ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

বিপুল পরিমাণ ভারতীয় প্রসাধনীসহ দুই চোরাকারবারি গ্রেপ্তার

আব্দুল আওয়াল, ইসলামপুর (জামালপুর)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৩১:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৭০ বার পঠিত
ইসলামপুর প্রতিনিধি (জামালপুর): জামালপুর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি-২) এর বিশেষ অভিযানে ভারত থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে আনা বিপুল পরিমাণ অবৈধ প্রসাধনী পণ্য উদ্ধারসহ দুইজন চোরাকারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ থানার গোয়ালগাঁও বালুরচর নতুন বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সরল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের সামনে সরকারি পাকা সড়কের ওপর ব্যাটারিচালিত দুটি অটোরিকশায় মজুত অবস্থায় এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেকের প্রত্যক্ষ নির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখা-২ এর অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রুহুল আমিন তালুকদারের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানে অংশ নেন এসআই (নিঃ) নিরুপম নাগ বিপিএম, এসআই (নিঃ) মো. রফিকুল ইসলামসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানার জলঙ্গা মাধবপুর গ্রামের মো. আবু সাঈদ (৩৫), পিতা নুরুল ইসলাম এবং মো. সুজন মিয়া (২৮), পিতা আলাল মিয়া।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ২৪টি প্লাস্টিকের বস্তায় থাকা ভারতীয় তৈরি বিভিন্ন প্রসাধনী পণ্য উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—পন্ডস ব্রাইট বিউটি অ্যান্টি ডালনেস ফেসওয়াশ ৩,৬৪৮ পিস, পন্ডস সুপার লাইট জেল ৮৬৪ পিস এবং গার্নিয়ার ফেসওয়াশ ৪৬৮ পিস। উদ্ধারকৃত পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮ লাখ ৭ হাজার ৪০০ টাকা।
ডিবি-২ এর অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রুহুল আমিন তালুকদার বলেন, অবৈধ পথে ও শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারতীয় প্রসাধনী, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। গ্রেপ্তাররা একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে এসব পণ্য দেশে এনে বাজারজাত করত। এ ধরনের অপরাধ দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক বলেন, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে প্রসাধনী, মাদক ও অস্ত্র কারবারের কোনো সুযোগ জামালপুর জেলায় নেই। ডিবি-২ এর এই অভিযান প্রশংসনীয়। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের জিরোণ টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বিপুল পরিমাণ ভারতীয় প্রসাধনীসহ দুই চোরাকারবারি গ্রেপ্তার

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৩১:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
ইসলামপুর প্রতিনিধি (জামালপুর): জামালপুর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি-২) এর বিশেষ অভিযানে ভারত থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে আনা বিপুল পরিমাণ অবৈধ প্রসাধনী পণ্য উদ্ধারসহ দুইজন চোরাকারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ থানার গোয়ালগাঁও বালুরচর নতুন বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সরল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের সামনে সরকারি পাকা সড়কের ওপর ব্যাটারিচালিত দুটি অটোরিকশায় মজুত অবস্থায় এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেকের প্রত্যক্ষ নির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখা-২ এর অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রুহুল আমিন তালুকদারের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানে অংশ নেন এসআই (নিঃ) নিরুপম নাগ বিপিএম, এসআই (নিঃ) মো. রফিকুল ইসলামসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানার জলঙ্গা মাধবপুর গ্রামের মো. আবু সাঈদ (৩৫), পিতা নুরুল ইসলাম এবং মো. সুজন মিয়া (২৮), পিতা আলাল মিয়া।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ২৪টি প্লাস্টিকের বস্তায় থাকা ভারতীয় তৈরি বিভিন্ন প্রসাধনী পণ্য উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—পন্ডস ব্রাইট বিউটি অ্যান্টি ডালনেস ফেসওয়াশ ৩,৬৪৮ পিস, পন্ডস সুপার লাইট জেল ৮৬৪ পিস এবং গার্নিয়ার ফেসওয়াশ ৪৬৮ পিস। উদ্ধারকৃত পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮ লাখ ৭ হাজার ৪০০ টাকা।
ডিবি-২ এর অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রুহুল আমিন তালুকদার বলেন, অবৈধ পথে ও শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারতীয় প্রসাধনী, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। গ্রেপ্তাররা একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে এসব পণ্য দেশে এনে বাজারজাত করত। এ ধরনের অপরাধ দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক বলেন, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে প্রসাধনী, মাদক ও অস্ত্র কারবারের কোনো সুযোগ জামালপুর জেলায় নেই। ডিবি-২ এর এই অভিযান প্রশংসনীয়। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের জিরোণ টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।