ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
নিম্ন আয়ের ব্যবসায়ীদের আহাজারি

সিন্ডিকেটের কবলে এলপিজি গ্যাস, শীর্ষে গুনাগরী খাসমহল

মোহাম্মদ ওয়াজেদ, বাঁশখালী(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৪২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১৫০ বার পঠিত
মোহাম্মদ ওয়াজেদ, বাঁশখালী(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় এলপিজি গ্যাস সরবরাহ এখন একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।বিশেষ করে গুনাগরী খাসমহল এলাকাকে কেন্দ্র করে এই সিন্ডিকেট সক্রিয়ভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন।
সূত্র জানায়,নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করতে বাধ্য করা হচ্ছে খুচরা ব্যবসায়ীদের।কেউ প্রতিবাদ করলে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। ফলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
একাধিক দোকানি জানান,আগে যেখানে নির্ধারিত দামে গ্যাস পাওয়া যেত, বর্তমানে সেখানে প্রতি সিলিন্ডারে অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে। এতে লাভ তো দূরের কথা, দোকান পরিচালনাই কঠিন হয়ে পড়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন,
“সিন্ডিকেটের কথা না মানলে গ্যাস দেয় না। আমরা গরিব মানুষ, প্রতিবাদ করার শক্তিও নেই।দোকান বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া আমাদের আর উপায় নেই।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরেই এই সিন্ডিকেট বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বাজারে কৃত্রিম সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও নিয়মিত বাজার মনিটরিং জোরদারের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও সাধারণ ভোক্তারা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

নিম্ন আয়ের ব্যবসায়ীদের আহাজারি

সিন্ডিকেটের কবলে এলপিজি গ্যাস, শীর্ষে গুনাগরী খাসমহল

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৪২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
মোহাম্মদ ওয়াজেদ, বাঁশখালী(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় এলপিজি গ্যাস সরবরাহ এখন একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।বিশেষ করে গুনাগরী খাসমহল এলাকাকে কেন্দ্র করে এই সিন্ডিকেট সক্রিয়ভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন।
সূত্র জানায়,নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করতে বাধ্য করা হচ্ছে খুচরা ব্যবসায়ীদের।কেউ প্রতিবাদ করলে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। ফলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
একাধিক দোকানি জানান,আগে যেখানে নির্ধারিত দামে গ্যাস পাওয়া যেত, বর্তমানে সেখানে প্রতি সিলিন্ডারে অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে। এতে লাভ তো দূরের কথা, দোকান পরিচালনাই কঠিন হয়ে পড়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন,
“সিন্ডিকেটের কথা না মানলে গ্যাস দেয় না। আমরা গরিব মানুষ, প্রতিবাদ করার শক্তিও নেই।দোকান বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া আমাদের আর উপায় নেই।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরেই এই সিন্ডিকেট বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বাজারে কৃত্রিম সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও নিয়মিত বাজার মনিটরিং জোরদারের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও সাধারণ ভোক্তারা।