ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

মঠবাড়িয়ায় ৬০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:৩৭:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
  • / ৩৯ বার পঠিত
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় নিষিদ্ধ পলিথিন মজুদ ও বাজারজাত করার অভিযোগে মো. মহসিন মিয়া নামে এক ব্যবসায়িকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুপুরে মঠবাড়িয়া পৌর শহরের কাপুড়িয়া পট্টি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল কাইয়ূম।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, “তন্বী স্টোর” নামে একটি গুদামে অভিযান চালিয়ে ৬০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৯০ হাজার টাকা। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যবসায়িকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এছাড়া একই অভিযানে পৌর শহরের সড়কে অবৈধ পার্কিংয়ের দায়ে ইমা পরিবহনের এক বাসচালককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল কাইয়ূম জানান, “নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার ও বাজারজাত বন্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। জব্দকৃত পলিথিন রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।”
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

মঠবাড়িয়ায় ৬০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:৩৭:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় নিষিদ্ধ পলিথিন মজুদ ও বাজারজাত করার অভিযোগে মো. মহসিন মিয়া নামে এক ব্যবসায়িকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুপুরে মঠবাড়িয়া পৌর শহরের কাপুড়িয়া পট্টি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল কাইয়ূম।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, “তন্বী স্টোর” নামে একটি গুদামে অভিযান চালিয়ে ৬০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৯০ হাজার টাকা। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যবসায়িকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এছাড়া একই অভিযানে পৌর শহরের সড়কে অবৈধ পার্কিংয়ের দায়ে ইমা পরিবহনের এক বাসচালককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল কাইয়ূম জানান, “নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার ও বাজারজাত বন্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। জব্দকৃত পলিথিন রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।”