ কুষ্টিয়া
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৫৪:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
- / ১৭৪ বার পঠিত

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ত্রিবেনী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর শ্মশান ঘাট এলাকায় প্রতিপক্ষের গুলিতে পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টির কথিত সামরিক কমান্ডার হানিফ আলী (৫২) ও তার দুই সঙ্গী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে দুই জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন হরিণাকুন্ডু উপজেলার আহাদনগর গ্রামের রাহাজ উদ্দীনের ছেলে হানিফ আলী ও তার শ্যালক শ্রীরামপুর গ্রামের উম্মাদ আলীর ছেলে লিটন (৩৫)। অপর নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
শৈলকুপা থানার ওসি মাসুম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনের লাশ উদ্ধার করে। তাদের মাথায় গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে নিহতদের ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল ও হেলমেট পাওয়া যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিশাল কায়েতপাড়া বাওড়ের দখল নিয়ে প্রতিপক্ষ গ্রুপগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি নিহত হানিফ ওই বাওড়ে মাছ ধরার চেষ্টা করলে বিরোধ আরও তীব্র হয়। পূর্বেও বাওড় সংক্রান্ত দ্বন্দ্বে বহু হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
নিহত হানিফ আলী চরমপন্থী সংগঠনের নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলা ছিল। হরিণাকুন্ডু উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের আব্দুর রহমান হত্যা মামলায় তার ফাঁসি আদেশ হয়। উচ্চ আদালতে সেই রায় বহাল থাকলেও, সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের বিশেষ ক্ষমায় তিনি মুক্তি পান। পরবর্তীতে তিনি মৎস্যজীবী লীগের উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি হন।
হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জাসদ গণবাহিনীর এক সদস্য গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে একটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা পাঠিয়েছেন। বার্তায় দাবি করা হয়, “পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি নামধারী কুখ্যাত ডাকাত বাহিনীর শীর্ষ নেতা হানিফ ও তার দুই সহযোগীকে জাসদ গণবাহিনীর সদস্যরা হত্যা করেছে। তাদের দেহ রামচন্দ্রপুর ও পিয়ারপুর ক্যানালের পাশে ফেলে রাখা হয়েছে।” বার্তায় আরও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে যে, হানিফের অন্যান্য সহযোগীরাও একই পরিণতি ভোগ করতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০০৩ সালের ৫ ডিসেম্বর একই স্থানে পাঁচজনকে হত্যা করা হয়েছিল। সাম্প্রতিক এই হত্যাকাণ্ডে পুরনো দ্বন্দ্ব আবারও প্রকাশ্যে এসেছে এবং এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে এবং দোষীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন:






















