শেখ রিফান আহমেদ : প্রতি বছর ৩০ আগস্ট গুমের শিকার ব্যক্তিদের আন্তর্জাতিক দিবস পালিত হয়। এই দিবসটি বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার, ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসনের গুরুত্বকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। গুমের অভিযোগ বা ঘটনা যেখানেই ঘটুক না কেন, তা ব্যক্তি, পরিবার এবং সমাজের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।
একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রতিটি নাগরিকের জীবন, স্বাধীনতা এবং আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। অভিযোগের ক্ষেত্রে আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ এবং বিচারিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বজায় রাখাই ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য।
মানবাধিকার রক্ষায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং কার্যকর তদন্তব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বিত কার্যক্রম জনগণের আস্থা বৃদ্ধি করে।
গণমাধ্যমও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দায়িত্বশীল ও তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা মানবাধিকার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সত্য উদ্ঘাটনে সহায়ক হতে পারে।
মানবিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অঙ্গীকারই একটি রাষ্ট্রকে শক্তিশালী করে। তাই প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সুরক্ষায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করা সময়ের অপরিহার্য দাবি।
-লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

শেখ রিফান আহমেদ, সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা 
























