ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
বিএনপির আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন

তারেক জিয়া দলীয় চেয়ারপার্সন হাওয়াতে সর্ব মহলে স্বস্তি!

বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৩১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৬৬ বার পঠিত
  বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো: জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে ভারপ্রাপ্ত থেকে ভারমুক্ত হলেন তারেক জিয়া বিএনপির পূর্ণাঙ্গ সংগঠনের চেয়ারম্যান হিসেবে পদযাত্রা শুরু করলেন প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম  খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র জনাব তারেক রহমান সে লক্ষ্যে খুলনা বিএনপির পরিবারের সকল নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং দল ও জাতির স্বার্থে সর্ব বিষয় একই মঞ্চে থেকে কাজ করার আশ্বস্ত করে বলেছেন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ  জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সহ অন্যান্য দল স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করবে তবে আমরা আশা করছি প্রয়াত শহীদ জিয়াউর  রহমানের আদর্শের দল জাতীয়তাবাদী বিএনপি   প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই দেশের আপামর প্রান্তিক মানুষের সাথে হৃদয়ের সম্পর্ক রেখে দেশ গড়ার প্রত্যয় ছিল দলের স্বপ্ন, এবং বিএনপি যতবার ক্ষমতায় এসেছে ততবারই দেশের উন্নয়ন হয়েছে, দেশের সাধারণ জনগণ নিরাপত্তায় থেকেছে, দ্রব্যমূল্য সাধারণ জনগণের ক্রয় ক্ষমতার সাধ্য সমর্থর মধ্য ছিল তাই সাবেক তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৩০ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণের পর থেকে দেশ তথা বিএনপির নেতা কর্মীগণ অভিভাবকহীন হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু তারেক রহমান দল দেশ ও জাতির স্বার্থে পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বিধায় দলের নেতা কর্মীগণ প্রখর রোদের তপ্ত খরার মাঝে বট বৃক্ষের ছায়া খুঁজে পেয়েছে ফলে  আসন্ন নির্বাচনে দেশের জনগণ যাতে তারেক রহমানকে বিজয়ের মাধ্যমে দেশ পরিচালনার মহানায়ক হিসেবে বরমাল্য উপহার দেন সেই প্রত্যাশাই দেশের জনগণের কাছে।  উল্লেখ্য শুক্রবার দলটির চেয়ারপারসনের  গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর আগে তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বিষয়টি শুক্রবার বিএনপির মিডিয়া সেলের  পেজের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করেছে। সাম্প্রতিক বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুজনিত কারণে দলের চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হওয়ার পর গুরুত্বপূর্ণ পথটি নিয়ে নানান গুঞ্জন শুরু হয় অবশেষে নানান জল্পনা-কল্পনার ইতি টেনে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শুক্রবার রাত সাড়ে নটায় গুলশান বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের দেশের ভাইটাল পজিশনের সকল নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয় এবং উপস্থিত সকল নেতা কর্মীদের সম্মতি ক্রমে শূন্য থাকা গুরুত্বপূর্ণ পদটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানকে দায়িত্ব দেওয়া হলে জনার তারেক রহমান দলীয় গঠনতন্ত্র অনুসারে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং দেশব্যাপী দলীয় নেতাকর্মীগণসহ দেশের সাধারণ মানুষের কাছে দোয়া কামনা করেন। এর আগে ২০০২ সালে ২২ জুন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পথ তৈরি করে তারেক রহমানকে ওই পদে অধিষ্ঠিত করা হয়। পরবর্তীকালে ২০০৯ সালে দলীয় সম্মেলনের মাধ্যমে তাকে সিনিয়র ভাই চেয়ারম্যান করা হয়। এবং সেই ধারাবাহিকতায় ২০১৮ তাহলে দুর্নীতির মামলায় বেগম খালেদা জিয়া সাবেক ফেসিস্ট সরকারের অত্যাচারের নীল নকশায় জেলবন্দি হওয়ার পরপরই তাকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করে বিএনপি। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন জীবন পার করে গত ২৫ ডিসেম্বর অন্তিম শয্যায় থাকা আপসহীন দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অর্থাৎ তারেক রহমানের গর্ভধারিনী মা দেশের এভার কি আর হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন তাইতো নাকি একনজর দেখার জন্য এবং মায়ের অন্তিম সময় পাশে থাকার লক্ষ্যে সপরিবারে সারা বিশ্বের বিশ্ব নেতাদের তাক লাগিয়ে বীরের বেশে বাংলাদেশের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেছেন এবং বাংলাদেশের কোটি কোটি  জনতা বরণ করে নিয়েছেন কিন্তু  ভাগ্যের নির্মম পরিহাস দেশে ফেরার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় মাতৃহারা হয়ে চির এতিম হলেন তারেক রহমান। একই সাথে পরম করুনাময় অশেষ দয়ায় এবং দেশ জনতার চাওয়া পাওয়ার প্রতিফলন হিসেবে দেশ পরিচালনার গুরু দায়িত্ব পান তাহলে সকল দুঃখ বেদনা ভুলে দেশ ও জনগণের পাশে থেকে দেশ সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বিএনপির আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন

তারেক জিয়া দলীয় চেয়ারপার্সন হাওয়াতে সর্ব মহলে স্বস্তি!

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৩১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো: জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে ভারপ্রাপ্ত থেকে ভারমুক্ত হলেন তারেক জিয়া বিএনপির পূর্ণাঙ্গ সংগঠনের চেয়ারম্যান হিসেবে পদযাত্রা শুরু করলেন প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম  খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র জনাব তারেক রহমান সে লক্ষ্যে খুলনা বিএনপির পরিবারের সকল নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং দল ও জাতির স্বার্থে সর্ব বিষয় একই মঞ্চে থেকে কাজ করার আশ্বস্ত করে বলেছেন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ  জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সহ অন্যান্য দল স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করবে তবে আমরা আশা করছি প্রয়াত শহীদ জিয়াউর  রহমানের আদর্শের দল জাতীয়তাবাদী বিএনপি   প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই দেশের আপামর প্রান্তিক মানুষের সাথে হৃদয়ের সম্পর্ক রেখে দেশ গড়ার প্রত্যয় ছিল দলের স্বপ্ন, এবং বিএনপি যতবার ক্ষমতায় এসেছে ততবারই দেশের উন্নয়ন হয়েছে, দেশের সাধারণ জনগণ নিরাপত্তায় থেকেছে, দ্রব্যমূল্য সাধারণ জনগণের ক্রয় ক্ষমতার সাধ্য সমর্থর মধ্য ছিল তাই সাবেক তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৩০ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণের পর থেকে দেশ তথা বিএনপির নেতা কর্মীগণ অভিভাবকহীন হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু তারেক রহমান দল দেশ ও জাতির স্বার্থে পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বিধায় দলের নেতা কর্মীগণ প্রখর রোদের তপ্ত খরার মাঝে বট বৃক্ষের ছায়া খুঁজে পেয়েছে ফলে  আসন্ন নির্বাচনে দেশের জনগণ যাতে তারেক রহমানকে বিজয়ের মাধ্যমে দেশ পরিচালনার মহানায়ক হিসেবে বরমাল্য উপহার দেন সেই প্রত্যাশাই দেশের জনগণের কাছে।  উল্লেখ্য শুক্রবার দলটির চেয়ারপারসনের  গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর আগে তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বিষয়টি শুক্রবার বিএনপির মিডিয়া সেলের  পেজের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করেছে। সাম্প্রতিক বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুজনিত কারণে দলের চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হওয়ার পর গুরুত্বপূর্ণ পথটি নিয়ে নানান গুঞ্জন শুরু হয় অবশেষে নানান জল্পনা-কল্পনার ইতি টেনে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শুক্রবার রাত সাড়ে নটায় গুলশান বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের দেশের ভাইটাল পজিশনের সকল নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয় এবং উপস্থিত সকল নেতা কর্মীদের সম্মতি ক্রমে শূন্য থাকা গুরুত্বপূর্ণ পদটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানকে দায়িত্ব দেওয়া হলে জনার তারেক রহমান দলীয় গঠনতন্ত্র অনুসারে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং দেশব্যাপী দলীয় নেতাকর্মীগণসহ দেশের সাধারণ মানুষের কাছে দোয়া কামনা করেন। এর আগে ২০০২ সালে ২২ জুন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পথ তৈরি করে তারেক রহমানকে ওই পদে অধিষ্ঠিত করা হয়। পরবর্তীকালে ২০০৯ সালে দলীয় সম্মেলনের মাধ্যমে তাকে সিনিয়র ভাই চেয়ারম্যান করা হয়। এবং সেই ধারাবাহিকতায় ২০১৮ তাহলে দুর্নীতির মামলায় বেগম খালেদা জিয়া সাবেক ফেসিস্ট সরকারের অত্যাচারের নীল নকশায় জেলবন্দি হওয়ার পরপরই তাকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করে বিএনপি। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন জীবন পার করে গত ২৫ ডিসেম্বর অন্তিম শয্যায় থাকা আপসহীন দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অর্থাৎ তারেক রহমানের গর্ভধারিনী মা দেশের এভার কি আর হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন তাইতো নাকি একনজর দেখার জন্য এবং মায়ের অন্তিম সময় পাশে থাকার লক্ষ্যে সপরিবারে সারা বিশ্বের বিশ্ব নেতাদের তাক লাগিয়ে বীরের বেশে বাংলাদেশের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেছেন এবং বাংলাদেশের কোটি কোটি  জনতা বরণ করে নিয়েছেন কিন্তু  ভাগ্যের নির্মম পরিহাস দেশে ফেরার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় মাতৃহারা হয়ে চির এতিম হলেন তারেক রহমান। একই সাথে পরম করুনাময় অশেষ দয়ায় এবং দেশ জনতার চাওয়া পাওয়ার প্রতিফলন হিসেবে দেশ পরিচালনার গুরু দায়িত্ব পান তাহলে সকল দুঃখ বেদনা ভুলে দেশ ও জনগণের পাশে থেকে দেশ সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন।