শেখ রিফান আহমেদ : গণতন্ত্রের মূল শক্তি হলো জনগণের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, আইনের শাসন এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সহাবস্থান। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মতভেদ থাকবেই, ভিন্নমতও থাকবে। কিন্তু সেই মতপার্থক্য যদি সহিংসতা, সংঘাত কিংবা প্রতিহিংসার রূপ নেয়, তবে তা শুধু রাজনৈতিক পরিবেশকেই অস্থিতিশীল করে না; রাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নয়নকেও ব্যাহত করে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বহু উত্থান-পতনের পাশাপাশি সহিংসতার ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনার প্রভাব পড়েছে অর্থনীতি, শিক্ষা, বিনিয়োগ এবং সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে একটি শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা জরুরি।
রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে মতভেদ নিরসনের পথ খোঁজা। গণতন্ত্রে বিরোধী মতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন যেমন প্রয়োজন, তেমনি আইনের প্রতি সবার সমান শ্রদ্ধাও নিশ্চিত করতে হবে।
গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নতুন প্রজন্মকে সহনশীলতা, দায়িত্ববোধ এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক চর্চার শিক্ষা দিতে হবে।
একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশের বিকল্প নেই। মতের ভিন্নতা থাকলেও জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
-লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

শেখ রিফান আহমেদ, সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা 
























