ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে খুলনা নগরীতে আবারো যুবক খুন

বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো:
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:২০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫
  • / ৯৩ বার পঠিত
মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে আবারও  খুলনায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে যুবক খুন, ফলে এই পরিস্থিতি নিয়ে খুলনার সাধারণ জনগণের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে আর এসকল হত্যাকাণ্ড ও সহিংস ঘটনার জন্য স্থানীয় জনগণ আইনের শাসনের প্রতি অনাস্থা রেখে প্রশাসনকেই দায়ী করছে ,কারণ খুলনার প্রশাসন মহলে এতটাই উদাসীনতা কয়েক মাসের ব্যবধানে আজকের ঘটনা নিয়ে ১৯ জন খুন হয়েছে পাশাপাশি সন্ত্রাসীদের আক্রমণের শিকার হয়ে মর্মান্তিকভাবে আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে প্রায় অর্ধ শতাধিক তার মধ্য খুলনা দৌলতপুর থানা যুবদল নেতা মাহবুবুর রহমানের মৃত্যুর রক্তের দাগ শুকাতে না শুকাতে আবারো ২১ জুলাই সোমবার রাত আনুমানিক নয়টার দিকে আরো একটি খুনের পুনরাবৃত্তি, সন্ত্রাসীদের হাতে জাকির হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে নগরীর নিরালা কাঁচা বাজারের পাশে। মৃত ওই যুবক বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা লতিফ হাওলাদারের ছেলে। স্থানীয়রা জনান, মৃত জাকির হোসেন নিরালা ১৭ নং রোডের বাসিন্দা সবুরের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। তিনি ব্যবসা করতেন। রাতে নিরালা কাচা বাজারের পাশে পেট ধরে দৌড়ানোর সময়ে পুরাতন ফার্নিচার ব্যবসায়ী জাকিরের দোকানের সামনে এসে পড়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। জাকিরের পিঠের দু’টি স্থানে এবং পেটের নাভির গোড়ায় দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। খুলনা থানার অফিসার ইনচার্জ হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম ওই যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাত ৯ টার কিছুক্ষণ পর নিরালা এলাকা থেকে একটি দুর্ঘটনার খবর জানিয়ে থানায় ফোন দেওয়া হয়। রাতে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে হাসপাতালে খবর নিয়ে জানা যায় ওই যুবক মারা গেছেন। দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাত করলে ওই যুবক মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। স্থানীয়রা তাকে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর জেনে পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে কি কারণে তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে তা তিনি নিশ্চিত করে বলতে না পারলেও আজকের এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি নিয়ে ওটা প্রশাসন কঠোর সজাগ দৃষ্টি রেখে হত্যাকাণ্ডের মূল বিষয় উদঘাটন করার চেষ্টা করছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে খুলনা নগরীতে আবারো যুবক খুন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:২০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫
মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে আবারও  খুলনায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে যুবক খুন, ফলে এই পরিস্থিতি নিয়ে খুলনার সাধারণ জনগণের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে আর এসকল হত্যাকাণ্ড ও সহিংস ঘটনার জন্য স্থানীয় জনগণ আইনের শাসনের প্রতি অনাস্থা রেখে প্রশাসনকেই দায়ী করছে ,কারণ খুলনার প্রশাসন মহলে এতটাই উদাসীনতা কয়েক মাসের ব্যবধানে আজকের ঘটনা নিয়ে ১৯ জন খুন হয়েছে পাশাপাশি সন্ত্রাসীদের আক্রমণের শিকার হয়ে মর্মান্তিকভাবে আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে প্রায় অর্ধ শতাধিক তার মধ্য খুলনা দৌলতপুর থানা যুবদল নেতা মাহবুবুর রহমানের মৃত্যুর রক্তের দাগ শুকাতে না শুকাতে আবারো ২১ জুলাই সোমবার রাত আনুমানিক নয়টার দিকে আরো একটি খুনের পুনরাবৃত্তি, সন্ত্রাসীদের হাতে জাকির হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে নগরীর নিরালা কাঁচা বাজারের পাশে। মৃত ওই যুবক বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা লতিফ হাওলাদারের ছেলে। স্থানীয়রা জনান, মৃত জাকির হোসেন নিরালা ১৭ নং রোডের বাসিন্দা সবুরের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। তিনি ব্যবসা করতেন। রাতে নিরালা কাচা বাজারের পাশে পেট ধরে দৌড়ানোর সময়ে পুরাতন ফার্নিচার ব্যবসায়ী জাকিরের দোকানের সামনে এসে পড়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। জাকিরের পিঠের দু’টি স্থানে এবং পেটের নাভির গোড়ায় দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। খুলনা থানার অফিসার ইনচার্জ হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম ওই যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাত ৯ টার কিছুক্ষণ পর নিরালা এলাকা থেকে একটি দুর্ঘটনার খবর জানিয়ে থানায় ফোন দেওয়া হয়। রাতে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে হাসপাতালে খবর নিয়ে জানা যায় ওই যুবক মারা গেছেন। দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাত করলে ওই যুবক মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। স্থানীয়রা তাকে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর জেনে পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে কি কারণে তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে তা তিনি নিশ্চিত করে বলতে না পারলেও আজকের এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি নিয়ে ওটা প্রশাসন কঠোর সজাগ দৃষ্টি রেখে হত্যাকাণ্ডের মূল বিষয় উদঘাটন করার চেষ্টা করছে।