ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার

কয়রায় ৩ মাস ধরে এসিল্যান্ড পদ শুন্য, দূর্ভোগে সেবা প্রত্যাশীরা

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ১১৬ বার পঠিত

filter: 0; jpegRotation: 0; fileterIntensity: 0.000000; filterMask: 0; module:1facing:0; hw-remosaic: 0; touch: (0.47083333, 0.47083333); modeInfo: ; sceneMode: Hdr; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 140.0; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

খুলনার কয়রায় ৩মাস ধরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নেই। এসিল্যান্ড পদটি শন্য হওয়ায় ভূমি অফিসের  সেবা বঞ্চিত হচ্ছেন সেবা প্রত্যাশীরা।

এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার কারণে ভূমি সংক্রান্ত কাজ যেমন নামজারি, খাজনা আদায়, জমির পরিমাণ নির্ধারণ এবং খতিয়ান সংশোধন, জমি কেনা বেচা প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ কাজ পিছিয়ে যাচ্ছে। ভূমি অফিসের কর্মীরা যেমন কাজের চাপের মধ্যে পড়েছেন, তেমনি সাধারণ মানুষও সঠিক সময়ে তাঁদের ভূমি সংক্রান্ত কাজ শেষ করতে পারছেন না।

সেবা প্রত্যাশী ও স্থানীয়রা জানান,  অনেকদিন ধরে জমির খতিয়ান সংশোধন করা সহ নামজারি করার  জন্য ভূমি অফিসে যাচ্ছি, কিন্তু এসিল্যান্ড না থাকার কারণে এই কাজ শেষ করতে পারছি না। অফিসে গিয়ে শুধু শুনি, ‘এসিল্যান্ড নেই, কাজ করতে পারছি না।

তবে এসব কাজ সম্পাদন করতে সহকারী কমিশনার (ভূমি)এসিল্যান্ড থাকা আবশ্যক। কিন্তু গত বছরের ১১ নভেম্বর  তৎকালিন এসিল্যান্ড বিএম তারিক উজ জামান ইউএনও হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলায় বদলি হয়ে চলে যান। এর পর থেকে এসিল্যান্ড পদে  কয়রা উপজেলায় আর কাওকে  পদায়ন করা হয়নি। বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উপজেলা পরিষদ প্রশাসকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করায় তাঁর পক্ষে নিয়মিত ভূমি অফিস পরিচালনা  করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবাগ্রহিতা বলেন, আমরা নাম জারির জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু কাজের ধীরগতির কারণে তা পেতে অনেক বেগ পোহাতে হচ্ছে । আমাদের অন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ রেখে একাধিকবার ভূমি অফিসে আসা যাওয়া করতে হচ্ছে।তবে  অনলাইন সিস্টেমে নামজারি ২৮দিনে নিষ্পত্তি হওয়ার কথা থাকলেও এসিল্যান্ড না থাকায় দীর্ঘ সময় লাগছে।

এ ব্যপারে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মোঃ ফিরোজ সরকার বলেন, এসিল্যান্ড কম থাকায় খুলনার কয়েকটা উপজেলায় এসিল্যান্ড দেওয়া সম্ভাব হচ্ছেনা। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে নতুন এসিল্যান্ড প্রদানের জন্য আবেদন করা হয়েছে শিঘ্রই এটা সমাধান হবে আশা করি।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

কয়রায় ৩ মাস ধরে এসিল্যান্ড পদ শুন্য, দূর্ভোগে সেবা প্রত্যাশীরা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

খুলনার কয়রায় ৩মাস ধরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নেই। এসিল্যান্ড পদটি শন্য হওয়ায় ভূমি অফিসের  সেবা বঞ্চিত হচ্ছেন সেবা প্রত্যাশীরা।

এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার কারণে ভূমি সংক্রান্ত কাজ যেমন নামজারি, খাজনা আদায়, জমির পরিমাণ নির্ধারণ এবং খতিয়ান সংশোধন, জমি কেনা বেচা প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ কাজ পিছিয়ে যাচ্ছে। ভূমি অফিসের কর্মীরা যেমন কাজের চাপের মধ্যে পড়েছেন, তেমনি সাধারণ মানুষও সঠিক সময়ে তাঁদের ভূমি সংক্রান্ত কাজ শেষ করতে পারছেন না।

সেবা প্রত্যাশী ও স্থানীয়রা জানান,  অনেকদিন ধরে জমির খতিয়ান সংশোধন করা সহ নামজারি করার  জন্য ভূমি অফিসে যাচ্ছি, কিন্তু এসিল্যান্ড না থাকার কারণে এই কাজ শেষ করতে পারছি না। অফিসে গিয়ে শুধু শুনি, ‘এসিল্যান্ড নেই, কাজ করতে পারছি না।

তবে এসব কাজ সম্পাদন করতে সহকারী কমিশনার (ভূমি)এসিল্যান্ড থাকা আবশ্যক। কিন্তু গত বছরের ১১ নভেম্বর  তৎকালিন এসিল্যান্ড বিএম তারিক উজ জামান ইউএনও হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলায় বদলি হয়ে চলে যান। এর পর থেকে এসিল্যান্ড পদে  কয়রা উপজেলায় আর কাওকে  পদায়ন করা হয়নি। বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উপজেলা পরিষদ প্রশাসকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করায় তাঁর পক্ষে নিয়মিত ভূমি অফিস পরিচালনা  করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবাগ্রহিতা বলেন, আমরা নাম জারির জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু কাজের ধীরগতির কারণে তা পেতে অনেক বেগ পোহাতে হচ্ছে । আমাদের অন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ রেখে একাধিকবার ভূমি অফিসে আসা যাওয়া করতে হচ্ছে।তবে  অনলাইন সিস্টেমে নামজারি ২৮দিনে নিষ্পত্তি হওয়ার কথা থাকলেও এসিল্যান্ড না থাকায় দীর্ঘ সময় লাগছে।

এ ব্যপারে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মোঃ ফিরোজ সরকার বলেন, এসিল্যান্ড কম থাকায় খুলনার কয়েকটা উপজেলায় এসিল্যান্ড দেওয়া সম্ভাব হচ্ছেনা। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে নতুন এসিল্যান্ড প্রদানের জন্য আবেদন করা হয়েছে শিঘ্রই এটা সমাধান হবে আশা করি।