শেখ রিফান আহমেদ : প্রতি বছর ১৯ আগস্ট বিশ্ব মানবিক সহায়তা দিবস পালিত হয়। যুদ্ধ, দুর্যোগ, মহামারি কিংবা মানবসৃষ্ট সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবিক সহায়তায় নিয়োজিত কর্মীদের অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এই দিবসের সূচনা।
বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় মানবিক সহায়তা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংকটের সময় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন এবং স্বেচ্ছাসেবীদের ভূমিকা প্রশংসনীয়।
মানবিক সহায়তা কেবল খাদ্য বা অর্থ বিতরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ আশ্রয়, বিশুদ্ধ পানি, শিক্ষা এবং মানসিক সহায়তাও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষ করে নারী, শিশু, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
বিশ্বব্যাপী সংঘাত ও বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। তাই আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং বৈশ্বিক সংহতির প্রয়োজন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি।
মানবিক সহায়তা দিবস আমাদের শেখায়—মানুষ মানুষের জন্য। সংকটের সময় একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর মধ্যেই মানবতার প্রকৃত সৌন্দর্য নিহিত।
-লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

শেখ রিফান আহমেদ, সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা 
























