ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ১১ মে ২০২৬

গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারে এগিয়ে এডভোকেট এমরান চৌধুরী

সিলেট প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:২৯:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / ২৫১ বার পঠিত

দেশব্যাপী শুরু হয়েছে নির্বাচনী আমেজ। এবারের নির্বাচনে সাবেক ছাত্রদল নেতাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী। তেমনি একজন এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী। নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে সিলেটের প্রত্যেকটি আন্দোলন সংগ্রামে তিনি রেখেছেন সাহসী ভূমিকা। সর্বশেষ জুলাই আগস্টের আন্দোলনে রাজপথ থেকে কর্মীদের সাহস যুগিয়েছেন। তিনি একজন জুলাই যোদ্ধা।
এমরান চৌধুরী সিলেট জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি দায়িত্বপালন করেছেন। তিনি তার নির্বাচনী এলাকার মানুষের জন্য দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে বিগত সময়গুলোতে নেতাকর্মীদের আইনী সহায়তা সহ বিভিন্ন ধরণের সহযোগিতা করে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছেন । এছাড়া তৎকালিন সময়ে সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমান মাধ্যমে দুই উপজেলার উন্নয়নে রেখেছেন ভূমিকা। সেই ধারাবাহিকতায় এবার গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের মানুষ স্বপ্ন দেখছে এমরান আহমদ চৌধুরীকে নিয়ে। স্হানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন জরিপে তিনি এগিয়ে আছেন বলে অনেক গুলো বিশ্বস্ত সুত্র নিশ্চিত করেছে।
তার নির্বাচনীয় সংসদীয় আসন সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) এই আসনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে ভোটারদের মধ্যে, কারণ সিলেট জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে এই আসনে বিএনপির সবচেয়ে বেশি প্রার্থী রয়েছেন দলের মনোনয়ন প্রাপ্তির দৌড়ে। এখানে বিএনপির প্রায় ডজনখানিক প্রার্থী বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী।
নগরী ঘেঁষা এই আসনে বিএনপির প্রার্থী চুড়ান্ত করতে না পারলে ও প্রধান প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থী চুড়ান্ত করেছে অনেক আগে এবং নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে বেশ জোরেশোরে।
এই আসনে বিএনপির সম্ভ্যাব্য প্রার্থীদের মধ্যে মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. এনামুল হক চৌধুরী, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী শামিম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, জেলা বিএনপির সদস্য ফয়ছল আহমদ চৌধুরী, জাসাসের কেন্দ্রীয় সভাপতি চিত্রনায়ক হেলাল খান,লন্ডন বিএনপির সাবেক সভাপতি মরহুম কমর উদ্দিন চৌধুরীর মেয়ে সাবিনা খান,সাবেক এমপি ড. সৈয়দ মকবুল হোসেন লেচু মিয়ার মেয়ে সৈয়দ আদিব হোসেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন ফরেন অ্যাফেয়ার্স এডভাইজারী কমিটির সিনিয়র সদস্য আ হ ম অহীদ, জেলা বিএনপির সহ-শিল্প বিষয়ক সম্পাদক তামিম ইয়াহিয়া,যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি আনোয়ার হোসেন। সরোজমিনে দুটি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গিয়ে তৃণমূলের মতামত নিলে দেখা যায় এগিয়ে আছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এড. এমরান আহমদ চৌধুরী।
বিয়ানীবাজার উপজেলার চারখাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মক্তদির আলী মক্তইর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে আমাদের বিয়ানীবাজার এলাকার এমপি নুরুল ইসলাম নাহিদ শিক্ষামন্ত্রী হলেও এলাকার দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন হয় নি, রাস্তা ঘাটের কি বেহাল দশা তা তো আপনি নিজেই দেখলেন আমি আর কি বলবো। আমরা বিগত ১৭ বছর শুধু উন্নয়ন বঞ্চিত হয় নি তা নয় আমরা ঠিকমত রাজনীতি করতে পারি নি মামলা, হামলায় বিপর্যস্ত ছিলাম। আমাদের কে দেখার মতো পাশে কাউকে পাইনি এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী ছাড়া,এখন বসন্তের কোকিলের মতো এমপি প্রার্থীদের অভাব নাই, যাদের নাম পর্যন্ত কোন দিন শুনে নি তৃণমূল নেতাকর্মীরা। আমরা বিশ্বাস করি আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমান এবার যোগ্য নেতৃত্বের হাতে মনোনয়ন তুলে দিবেন, যার সাথে তৃণমূল নেতাকর্মীদের রয়েছে গভীর সম্পর্ক। তৃণমূলের সকল বিপদে আপদে পাশে থেকে যিনি সাহস যোগিয়েছেন।
এ বিষয়ে আরো জানতে চাইলে গোলাপগঞ্জ উপজেলার শরিফগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ জানান আমরা নদী তীরবর্তী এলাকার দুঃখ দুর্দশার কথা বলতে গেলে শেষ হবে না। না আছে রাস্তা ঘাট না আছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, অসুস্থ কোন রোগীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিতে গেলে রাস্তায় তার অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। আমাদের এখানে একটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র থাকলে ও সেখানে নাই কোন ডাক্তার নাই কোন নার্স, এ যেনো কাজির গরু খেতাবে আছে গোয়ালে নেই ।
আমরা এবার সবাই আশাবাদী তৃণমূলের নেতা এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীকে দল মুল্যায়ন করবে, কারণ গোলাপগঞ্জ বিয়ানীবাজারের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা দলের দুর্দিনে থাকে কাছে পেয়েছে। থাকে মনোনয়ন দিলে জামায়াতের প্রার্থী ভোট যুদ্ধে ধারে কাছে ও থাকতে পারবে বলে মনে হয় না। গোলাপগঞ্জ উপজেলার একমাত্র শক্ত প্রার্থী তিনি , যেখানে প্রায় ৭০ হাজার ভোট বেশি বিয়ানীবাজার উপজেলার চেয়ে, এটা একটি বড় সুযোগ-সুবিধা হিসেবে কাজ করবে জয়ী হওয়ার ক্ষেত্রে।
একই উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমান আতা বলেন এবারে নির্বাচনে ধানের শীষের জোয়ার বইবে, তবে প্রার্থী নির্বাচনে দল তৃণমূলের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে চুড়ান্ত করলে জয়লাভ করা সহজ হবে।
আমরা দেখেছি দলের দুর্দিনে হাতে গোনা ২/১ জন ছাড়া কাউকে পাশে পাই নি,যখন মামলা হামলায় আমরা বিপর্যস্ত তখন এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী আমাদের সর্বাথক সহযোগিতা করেছেন, তিনি আমাদের এলাকার সন্তান তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের প্রথম পছন্দ। তবে আমরা যেহেতু দল করি দল থেকে শেষ পর্যন্ত যাকে মনোনয়ন দিবে আমরা তার পক্ষে কাজ করবো।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারে এগিয়ে এডভোকেট এমরান চৌধুরী

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:২৯:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

দেশব্যাপী শুরু হয়েছে নির্বাচনী আমেজ। এবারের নির্বাচনে সাবেক ছাত্রদল নেতাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী। তেমনি একজন এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী। নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে সিলেটের প্রত্যেকটি আন্দোলন সংগ্রামে তিনি রেখেছেন সাহসী ভূমিকা। সর্বশেষ জুলাই আগস্টের আন্দোলনে রাজপথ থেকে কর্মীদের সাহস যুগিয়েছেন। তিনি একজন জুলাই যোদ্ধা।
এমরান চৌধুরী সিলেট জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি দায়িত্বপালন করেছেন। তিনি তার নির্বাচনী এলাকার মানুষের জন্য দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে বিগত সময়গুলোতে নেতাকর্মীদের আইনী সহায়তা সহ বিভিন্ন ধরণের সহযোগিতা করে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছেন । এছাড়া তৎকালিন সময়ে সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমান মাধ্যমে দুই উপজেলার উন্নয়নে রেখেছেন ভূমিকা। সেই ধারাবাহিকতায় এবার গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের মানুষ স্বপ্ন দেখছে এমরান আহমদ চৌধুরীকে নিয়ে। স্হানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন জরিপে তিনি এগিয়ে আছেন বলে অনেক গুলো বিশ্বস্ত সুত্র নিশ্চিত করেছে।
তার নির্বাচনীয় সংসদীয় আসন সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) এই আসনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে ভোটারদের মধ্যে, কারণ সিলেট জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে এই আসনে বিএনপির সবচেয়ে বেশি প্রার্থী রয়েছেন দলের মনোনয়ন প্রাপ্তির দৌড়ে। এখানে বিএনপির প্রায় ডজনখানিক প্রার্থী বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী।
নগরী ঘেঁষা এই আসনে বিএনপির প্রার্থী চুড়ান্ত করতে না পারলে ও প্রধান প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থী চুড়ান্ত করেছে অনেক আগে এবং নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে বেশ জোরেশোরে।
এই আসনে বিএনপির সম্ভ্যাব্য প্রার্থীদের মধ্যে মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. এনামুল হক চৌধুরী, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী শামিম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, জেলা বিএনপির সদস্য ফয়ছল আহমদ চৌধুরী, জাসাসের কেন্দ্রীয় সভাপতি চিত্রনায়ক হেলাল খান,লন্ডন বিএনপির সাবেক সভাপতি মরহুম কমর উদ্দিন চৌধুরীর মেয়ে সাবিনা খান,সাবেক এমপি ড. সৈয়দ মকবুল হোসেন লেচু মিয়ার মেয়ে সৈয়দ আদিব হোসেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন ফরেন অ্যাফেয়ার্স এডভাইজারী কমিটির সিনিয়র সদস্য আ হ ম অহীদ, জেলা বিএনপির সহ-শিল্প বিষয়ক সম্পাদক তামিম ইয়াহিয়া,যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি আনোয়ার হোসেন। সরোজমিনে দুটি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গিয়ে তৃণমূলের মতামত নিলে দেখা যায় এগিয়ে আছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এড. এমরান আহমদ চৌধুরী।
বিয়ানীবাজার উপজেলার চারখাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মক্তদির আলী মক্তইর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে আমাদের বিয়ানীবাজার এলাকার এমপি নুরুল ইসলাম নাহিদ শিক্ষামন্ত্রী হলেও এলাকার দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন হয় নি, রাস্তা ঘাটের কি বেহাল দশা তা তো আপনি নিজেই দেখলেন আমি আর কি বলবো। আমরা বিগত ১৭ বছর শুধু উন্নয়ন বঞ্চিত হয় নি তা নয় আমরা ঠিকমত রাজনীতি করতে পারি নি মামলা, হামলায় বিপর্যস্ত ছিলাম। আমাদের কে দেখার মতো পাশে কাউকে পাইনি এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী ছাড়া,এখন বসন্তের কোকিলের মতো এমপি প্রার্থীদের অভাব নাই, যাদের নাম পর্যন্ত কোন দিন শুনে নি তৃণমূল নেতাকর্মীরা। আমরা বিশ্বাস করি আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমান এবার যোগ্য নেতৃত্বের হাতে মনোনয়ন তুলে দিবেন, যার সাথে তৃণমূল নেতাকর্মীদের রয়েছে গভীর সম্পর্ক। তৃণমূলের সকল বিপদে আপদে পাশে থেকে যিনি সাহস যোগিয়েছেন।
এ বিষয়ে আরো জানতে চাইলে গোলাপগঞ্জ উপজেলার শরিফগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ জানান আমরা নদী তীরবর্তী এলাকার দুঃখ দুর্দশার কথা বলতে গেলে শেষ হবে না। না আছে রাস্তা ঘাট না আছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, অসুস্থ কোন রোগীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিতে গেলে রাস্তায় তার অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। আমাদের এখানে একটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র থাকলে ও সেখানে নাই কোন ডাক্তার নাই কোন নার্স, এ যেনো কাজির গরু খেতাবে আছে গোয়ালে নেই ।
আমরা এবার সবাই আশাবাদী তৃণমূলের নেতা এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীকে দল মুল্যায়ন করবে, কারণ গোলাপগঞ্জ বিয়ানীবাজারের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা দলের দুর্দিনে থাকে কাছে পেয়েছে। থাকে মনোনয়ন দিলে জামায়াতের প্রার্থী ভোট যুদ্ধে ধারে কাছে ও থাকতে পারবে বলে মনে হয় না। গোলাপগঞ্জ উপজেলার একমাত্র শক্ত প্রার্থী তিনি , যেখানে প্রায় ৭০ হাজার ভোট বেশি বিয়ানীবাজার উপজেলার চেয়ে, এটা একটি বড় সুযোগ-সুবিধা হিসেবে কাজ করবে জয়ী হওয়ার ক্ষেত্রে।
একই উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমান আতা বলেন এবারে নির্বাচনে ধানের শীষের জোয়ার বইবে, তবে প্রার্থী নির্বাচনে দল তৃণমূলের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে চুড়ান্ত করলে জয়লাভ করা সহজ হবে।
আমরা দেখেছি দলের দুর্দিনে হাতে গোনা ২/১ জন ছাড়া কাউকে পাশে পাই নি,যখন মামলা হামলায় আমরা বিপর্যস্ত তখন এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী আমাদের সর্বাথক সহযোগিতা করেছেন, তিনি আমাদের এলাকার সন্তান তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের প্রথম পছন্দ। তবে আমরা যেহেতু দল করি দল থেকে শেষ পর্যন্ত যাকে মনোনয়ন দিবে আমরা তার পক্ষে কাজ করবো।