ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ১১ মে ২০২৬

নিজ পিতা কর্তৃক কন্যা ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে বাবা আটক 

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:৫০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৩৬ বার পঠিত
সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার সংচাইল গ্রামে নিজ পিতা কর্তৃক মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবাকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর নানী বাদী হয়ে সোমবার (২৭ অক্টোবর) দেবিদ্বার থানায় মামলা দায়ের করেন।
আটক ব্যক্তির নাম মো. হারুন (৪৮)। তিনি উপজেলার সংচাইল গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নান মিয়ার ছেলে এবং পেশায় কৃষক।
মামলার এজাহারে বাদী ভিকটিমের নানী সাহেদা বেগম (৫৭) উল্লেখ করেন, তার মেয়ের জামাতা হারুন দীর্ঘদিন ধরে আপন মেজো নাতনীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে আসছে। ভিকটিমের মা বর্তমানে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ও অসুস্থ হওয়ায় সুযোগ বুঝে প্রায় পাঁচ মাস আগে গরুর ঘাসের ঝুড়ি মাথায় তোলার কথা বলে পাটক্ষেতে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন তিনি। ঘটনাটি জানার পর কুরআন শরীফ ছুঁইয়ে ভবিষ্যতে ভুল না করার শপথ করান ভিকটিমের মা। অভিযুক্তও প্রতিশ্রুতি দেয়।
কিন্তু এরপরও সে থামেনি। গত এক মাস ধরে পুনরায় একাধিকবার ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টা করেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। সর্বশেষ সোমবার সকালে বাবা বাজার থেকে ফিরে কাপড় ধোয়ার কথা বলে ভিকটিমকে বাথরুমে পাঠিয়ে সেখানে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এ সময় ভিকটিম দৌড়ে নানীর বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানান। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করে।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুদ্দিন মো. ইলিয়াছ বলেন, “পরিবার থেকে অভিযোগ পাওয়ার পরই আমরা অভিযুক্ত পিতাকে আটক করি। জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এবং এটি ভুলবশত হয়েছে বলে জানায়।”
তিনি আরও বলেন, “আটকের পর স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল তাকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় আসলেও আমি স্পষ্ট জানিয়ে দেই যে, ধর্ষণ মামলায় আসামিকে আইনের মুখোমুখি হতেই হবে। পরে নানীর দায়ের করা মামলায় তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।”
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

নিজ পিতা কর্তৃক কন্যা ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে বাবা আটক 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:৫০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার সংচাইল গ্রামে নিজ পিতা কর্তৃক মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবাকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর নানী বাদী হয়ে সোমবার (২৭ অক্টোবর) দেবিদ্বার থানায় মামলা দায়ের করেন।
আটক ব্যক্তির নাম মো. হারুন (৪৮)। তিনি উপজেলার সংচাইল গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নান মিয়ার ছেলে এবং পেশায় কৃষক।
মামলার এজাহারে বাদী ভিকটিমের নানী সাহেদা বেগম (৫৭) উল্লেখ করেন, তার মেয়ের জামাতা হারুন দীর্ঘদিন ধরে আপন মেজো নাতনীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে আসছে। ভিকটিমের মা বর্তমানে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ও অসুস্থ হওয়ায় সুযোগ বুঝে প্রায় পাঁচ মাস আগে গরুর ঘাসের ঝুড়ি মাথায় তোলার কথা বলে পাটক্ষেতে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন তিনি। ঘটনাটি জানার পর কুরআন শরীফ ছুঁইয়ে ভবিষ্যতে ভুল না করার শপথ করান ভিকটিমের মা। অভিযুক্তও প্রতিশ্রুতি দেয়।
কিন্তু এরপরও সে থামেনি। গত এক মাস ধরে পুনরায় একাধিকবার ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টা করেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। সর্বশেষ সোমবার সকালে বাবা বাজার থেকে ফিরে কাপড় ধোয়ার কথা বলে ভিকটিমকে বাথরুমে পাঠিয়ে সেখানে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এ সময় ভিকটিম দৌড়ে নানীর বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানান। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করে।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুদ্দিন মো. ইলিয়াছ বলেন, “পরিবার থেকে অভিযোগ পাওয়ার পরই আমরা অভিযুক্ত পিতাকে আটক করি। জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এবং এটি ভুলবশত হয়েছে বলে জানায়।”
তিনি আরও বলেন, “আটকের পর স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল তাকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় আসলেও আমি স্পষ্ট জানিয়ে দেই যে, ধর্ষণ মামলায় আসামিকে আইনের মুখোমুখি হতেই হবে। পরে নানীর দায়ের করা মামলায় তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।”