ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

পানি প্রকল্পের নথিপত্র গায়েব — তিন কর্মকর্তাকে শোকজ

আশরাফুল ইসলাম সোহাগ 
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:৪৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫
  • / ৬১ বার পঠিত
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার নাগরিকদের সুপেয় পানি সরবরাহ প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র গায়েব হয়ে গেছে। এ ঘটনায় পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার তিন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছেন।
পৌরসভার সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী তিতাস আলম, সাবেক ডিজাইন সহকারী আব্দুল মান্নান এবং টিউবওয়েল মেকানিক বাবুল মিয়াকে এই তিন দিনের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে প্রকৌশলী তিতাস আলম বর্তমানে গোপালগঞ্জ পৌরসভার দায়িত্বে আছেন। অন্য দুইজন পিরোজপুরেই কর্মরত।
সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (LGED) আওতায় ২০১৭-১৮ ও ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রায় ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে মঠবাড়িয়া পৌর এলাকায় সুপেয় পানি সরবরাহের লক্ষ্যে বিভিন্ন কাজ করা হয়। এর আওতায় স্থাপন করা হয় সাবমার্সিবল পাম্পসহ গ্রাউন্ড ওয়াটার রিজার্ভার, পাইপলাইন, ভিজিএস, ট্রিটমেন্ট প্লান্টসহ অন্যান্য অবকাঠামো।
তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের পর থেকে কোনো ধরনের নথিপত্র (চুক্তিপত্র, বিল, ডিজাইন ড্রইং ইত্যাদি) পৌরসভায় পাওয়া যাচ্ছে না। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এসব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তিন কর্মকর্তা প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় গ্রহণ করলেও পরবর্তীতে জমা দেননি।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বারবার যোগাযোগ করেও প্রকৌশলী তিতাস আলমকে পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি ডিজাইনার আব্দুল মান্নান এবং টিউবওয়েল মেকানিক বাবুল মিয়াও কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া ইউএনও উর্মি ভৌমিক বলেন, “নথিপত্র গায়েবের বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

পানি প্রকল্পের নথিপত্র গায়েব — তিন কর্মকর্তাকে শোকজ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:৪৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার নাগরিকদের সুপেয় পানি সরবরাহ প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র গায়েব হয়ে গেছে। এ ঘটনায় পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার তিন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছেন।
পৌরসভার সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী তিতাস আলম, সাবেক ডিজাইন সহকারী আব্দুল মান্নান এবং টিউবওয়েল মেকানিক বাবুল মিয়াকে এই তিন দিনের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে প্রকৌশলী তিতাস আলম বর্তমানে গোপালগঞ্জ পৌরসভার দায়িত্বে আছেন। অন্য দুইজন পিরোজপুরেই কর্মরত।
সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (LGED) আওতায় ২০১৭-১৮ ও ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রায় ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে মঠবাড়িয়া পৌর এলাকায় সুপেয় পানি সরবরাহের লক্ষ্যে বিভিন্ন কাজ করা হয়। এর আওতায় স্থাপন করা হয় সাবমার্সিবল পাম্পসহ গ্রাউন্ড ওয়াটার রিজার্ভার, পাইপলাইন, ভিজিএস, ট্রিটমেন্ট প্লান্টসহ অন্যান্য অবকাঠামো।
তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের পর থেকে কোনো ধরনের নথিপত্র (চুক্তিপত্র, বিল, ডিজাইন ড্রইং ইত্যাদি) পৌরসভায় পাওয়া যাচ্ছে না। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এসব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তিন কর্মকর্তা প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় গ্রহণ করলেও পরবর্তীতে জমা দেননি।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বারবার যোগাযোগ করেও প্রকৌশলী তিতাস আলমকে পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি ডিজাইনার আব্দুল মান্নান এবং টিউবওয়েল মেকানিক বাবুল মিয়াও কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া ইউএনও উর্মি ভৌমিক বলেন, “নথিপত্র গায়েবের বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”