ঢাকা , বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

পিরোজপুরে ইবতেদায়ী মাদ্রাসা সভাপতির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, নিরাপত্তার দাবি ভুক্তভোগীদের

পিরোজপুর অফিস::
পিরোজপুর সদর উপজেলার পশ্চিম কদমতলা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল হকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, নিয়োগে অনিয়ম, জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন অভিযোগকারী পক্ষ। বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, পিরোজপুর জেলা শাখার মিলনায়তনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সদর উপজেলার পঞ্চিম কদমতলা এলাকার বাসিন্দা মো. মানিক শেখ। লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, আব্দুল হক খানাকুনিয়ারী পি.ই.আর.সি. ফাজিল মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী এবং পশ্চিম কদমতলা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অর্থ গ্রহণ করেছেন। অভিযোগ করা হয়, গত পাঁচ বছরে অন্তত ১০ জন চাকরিপ্রত্যাশীর কাছ থেকে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রায় ১৪ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিশ্রুত চাকরি দেওয়া হয়নি এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে অর্থও ফেরত দেওয়া হয়নি বলে দাবি করা হয়। এছাড়া জমি আত্মসাতের অভিযোগও উত্থাপন করা হয়। অভিযোগের প্রতিবাদ করলে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়। আরও অভিযোগ করা হয়, পশ্চিম কদমতলা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় নিয়মিত পাঠদান ও আবাসিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম থাকা সত্ত্বেও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অধিক শিক্ষার্থীর তথ্য উপস্থাপন করে বিভিন্ন সরকারি সুবিধা নেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত মনিরা জেসমিন দাবি করেন, চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে তার কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নেওয়া হলেও তিনি চাকরি বা অর্থ ফেরত-কোনোটিই পাননি। একইভাবে আতিকুর রহমান অভিযোগ করেন, মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে তিন লাখ টাকা নেওয়া হলেও পরবর্তীতে নিয়োগ বা অর্থ ফেরত পাননি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল হকের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সংবাদ সম্মেলনে মো. মানিক শেখ, আব্দুর রাজ্জাক, আতিকুর রহমান, মনিরা জেসমিনসহ অভিযোগকারী পক্ষের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে রাজশাহীতে শহীদ সাকিব আনজুমের কবর জিয়ারত ও দোয়া অনুষ্ঠিত

04 August 2026

পূর্ব মক্রবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নববির্বাচিত কমিটির সংবর্ধনা

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

পিরোজপুরে ইবতেদায়ী মাদ্রাসা সভাপতির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, নিরাপত্তার দাবি ভুক্তভোগীদের

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৩:২০:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
পিরোজপুর অফিস::
পিরোজপুর সদর উপজেলার পশ্চিম কদমতলা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল হকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, নিয়োগে অনিয়ম, জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন অভিযোগকারী পক্ষ। বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, পিরোজপুর জেলা শাখার মিলনায়তনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সদর উপজেলার পঞ্চিম কদমতলা এলাকার বাসিন্দা মো. মানিক শেখ। লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, আব্দুল হক খানাকুনিয়ারী পি.ই.আর.সি. ফাজিল মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী এবং পশ্চিম কদমতলা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অর্থ গ্রহণ করেছেন। অভিযোগ করা হয়, গত পাঁচ বছরে অন্তত ১০ জন চাকরিপ্রত্যাশীর কাছ থেকে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রায় ১৪ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিশ্রুত চাকরি দেওয়া হয়নি এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে অর্থও ফেরত দেওয়া হয়নি বলে দাবি করা হয়। এছাড়া জমি আত্মসাতের অভিযোগও উত্থাপন করা হয়। অভিযোগের প্রতিবাদ করলে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়। আরও অভিযোগ করা হয়, পশ্চিম কদমতলা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় নিয়মিত পাঠদান ও আবাসিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম থাকা সত্ত্বেও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অধিক শিক্ষার্থীর তথ্য উপস্থাপন করে বিভিন্ন সরকারি সুবিধা নেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত মনিরা জেসমিন দাবি করেন, চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে তার কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নেওয়া হলেও তিনি চাকরি বা অর্থ ফেরত-কোনোটিই পাননি। একইভাবে আতিকুর রহমান অভিযোগ করেন, মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে তিন লাখ টাকা নেওয়া হলেও পরবর্তীতে নিয়োগ বা অর্থ ফেরত পাননি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল হকের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সংবাদ সম্মেলনে মো. মানিক শেখ, আব্দুর রাজ্জাক, আতিকুর রহমান, মনিরা জেসমিনসহ অভিযোগকারী পক্ষের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Share this news as a Photo Card