শেখ রিফান আহমেদ : প্রতি বছর ২৯ আগস্ট বিশ্বব্যাপী পালিত হয় পারমাণবিক পরীক্ষা বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস। এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো পারমাণবিক অস্ত্রের ভয়াবহতা সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সচেতন করা এবং একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অস্ত্রমুক্ত পৃথিবী গঠনের আহ্বান জানানো।
পারমাণবিক অস্ত্রের ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা মানবসভ্যতার জন্য চরম হুমকি। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, একবার এমন অস্ত্র ব্যবহার হলে তার প্রভাব শুধু তাৎক্ষণিক প্রাণহানির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং বহু প্রজন্ম ধরে পরিবেশ, স্বাস্থ্য এবং মানবজীবনের ওপর এর ভয়াবহ প্রভাব অব্যাহত থাকে।
বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন দেশের মধ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং অস্ত্র প্রতিযোগিতা নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ এবং আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন আরও জরুরি হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, নিরস্ত্রীকরণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পক্ষে বরাবরই সোচ্চার। এই অবস্থান শুধু কূটনৈতিক নীতির অংশ নয়; এটি মানবিক মূল্যবোধেরও প্রতিফলন।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সংলাপ, পারস্পরিক আস্থা এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত পৃথিবী শুধু একটি স্বপ্ন নয়; এটি মানবজাতির নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য অপরিহার্য লক্ষ্য।
-লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

শেখ রিফান আহমেদ, সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা 























