ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে জেলার ৬ টি আসনেই সাত সংস্থার তৎপরতা শুরু! 

বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৪১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৭৫ বার পঠিত
বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী খুলনা ছয়টি আসনেরই সকল ভোটারদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশে একটি অবাধ  গ্রহণযোগ্য সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে সরকারও নির্বাচন কমিশনারের প্রধানের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে  গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে রয়েছে এবং নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত মাঠেই থাকবে এই প্রতিশ্রুতি নিয়ে খুলনার ৬টি আসনে সন্ত্রাস সৃষ্টিকারীদের তালিকা গোয়েন্দাদের হাতে নিয়েছে । মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পরপর এ তালিকা সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছাবে। লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরি করতে এ মাস থেকেই সাত সংস্থার তৎপরতা শুরু হয়েছে। গেলো মাসে জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
এ সময় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আ.স.ম জামশেদ খোন্দকার এ সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি বলেন, সন্ত্রাস সৃষ্টি করতে পারে এমন দুর্বৃত্তদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহ নাগাদ সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছাবে। গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী গণভোট নিয়ে রাজনৈতিক ও সরকারের সাথে ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে, এর অবসান হবে। সভায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, যৌথবাহিনীর টহল, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বডি অন ক্যামেরা ও কেপিআইতে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়।
কেএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার (দক্ষিণ) অমিত বর্মণ বলেন নগরীতে চেকপোস্ট বাড়ানো হবে। বিশেষ পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করা হবে।
র‌্যাবের উপ-অধিনায়ক মেজর মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, নির্বচন বিষয়ে ১৩০ সদস্যবিশিষ্ট মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। মোবাইল কোট ও চেকপোস্ট তাৎক্ষণিক থাকবে। বিজিবি’র সহকারী পরিচালক মোঃ সফিয়ার রহমান বলেন, প্রত্যেক উপজেলায় ২০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ৮-১৪ ফেব্রুয়ারি তারা তৃণমূলে থাকবে। নৌ পুলিশের সহকারী সুপার মোঃ সাদিকুর রহমানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নজরদারি ও নৌ টহল থাকবে। কয়রার আমাদী, দক্ষিণ বেদকাশিতে ৯৫ জন এবং তেরখাদা, দিঘলিয়া দুইশ’ নৌ বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রেখে নির্বাচনী কার্যক্রম আচ্ছা পরিচালনা করা হবে দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করা হবে নির্বাচনের সুন্দর  পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে যাতে করে সকল ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসে ভোট প্রদান করতে পারে, কারণ বর্তমান দেশের প্রেক্ষাপটের উপর নির্ভর করে সাধারণ জনগণের মাঝে গুপ্ত  আতঙ্ক বিরাজ করছে ফলে বিষয়টি যাতে অতি সহজেই সাধারণ জনগণ সহজেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপর আস্থা রেখে অজানা ভীতি থেকে বেরিয়ে এসে ভোট একটি মৌলিক অধিকার আর সেই ভোট প্রদান করতে পারে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে জেলার ৬ টি আসনেই সাত সংস্থার তৎপরতা শুরু! 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৪১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী খুলনা ছয়টি আসনেরই সকল ভোটারদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশে একটি অবাধ  গ্রহণযোগ্য সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে সরকারও নির্বাচন কমিশনারের প্রধানের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে  গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে রয়েছে এবং নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত মাঠেই থাকবে এই প্রতিশ্রুতি নিয়ে খুলনার ৬টি আসনে সন্ত্রাস সৃষ্টিকারীদের তালিকা গোয়েন্দাদের হাতে নিয়েছে । মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পরপর এ তালিকা সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছাবে। লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরি করতে এ মাস থেকেই সাত সংস্থার তৎপরতা শুরু হয়েছে। গেলো মাসে জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
এ সময় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আ.স.ম জামশেদ খোন্দকার এ সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি বলেন, সন্ত্রাস সৃষ্টি করতে পারে এমন দুর্বৃত্তদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহ নাগাদ সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছাবে। গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী গণভোট নিয়ে রাজনৈতিক ও সরকারের সাথে ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে, এর অবসান হবে। সভায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, যৌথবাহিনীর টহল, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বডি অন ক্যামেরা ও কেপিআইতে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়।
কেএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার (দক্ষিণ) অমিত বর্মণ বলেন নগরীতে চেকপোস্ট বাড়ানো হবে। বিশেষ পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করা হবে।
র‌্যাবের উপ-অধিনায়ক মেজর মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, নির্বচন বিষয়ে ১৩০ সদস্যবিশিষ্ট মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। মোবাইল কোট ও চেকপোস্ট তাৎক্ষণিক থাকবে। বিজিবি’র সহকারী পরিচালক মোঃ সফিয়ার রহমান বলেন, প্রত্যেক উপজেলায় ২০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ৮-১৪ ফেব্রুয়ারি তারা তৃণমূলে থাকবে। নৌ পুলিশের সহকারী সুপার মোঃ সাদিকুর রহমানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নজরদারি ও নৌ টহল থাকবে। কয়রার আমাদী, দক্ষিণ বেদকাশিতে ৯৫ জন এবং তেরখাদা, দিঘলিয়া দুইশ’ নৌ বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রেখে নির্বাচনী কার্যক্রম আচ্ছা পরিচালনা করা হবে দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করা হবে নির্বাচনের সুন্দর  পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে যাতে করে সকল ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসে ভোট প্রদান করতে পারে, কারণ বর্তমান দেশের প্রেক্ষাপটের উপর নির্ভর করে সাধারণ জনগণের মাঝে গুপ্ত  আতঙ্ক বিরাজ করছে ফলে বিষয়টি যাতে অতি সহজেই সাধারণ জনগণ সহজেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপর আস্থা রেখে অজানা ভীতি থেকে বেরিয়ে এসে ভোট একটি মৌলিক অধিকার আর সেই ভোট প্রদান করতে পারে।