ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
তাজা খবর
অসুস্থ হনুমান চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নিজেই হাসপাতালে হাজির
মেধার স্বাক্ষরে দেশসেরা মনিরামপুরের সুরাইয়া ও অরিত্র
ব্যারিস্টার জাইমা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করেছেন
মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও
ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
ইউএনও কে হোয়াটসঅ্যাপে বিষের বোতল পাঠালেন শিক্ষার্থী

জাহিদ হাসান, ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ)
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৪৫:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫
- / ৭৮ বার পঠিত

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে হোয়াটসঅ্যাপে বিষের বোতল পাঠিয়েছেন এক শিক্ষার্থী। দিয়েছেন আত্মহত্যার হুমকি। কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন পরীক্ষার ফরম ফিল-আপের নামে প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের চাপ। শিক্ষার্থী উল্লেখ করেন, সরকারি ফি এর বাইরে যে পরিমাণ রেজিস্ট্রেশন ফি চাওয়া হয়েছে তা তাঁর মত গরিব শিক্ষার্থীর পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে তাঁর পরীক্ষা দেওয়া অনিশ্চিত। পরীক্ষা দিতে না পারলে সে আত্মহত্যা করবে। ঘটনাটি কিছুদিন আগের। এরপরেই নড়েচড়ে বসে উপজেলা প্রশাসন। শুরু হয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে খোঁজ নেওয়া। নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় সরকারি ফি এর বাইরে কোনো অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার ক্ষেত্রে। ফরম ফিল-আপের পর বিশেষ ক্লাস ও কোচিং করানোর নামেও কোনো প্রকার টাকা নিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং ম্যানেজিং কমিটির সাথে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এরশাদুল আহমেদ।
এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা সামনে। উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে ফরম ফিল-আপ। ফরম ফিল-আপ চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাংবাদিক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সমন্বয়দের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ করা হয় যে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম ফিল-আপের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত ক্লাসের জন্য অর্থ প্রদানে বাধ্য করছে। এসকল কিছুর প্রেক্ষিতেই পরবর্তীতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকবাল হোসেন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম ও একাডেমিক সুপারভাইজার আবু হানিফাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
উপজেলার বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেমন উচাখিলা স্কুল এন্ড কলেজ, মধুপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, আঠারবাড়ি এম.সি. উচ্চ বিদ্যালয় এবং রায় বাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পরিদর্শন করে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সাথে ফলপ্রসূ আলোচনা করেন। এসময় পরীক্ষার ফি, বকেয়া ফি, বিলম্ব ফি ছাড়া অন্য কোনো ফি না নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
প্রশাসনিক কর্মকর্তা অনুপ কুমার শেঠ বলেন, ‘উপজেলায় যে পরিমাণ এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থী তাতে কম করে হলেও ২/৩ কোটি টাকা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত আদায় হতো যদি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতিকারের ব্যবস্থা না করতেন’।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এরশাদুল আহমেদ বলেন, – ‘আমার কাছে বিষের বোতলের ছবি পাঠিয়ে দিয়ে এক মেয়ে পরীক্ষার্থী জানায় তাঁদের প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত ফি নেওয়া হচ্ছে। এত টাকা ফরম ফিল-আপের ফি দিয়ে কোনো ভাবেই তাঁর পক্ষে ফরম ফিল-আপ করা সম্ভব নয়। এসব দেখে কঠোর হস্তে সমস্যা সমাধানের পথে আমরা অগ্রসর হয়েছি।এ বিষয়ে আমাদের মনিটরিং অব্যাহত থাকবে
আরও পড়ুন:




















