ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ
কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম
বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা
হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার
বরগুনায় ধর্ষণ মামলার বাদীসহ দুই খুন

মাসুম বিল্লাহ্ব, জেলা প্রতিনিধি (রগুনা)
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:১৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫
- / ১২১ বার পঠিত

বুধবার (১২ মার্চ) বরগুনা সদর উপজেলার দুটি পৃথক স্থান থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। দুটি ঘটনায় নিহতরা হলেন-বরগুনা পৌর শহরের কড়ইতলা এলাকার বাসিন্দা মন্টু দাস ও বদরখালী ইউনিয়নের মিরাজ মুন্সি। নিহতদের মধ্যে মন্টু দাস তার মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা ধর্ষণ মামলার বাদি ছিলেন।
পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১১ মার্চ) রাত ১ টার দিকে বরগুনা সদরের প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সংলগ্ন ঝোঁপ থেকে মন্টু চন্দ্র দাস (৩৫) নামে এক যুবকের কাদামাখা মরদেহ উদ্ধার করেছে বরগুনা পুলিশ। মন্টু চন্দ্র দাস বরগুনা পৌরশহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কালীবাড়ি কড়ইতলা এলাকার মৃত জয়েশ্বর দাসের ছেলে। নিহত মন্টু দাসের স্বজনরা জানান, নির্ধারিত সময়ে বাড়িতে না আসায় মন্টুর মোবাইল ফোনে কল দিলে বাড়ির পেছনে পুকুর পাড়ে মোবাইলের আওয়াজ শুনতে পান তারা। পরে সেখানে গিয়ে মন্টুর মরদেহ দেখতে পান। এ সময় মন্টুর পরনের কাপড় ছিল ভেজা, হাতে কামড়ের দাগ ও সারা শরীরে কাদা মাখা ছিল। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। নিহতের স্বজনরা জানায়, কয়েকদিন আগে নিহত মন্টুর বড় মেয়ে স্থানীয় বখাটেদের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়। ধর্ষণের ঘটনায় বাদী হয়ে গত ৫ মার্চ বরগুনা সদর থানায় মামলা দায়ের করে মন্টু। একইদিন মামলার প্রধাণ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ এবং পরে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়। এরপর থেকেই মন্টু ও তার পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল অভিযুক্তরা। ১২ মার্চ ওই মামলার নির্ধারিত তারিখ ছিল। নিহতের স্ত্রী শিখা রাণী দাস বলেন, রাতে আমাকে কল দিয়ে জানায় আসতে দেরি হবে। পরে রাত গভীর হলেও বাসায় ফেরেনি। পরে ফোনে কল দিতে থাকলে ঝোপের মধ্যে রিংটোন বাজতে শুনি। আমি আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই। অন্যদিকে দিবাগত রাতে বরগুনার সদর, উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের কুমারখালি গ্রামের ডালখেতের পরিত্যাক্ত জায়গায় মিরাজ মুন্সি (৪৫) নামে একজনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত মিরাজ মুন্সি বদরখালী ইউনিয়নের বাওয়ালকর গ্রামের মৃত নবী হোসেনের ছেলে। স্থানী সূত্রে জানা যায়, সকালে কুমড়াখালি গ্রামের লোকজন ডালখেতে কাজের উদ্দেশ্যে বের হলে খেতের মাঝখানে পরিত্যক্ত একটি ঝোপের পাশে মিরাজের মরদেহ দেখতে পায়। পরে এলাকাবাসির চিৎকারে লোকজন জড়ো হলে থানা-পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, খবর পেয়ে আমি এবং সদর সার্কেল স্যার ঘটনাস্থলে যাই। প্রাথমিক সুরাতহালে বিষয়টি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হয়েছে। নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর দাবি মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে মন্টুকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা বিষয়টা বিবেচনায় রেখেছি। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবদুল হালিম জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মন্টুর ও মিরাজের মরদেহ উদ্ধার করি। প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ড হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:






















