ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
৩৮ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দর মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে নির্বাচন

বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:২০:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
- / ৪২ বার পঠিত

বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো: প্রায় ১৭ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সর্বদলের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন রাত পোহালেই প্রচারণায় নামবে প্রার্থীগণ।
এই জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনার ছয়টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক পাওয়ার মধ্য দিয়ে খুলনায় নির্বাচনী মাঠে নামলেন মোট ৩৮ জন প্রার্থী। খুলনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষ ও জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে আয়োজিত পৃথক অনুষ্ঠানে এ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। খুলনা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আ স ম জামশেদ খোন্দকার খুলনা-১, ২, ৪, ৫ ও ৬ আসনের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করেন। অপরদিকে খুলনা-৩ আসনের প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ফয়সল কাদের। প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে খুলনার সবকটি আসনেই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণার সূচনা হলো। প্রতীক বরাদ্দের পর প্রতিক্রিয়ায় জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি প্রয়োগে সমতার অভাবের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, “নির্বাচনে চোখের চোখটা সমান হওয়া দরকার। আমরা দেখছি, কিছু প্রার্থী প্রকাশ্যে সমাবেশ করছেন, প্রতীক প্রদর্শন করছেন এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছেন। অথচ এসব ঘটনায় কোনো শোকজ বা নিষেধাজ্ঞার খবর পাওয়া যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের সচিবের সঙ্গে আলোচনায় জানা গেছে—প্রকাশ্য প্রচারণা শুরুর আগেও পরিচয়পত্র সঙ্গে রেখে বাড়ি বাড়ি গিয়ে গণসংযোগ করা আইনসম্মত। অথচ সেটিকেই আচরণবিধি লঙ্ঘন হিসেবে দেখানো হচ্ছে, যা দুঃখজনক। এ বিষয়ে সব প্রার্থীর প্রতি সমান নজরদারি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি। এদিকে বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, গত এক বছরে খুলনায় ৫২টি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে এবং ৫০টির বেশি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, যা নগরীর নিরাপত্তা পরিস্থিতির ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে।
তিনি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান জোরদার, সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে শক্ত চেকপোস্ট স্থাপন, যৌথ বাহিনীর টহল বৃদ্ধি এবং নগরীর ভেতরে সেনাবাহিনীর ছোট ছোট ক্যাম্প স্থাপনের দাবি জানান।
এ বিষয়ে খুলনা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আ স ম জামশেদ খোন্দকার বলেন, “বিস্তীর্ণ এলাকায় বহু রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীকে মনিটর করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছি। কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই।”
তিনি আরও বলেন, অসংখ্য গণমাধ্যম ও বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার কারণে নির্বাচনী কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে। ভবিষ্যতেও নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের আশ্বাস দেন তিনি


















