ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেন ২০৪ জন বন্দী

অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:১৫:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৯১ বার পঠিত
অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী: রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা বন্দীদের মধ্যে ২০৪ জন পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন। কারাগারে বর্তমানে হাজতি ও কয়েদি মিলিয়ে মোট বন্দীর সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ৬০০ হলেও ভোট দেওয়ার জন্য নাম নিবন্ধন করেছিলেন মাত্র ২৭৩ জন।
কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, কারাগারে থাকা বন্দীদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি এবং বাকি অর্ধেক বিচারাধীন হাজতি। দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে থাকা অনেক বন্দী এখনো ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেননি। ফলে ভোট দেওয়ার আগ্রহ থাকলেও তারা নিবন্ধনের বাইরে থেকে গেছেন।
কারা কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, কারাগারে নাম নিবন্ধন করলে পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর বাইরে গিয়ে ভোট দেওয়া যাবে না—এমন ধারণা বা জটিলতার আশঙ্কায় অনেক হাজতি ও কয়েদি নাম নিবন্ধনে আগ্রহ দেখাননি। এ কারণেই কারাগারে বন্দীর সংখ্যা তুলনায় নিবন্ধনকারীর সংখ্যা কম ছিল বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।
নিবন্ধিত ২৭৩ জনের মধ্যে ২০৪ জনের ব্যালট ভোটের জন্য যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করা হয়েছে এবং তাদের ভোটের কাগজপত্র পোস্ট অফিসে পাঠানো হয়েছে। তবে নিবন্ধনের পর ৩২ জন বন্দী জামিনে মুক্তি পাওয়ায় তারা আর ভোট দেওয়ার সুযোগ পাননি।
এদিকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে বর্তমানে রাজশাহী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ এবং রাজশাহী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এনামুল হক বন্দী রয়েছেন। তবে তারা ভোট দিতে আগ্রহী না হওয়ায় নাম নিবন্ধন করেননি এবং ভোটও দেননি।
কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান বলেন,
“কারাগারে যারা ভোট দিতে ইচ্ছুক ছিলেন তাদের জন্য নাম নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হয়েছিল। যারা চাননি, তাদের কোনোভাবে বাধ্য করা হয়নি। ভোট দেওয়া বন্দীদের ব্যালট পোস্ট অফিসে পাঠানো হয়েছে।”
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও আগ্রহী বন্দীদের জন্য নিবন্ধন ও ভোট প্রদানের সুযোগ অব্যাহত থাকবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেন ২০৪ জন বন্দী

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:১৫:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী: রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা বন্দীদের মধ্যে ২০৪ জন পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন। কারাগারে বর্তমানে হাজতি ও কয়েদি মিলিয়ে মোট বন্দীর সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ৬০০ হলেও ভোট দেওয়ার জন্য নাম নিবন্ধন করেছিলেন মাত্র ২৭৩ জন।
কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, কারাগারে থাকা বন্দীদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি এবং বাকি অর্ধেক বিচারাধীন হাজতি। দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে থাকা অনেক বন্দী এখনো ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেননি। ফলে ভোট দেওয়ার আগ্রহ থাকলেও তারা নিবন্ধনের বাইরে থেকে গেছেন।
কারা কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, কারাগারে নাম নিবন্ধন করলে পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর বাইরে গিয়ে ভোট দেওয়া যাবে না—এমন ধারণা বা জটিলতার আশঙ্কায় অনেক হাজতি ও কয়েদি নাম নিবন্ধনে আগ্রহ দেখাননি। এ কারণেই কারাগারে বন্দীর সংখ্যা তুলনায় নিবন্ধনকারীর সংখ্যা কম ছিল বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।
নিবন্ধিত ২৭৩ জনের মধ্যে ২০৪ জনের ব্যালট ভোটের জন্য যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করা হয়েছে এবং তাদের ভোটের কাগজপত্র পোস্ট অফিসে পাঠানো হয়েছে। তবে নিবন্ধনের পর ৩২ জন বন্দী জামিনে মুক্তি পাওয়ায় তারা আর ভোট দেওয়ার সুযোগ পাননি।
এদিকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে বর্তমানে রাজশাহী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ এবং রাজশাহী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এনামুল হক বন্দী রয়েছেন। তবে তারা ভোট দিতে আগ্রহী না হওয়ায় নাম নিবন্ধন করেননি এবং ভোটও দেননি।
কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান বলেন,
“কারাগারে যারা ভোট দিতে ইচ্ছুক ছিলেন তাদের জন্য নাম নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হয়েছিল। যারা চাননি, তাদের কোনোভাবে বাধ্য করা হয়নি। ভোট দেওয়া বন্দীদের ব্যালট পোস্ট অফিসে পাঠানো হয়েছে।”
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও আগ্রহী বন্দীদের জন্য নিবন্ধন ও ভোট প্রদানের সুযোগ অব্যাহত থাকবে।