ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

নির্বাচনের মাঠে অস্ত্রের ঝঞ্জনানী আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ভোটারদের মাঝে ! 

বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৫২:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৮৪ বার পঠিত
বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের  আর মাত্র চার দিন বাকি থাকতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজ থেকে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী সহ সকল বাহিনী অথচ এক রাতের ব্যবধানে দেশজুড়ে অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান মিলছে ডুবানালা পরিত্যক্ত ভবন ও গাছের নিচে থেকে।
আর এ সকল অস্ত্র অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করছে যৌথ বাহিনী।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে অধিকাংশ আগ্নেয়াস্ত্র গোলাবারুদ, চাপাতি, রামদা, চাইনিজ কুড়াল, সহ বিভিন্ন ধরনের বিপুল পরিমাণের মরণ অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়টি  জনসম্মুখে আসার কারণে দেশজুড়ে ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে, পাশাপাশি নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত নিয়েও জল্পনা কল্পনা শুরু হয়েছে সর্বমহলে।
নির্বাচনী মাঠে প্রার্থীদের মাঝেও চলছে একে অপরের পাল্টা অভিযোগ, একই সাথে একে অপরকে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া করছে আগ্নেয় অস্ত্র তাক করে।
এদিকে অস্ত্রের সন্ধান মিললেও সন্ধান মিলেনি অস্ত্র রক্ষিতদের।
অস্ত্র উদ্ধার হওয়ার পর বিষয়গুলো দেশের বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচার হওয়ার পর থেকে দেশের সর্বোচ্চ প্রশাসন মহল  নড়েচড়ে  বসলেও এখন পর্যন্ত  ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে নাশকতা পরিকল্পনার মূলহোতারা, একই সাথে দেশের সাধারণ জনগণ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলে বলছে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং দেশ থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাস নির্মূল করতে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা একেবারেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।
এদিকে একটু সচেতন মহলের বিশেষ কিছু ব্যক্তিরাও অভিযোগ করে বলছে  এসকল ঘটনার অন্তরালে কোন অপশক্তি কাজ করছে তা এখনো জনসাধারণের কাছে স্পষ্ট না হলেও বিশেষ  মহল থেকে ধারণা করছে ফ্যাসিবাদী পালিয়ে যাও আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মারা  বিভিন্ন কৌশলে দেশের বৃহৎ দুটি রাজনৈতিক দলের কতিপয় নেতাদের সাথে মোটা অংকের অর্থ  লেনদেনের মাধ্যমে সুযোগ নিয়ে অন্তরালে থেকে এই অপকর্ম সৃষ্টি করে নির্বাচন বাঞ্ছাল করার পায়তারায় লিপ্ত হয়ে উঠেছে। এদিকে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর প্রধান কর্তারা বলেছেন আমরা একদিনের ব্যবধানে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণে অস্ত্র উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি এবং আশা  করছি ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মাঠে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাররা উপস্থিত হয়ে ভোট প্রদান করতে পারে এবং নাশকতাকারীরা কোনক্রমে নাশকতা সৃষ্টি করে ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক ও জান মালের  ক্ষয়ক্ষতি না করতে পারে সেদিকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার বেষ্টনী গড়ে তোলা হবে, তাছাড়া আজ থেকে নির্বাচনীয় এলাকার যে সকল ভোট কেন্দ্রগুলো রয়েছে সেখানে কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আজ থেকেই ভোটকেন্দ্র গুলো কঠোর নজরদারিতে রাখবে এবং যাতে করে ভোটের দিন ভোটাররা কোন ধরনের আতঙ্ক  দ্বিধা বিভক্তি ছাড়াই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় ভোট  কেন্দ্রে এসে ভোট প্রদান করতে পারে সে ব্যাপারেও প্রশাসন মহল অতপ্রতভাবে ভূমিকা রাখবে। অপরদিকে প্রশাসন মহলের শত অভয়বাণী শুনেও সাধারণ জনগণ ও ভোটারদের মাঝে যেন ঘনীভূত আতঙ্ক ক্রমান্বয়ে জাপটে ধরছে, ফলে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি নিয়েও দুশ্চিন্তার একটি বিষয় রয়েছে, কারণ ভোটের দামামা বাজার সাথে সাথে দেশজুড়ে যে পরিমাণে পরিকল্পিত অপরিকল্পিতভাবে খুন-খারাবি ঘটে চলেছে অসংখ্য অস্ত্রের ঝনঝনালী শোনা ও দেখা যাচ্ছে তাতে করে সাধারণ ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে জীবন মরণ একে অপরের আক্রোশের রোশানলের শিকার হতে না চাওয়াটাই স্বাভাবিক বলেই মনে করছে ভোটাররা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

নির্বাচনের মাঠে অস্ত্রের ঝঞ্জনানী আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ভোটারদের মাঝে ! 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৫২:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের  আর মাত্র চার দিন বাকি থাকতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজ থেকে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী সহ সকল বাহিনী অথচ এক রাতের ব্যবধানে দেশজুড়ে অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান মিলছে ডুবানালা পরিত্যক্ত ভবন ও গাছের নিচে থেকে।
আর এ সকল অস্ত্র অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করছে যৌথ বাহিনী।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে অধিকাংশ আগ্নেয়াস্ত্র গোলাবারুদ, চাপাতি, রামদা, চাইনিজ কুড়াল, সহ বিভিন্ন ধরনের বিপুল পরিমাণের মরণ অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়টি  জনসম্মুখে আসার কারণে দেশজুড়ে ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে, পাশাপাশি নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত নিয়েও জল্পনা কল্পনা শুরু হয়েছে সর্বমহলে।
নির্বাচনী মাঠে প্রার্থীদের মাঝেও চলছে একে অপরের পাল্টা অভিযোগ, একই সাথে একে অপরকে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া করছে আগ্নেয় অস্ত্র তাক করে।
এদিকে অস্ত্রের সন্ধান মিললেও সন্ধান মিলেনি অস্ত্র রক্ষিতদের।
অস্ত্র উদ্ধার হওয়ার পর বিষয়গুলো দেশের বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচার হওয়ার পর থেকে দেশের সর্বোচ্চ প্রশাসন মহল  নড়েচড়ে  বসলেও এখন পর্যন্ত  ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে নাশকতা পরিকল্পনার মূলহোতারা, একই সাথে দেশের সাধারণ জনগণ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলে বলছে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং দেশ থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাস নির্মূল করতে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা একেবারেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।
এদিকে একটু সচেতন মহলের বিশেষ কিছু ব্যক্তিরাও অভিযোগ করে বলছে  এসকল ঘটনার অন্তরালে কোন অপশক্তি কাজ করছে তা এখনো জনসাধারণের কাছে স্পষ্ট না হলেও বিশেষ  মহল থেকে ধারণা করছে ফ্যাসিবাদী পালিয়ে যাও আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মারা  বিভিন্ন কৌশলে দেশের বৃহৎ দুটি রাজনৈতিক দলের কতিপয় নেতাদের সাথে মোটা অংকের অর্থ  লেনদেনের মাধ্যমে সুযোগ নিয়ে অন্তরালে থেকে এই অপকর্ম সৃষ্টি করে নির্বাচন বাঞ্ছাল করার পায়তারায় লিপ্ত হয়ে উঠেছে। এদিকে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর প্রধান কর্তারা বলেছেন আমরা একদিনের ব্যবধানে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণে অস্ত্র উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি এবং আশা  করছি ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মাঠে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাররা উপস্থিত হয়ে ভোট প্রদান করতে পারে এবং নাশকতাকারীরা কোনক্রমে নাশকতা সৃষ্টি করে ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক ও জান মালের  ক্ষয়ক্ষতি না করতে পারে সেদিকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার বেষ্টনী গড়ে তোলা হবে, তাছাড়া আজ থেকে নির্বাচনীয় এলাকার যে সকল ভোট কেন্দ্রগুলো রয়েছে সেখানে কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আজ থেকেই ভোটকেন্দ্র গুলো কঠোর নজরদারিতে রাখবে এবং যাতে করে ভোটের দিন ভোটাররা কোন ধরনের আতঙ্ক  দ্বিধা বিভক্তি ছাড়াই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় ভোট  কেন্দ্রে এসে ভোট প্রদান করতে পারে সে ব্যাপারেও প্রশাসন মহল অতপ্রতভাবে ভূমিকা রাখবে। অপরদিকে প্রশাসন মহলের শত অভয়বাণী শুনেও সাধারণ জনগণ ও ভোটারদের মাঝে যেন ঘনীভূত আতঙ্ক ক্রমান্বয়ে জাপটে ধরছে, ফলে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি নিয়েও দুশ্চিন্তার একটি বিষয় রয়েছে, কারণ ভোটের দামামা বাজার সাথে সাথে দেশজুড়ে যে পরিমাণে পরিকল্পিত অপরিকল্পিতভাবে খুন-খারাবি ঘটে চলেছে অসংখ্য অস্ত্রের ঝনঝনালী শোনা ও দেখা যাচ্ছে তাতে করে সাধারণ ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে জীবন মরণ একে অপরের আক্রোশের রোশানলের শিকার হতে না চাওয়াটাই স্বাভাবিক বলেই মনে করছে ভোটাররা।